নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

শ্যামবাজারের মূর্তিটা আসলে কার?‌ এই সম্পর্কে স্মরণীয় একটি মন্তব্য ছিল সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের। নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এল সেই অজানা মন্তব্য।

উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু

বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।

নেতাজি ভাগ্যিস ফিরে আসেননি

স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না?‌ তাঁকেও দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!‌

কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা বললেই বোঝা যায়, নেতাজি সম্পর্কে এঁরা প্রায় কিছুই জানেন না। লিখেছেন সুমিত চক্রবতী।।

শুরুর সেই উষ্ণতা কোথায় যে হারিয়ে গেল!‌

কে বড় ফুটবলার, পেলে নাকি মারাদোনা?‌ তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই তর্ক চলছে। পেলের জন্ম ১৯৪০ এ, মারাদোনার ১৯৬০ এ। বয়সের ব্যবধান কুড়ি বছরের। দু’‌জন দুটো ভিন্ন সময়ের প্রতিনিধি।...

অহেতুক জটিলতা বাড়াচ্ছে রেল

যাঁরা নানারকম পরিষেবা চান, তাঁরা জানেন কোথায় গেলে পাওয়া যায়। তাঁরা অনেকটাই টেক স্যাভি। কিন্তু যাঁরা সাধারণ যাত্রী, তাঁদের অকারণ ভোগান্তির মধ্যে না ফেলাই ভাল। রেল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আইআরসিটিসি সাইটটিকে দয়া করে আগের চেহারায় ফিরিয়ে দিন। এই জটিলতা থেকে মুক্তি দিন। লিখেছেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।

অরণ্যের দিনরাত্রি

চারপাশে নাম না জানা গাছের সারি। কোথাও ফিকে। কোথাও ঘন। সন্ধে নামলেই গা ছমছমে একটা ব্যাপার। বনের মধ্যে নির্জন কাঠের বাংলো, ঝুপড়ি হোটেল, শুনশান স্টেশন, হাতির ডাক। ডুয়ার্সের টুকরো টুকরো ছবি। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

ছোট্ট স্টেশন, হারিয়ে যাওয়ার হাতছানি

হয়ত সেখানে যাওয়ার কথাই ছিল না। ফাঁকা এক রেলস্টেশনে হঠাৎ করে নেমে পড়া। পাশ দিয়ে হয়ত বয়ে গেছে নদী। ছোট্ট চালা ঘরে হয়ত চপ–‌ঘুগনির দোকান। নাম না জানা ঠিকানায় আশ্চর্য এক ভ্রমণ। শরতের আলতো রোদে একটা দিন হারিয়ে যাওয়া। এমনই হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছের কথা উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

কজন ডাক্তার অগ্নীশ্বর দেখেছেন?

মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ, আপনি নিজে একবার অগ্নীশ্বর দেখুন (হয়ত আগে দেখেছেন, তবু আবার দেখুন)। তারপর আপনার দপ্তরের কর্তাদের দেখতে বলুন। নির্দেশ দিন, ডাক্তারির সব ছাত্রকে যেন অগ্নীশ্বর দেখানো হয়। উত্তম কুমারের নামে একটা মেট্রো স্টেশন করার থেকে এটা অনেক বেশি জরুরি।

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন।

নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। নতুন বছরের প্রথম ই ম্যাগাজিন নিয়ে হাজির বেঙ্গল টাইমস। বিশ্বকাপ শেষ। মেসিরা দেশে ফিরতে না ফিরতেই এসে গেল সেই মর্মান্তিক সংবাদ। ফুটবল সম্রাট পেলে আর নেই।...