বরুণ বিশ্বাসরা এভাবেই বেঁচে ওঠেন

এবার রাজবাবুর গোঁসা হল। মন্ত্রীর গ্রেপ্তারের সঙ্গে কেন তাঁদের পুরনো ছবিকে টেনে আনা হচ্ছে!‌ কেন হবে না বলুন তো!‌ তাঁরা তো ছবিতে বরুণ বিশ্বাসের নাম আর আবেগটাই ব্যবহার করেছিলেন। বরুণ হত্যার প্রতিবাদে ছবি বানাবো, আর যারা আসল অভিযুক্ত, তাদের আঁচলে আশ্রয় নেব, এই দ্বিচারিতা কেন?‌ যাঁরা সেই খুনের সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়, তাদের জড়িয়ে দেওয়াটাই বা কোন শিষ্টাচার!‌ সেদিন হয়ত সেভাবে প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু আজ উঠবেই। এটাই সময়ের দাবি।

তবু তৃণমূলেই থাকতে হবে, এটাই মহুয়ার সবথেকে বড় বিড়ম্বনা

তাঁকে থাকতে হবে সেই তৃণমূলেই। সংসদে কেউ তাঁর শুভাকাঙ্খী নন, এটা বুঝেই তাঁকে তৃণমূলে থাকতে হবে, তাঁদের হয়ে গলা ফাটাতে হবে। এটাই বোধ হয় মহুয়ার সবথেকে বড় বিড়ম্বনা।

কপিলের ১৭৫ ও একটি নিষ্পাপ মিথ্যাচার

লোকে কেন এরকম স্মৃতিচারণ করেন?‌ আসলে, সবাই সেই ইনিংসের সাক্ষী থাকতে চান। অন্তত সাক্ষী ছিলাম, এটা বোঝাতে চান। তার জন্য বেমালুম মিথ্যে বলেন। তিনি হয়ত জানেনও না, সেই ম্যাচ দেখানো হয়নি।

বৃষ্টির ধারা ও জঙ্গলের মাঝে অনন্ত ধারাগিরি

বিশ্বজিৎ ঘোষ সদ্য একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে, ঝুড়ো লালমাটি বৃষ্টির জল পেয়ে জমাট বেঁধে গেছে। চারপাশের গাছপালা, ঝোপঝাড়গুলি যেন কালচে সবুজ হয়ে গেছে। শুধু কালচে বললে ভুল বলা হবে, সবুজের...

নিবিঢ় অরণ্যের হাতছানি সুতানে

জঙ্গলে যাব মনে করলেই মনটা কেমন ডুয়ার্স ডুয়ার্স করে ওঠে। পাহাড়, নদী, জঙ্গল, ঠান্ডা আবহাওয়া সবই তো উত্তরবঙ্গে। তাই বলে দক্ষিণবঙ্গের কপালে শুধুই গরম আর রুক্ষ প্রকৃতি? না। আমাদেরও আছে। দক্ষিণবঙ্গের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে টুকরো টুকরো ডুয়ার্স।

অর্থমন্ত্রী ক্যাবিনেটেই নেই!‌ এর নাম সরকার

স্বরূপ গোস্বামী আবার মন্ত্রিসভার ছোটখাটো একটা রদবদল। কিন্তু তারপরেও আসল গলদটা থেকেই গেল। আচ্ছা, এই রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর নাম কী?‌ রাস্তায়, বাসে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নটা একবার হাওয়ায় ভাসিয়ে দিন তো। দেখুন,...

চেতনের হ্যাট্রিক আর সানির ঝড় শতরান

সোহম সেন বিশ্বকাপে ভারত নিউজিল্যান্ড বললেই মনে পড়ে যায় সেই ৮৭  বিশ্বকাপের কথা |সেবার সেমিফাইনালের  আগে সেটাই ছিল ভারতের শেষ ম্যাচ |ভারত যে  সেমিফাইনালে উঠছে সেটা ততদিনে নিশ্চিত হয়ে গেছে...

বেঙ্গল টাইমস ۔۔۔শারদ সংকলন

প্রতিবারের মতো এবারেও

পুজোর গন্ধ গায়ে মেখে হাজির বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন ۔۔

সাহিত্য,  বিনোদন,  রাজনীতি,  খেলা,  ভ্রমণ তো আছেই۔۔۔ ۔۔সঙ্গে আছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্পেশাল ফিচার ۔

হারিয়ে যাওয়া সেই মহালয়া

সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–‌শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

মহালয়া! না করলেই পারতেন মহানায়ক

একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।