বরুণ বিশ্বাসরা এভাবেই বেঁচে ওঠেন

এবার রাজবাবুর গোঁসা হল। মন্ত্রীর গ্রেপ্তারের সঙ্গে কেন তাঁদের পুরনো ছবিকে টেনে আনা হচ্ছে!‌ কেন হবে না বলুন তো!‌ তাঁরা তো ছবিতে বরুণ বিশ্বাসের নাম আর আবেগটাই ব্যবহার করেছিলেন। বরুণ হত্যার প্রতিবাদে ছবি বানাবো, আর যারা আসল অভিযুক্ত, তাদের আঁচলে আশ্রয় নেব, এই দ্বিচারিতা কেন?‌ যাঁরা সেই খুনের সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়, তাদের জড়িয়ে দেওয়াটাই বা কোন শিষ্টাচার!‌ সেদিন হয়ত সেভাবে প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু আজ উঠবেই। এটাই সময়ের দাবি।

তবু তৃণমূলেই থাকতে হবে, এটাই মহুয়ার সবথেকে বড় বিড়ম্বনা

তাঁকে থাকতে হবে সেই তৃণমূলেই। সংসদে কেউ তাঁর শুভাকাঙ্খী নন, এটা বুঝেই তাঁকে তৃণমূলে থাকতে হবে, তাঁদের হয়ে গলা ফাটাতে হবে। এটাই বোধ হয় মহুয়ার সবথেকে বড় বিড়ম্বনা।