নন্দ ঘোষের কড়চা ভারি আমার স্প্যানিশ বোদ্ধা

ইচ্ছে করছে স্প্যানিশ ভাষায় গোটা কয়েক গালাগাল শিখে গিল্ডকর্তাদের শোনাতে। দেখি, কেমন বুঝতে পারেন। আমি নিশ্চিত, ত্রিদিববাবুরা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে যেমন দাঁত কেলিয়ে হাসেন, আমার স্প্যানিশ গালাগাল শুনলেও তেমনিই হাসবেন।

বইমেলা বললে সেই ময়দানকেই মনে পড়ে

এখন একটা অদ্ভুত সময়। বিশেষ একজন যে সুরে কথা বলেন, সবাই সেই সুরেই কথা বলেন। তাঁর কথাই ঠিক, এটা প্রমাণ করতেই ব্যস্ত থাকেন। তাই কবি–‌সাহিত্যিকদের স্বাধীন কণ্ঠস্বর এখন তেমন খুঁজে পাই না। তাই ময়দানকে ঘিরে অনেকের নস্টালজিয়া থাকলেও তা প্রকাশ করতে দেখা যায় না। কী জানি, যদি তিনি রেগে যান!‌

জয় গোস্বামীর থেকে ঋতুপর্ণার কদর বেশি!‌

এ কোন বইমেলা, যেখানে ঋতুপর্ণার পেছনে এমন ভিড়, অথচ জয় গোস্বামীকে একা একা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়!‌ কেউ ফিরেও তাকায় না। কবি নিজেও তাকিয়ে রইলেন ভিড়ের দিকে। ভিড় চলে গেল। তিনি রাস্তার ধারে একাকী দাঁড়িয়েই রইলেন। কী ভাবছিলেন, মনে মনে কোনও কবিতা জন্ম নিচ্ছিল কিনা জানি না। হ্যাঁ, এই হুড়োহুড়ি, এই আদেখলাপনা—এটাই হয়ত মূলস্রোত বইমেলা। নির্বাক মুখ নিয়ে একাকী কবির দাঁড়িয়ে থাকা, এটাও বইমেলা।‌‌

বই তো কিনলেন, এবার?‌

নতুন বছরে বাঙালির নতুন পার্বণ— বইমেলা। দেখতে দেখতে শুরুও হয়ে গেল। স্বভাবতই বইপত্র নিয়ে আলোচনা চলবে। অনেকেই নতুন নতুন বই কিনবেন। একে একে পড়াও শুরু হয়ে যাবে। কোন বইটা কেমন...

ভাগ্যিস বিদেশিরা বাংলা পড়তে পারেন না

ছবি স্ক্যান হয়ে এল। সম্পাদক মশাই তার তলায় ক্যাপশান করলেন— বই চুরিতে পিছিয়ে নেই বিদেশিরাও। ভেবে দেখুন, কোন কপির সঙ্গে কোন ছবি!‌ তার সঙ্গে কী অসাধারণ একটা ক্যাপশন। ভাগ্যিস, বিদেশিরা বাংলা পড়তে পারে না।‌‌

যেমন উদ্বোধক, তেমন প্রচারক

বইমেলা উদ্বোধনের আগেই তিনি দলীয় মুখপত্র ‘‌জাগো বাংলা’‌র স্টল উদ্বোধন করে ফেললেন। ভাবা যায়!‌ আগে ‘‌জাগো বাংলা’‌র উদ্বোধন, তারপর বইমেলার উদ্বোধন!‌ বইমেলা আগে উদ্বোধন করার পর নিজের দলীয় স্টল উদ্বোধন করা যেত না?‌ কোনটা আগে করতে হয়, কোনটা পরে, এই ন্যূনতম শালীনতার বোধটুকু নেই!‌ তিনি কিনা বইমেলার উদ্বোধন করেন!‌

‌ফিরে এসো, ময়দান

বইমেলা আছে। অথচ, তুমি থাকবে না?‌ কেন জানি না, এত বছর পরেও মেনে নিতে পারি না। মনে প্রাণে চাই, বইমেলা আবার তোমার বুকেই ফিরে আসুক। আমার মতো অনেকেই হয়ত এমনটাই...

‌ধন্যবাদ লকডাউন, বই পড়ার অভ্যেস ফিরিয়ে দিলে

  নিখিল সেন মনে আছে, একসময় খুব লাইব্রেরি যেতাম। রোজ একটা বা দুটো করে বই নিয়ে আসতাম। পরেরদিন যেতাম সেগুলো ফেরত দিতে। একদিনেই দুটো বই পড়া হয়ে যেত। যদি দুটো...

সরস্বতী পুজোয় কিন্তু ‌সিগারেটেরও হাতেখড়ি

ছোটবেলার পুজো বলতে বারবার মনে পড়ে সরস্বতী পুজোর কথা। দুর্গাপুজো নিয়ে বাঙালির আবেগের শেষ নেই। কিন্তু কেন জানি না, সেই আবেগ ছোটবেলায় সেভাবে স্পর্শ করেনি। তার থেকে অনেক বেশি আপন...

অ্যায় মেরে ওয়াতন কে লোগো

২৬ জানুয়ারি মানেই বেজে উঠবে সেই গান। আমাদের পাড়ায়, আমাদের হৃদয়ে সেই একই গানের অনুরণন। সেই গান নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল ৫৭ বছর। সেই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন বৃষ্টি চৌধুরি।