তিনি কি সত্যিই চেয়েছিলেন এবার ভোট হোক? যদি সত্যিই চেয়ে থাকেন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রে সেটা করে দেখাতে পারলেন না কেন? যদি সত্যি চেয়ে থাকেন, তাহলে বলতে হবে, তাঁর নিচুতলার কর্মীরা তাঁর কথাকে পাত্তাই দেয়নি। তাঁরা জানেন, লোকসভায় কীভাবে ভোট হয়েছে। এই ভোট লুঠ তাঁদেরই করতে হয়েছে। তাঁরা অন্যের জন্য ভোট লুঠ করবেন, নিজেদের সময় শান্তির বাণী শুনবেন কেন?
সরল বিশ্বাস দলের শীর্ষনেতা। অথচ, তিনি কোনওদিন সংসদীয় রাজনীতি করেননি। মানে, কখনও লোকসভা বা রাজ্যসভায় সাংসদ হওয়ার চেষ্টা করেননি। কখনও বিধানসভার ভোটে দাঁড়িয়ে বিধায়ক বা মন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করেননি। নিদেনপক্ষে,...
দল থেকে কাদের মুখপাত্র হিসেবে পাঠানো হচ্ছে? জেলার কোনও মুখ নেই যিনি পার্টির অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন! অর্থবল, বাহুবল নেই, মানা গেল। ক্ষমতায় না থাকলে মিডিয়া বা প্রশাসনের ওপরও প্রভাব থাকবে না, এটাও স্বাভাবিক। জেতার সম্ভাবনা কম, তাই ভাল মানের প্রার্থী পাওয়া যাবে না, এটাও বোঝা যায়। কিন্তু যুক্তি আর বুদ্ধির দৌড়েও পিছিয়ে থাকতে হবে? এমন দৈনতা কেন আসবে?
(আজ ২ জুলাই, কিংবদন্তি অশোক ঘোষের ১০২ তম জন্মদিন। করোনা আবহে নিঃশব্দে পেরিয়ে গেছে তাঁর জন্ম শতবর্ষ। নানা আঙ্গিক থেকে সেই মানুষটির অজানা দিক তুলে ধরার চেষ্টা। কয়েক বছর আগে...
অন্যের দিকে আঙুল তুলছেন ঠিকই। আসলে, আঙুলটা তাঁর নিজের দিকেই উঠছে। নিজের ব্যর্থতাকেই বেআব্রু করে চলেছেন। সেই কতকাল আগে অটল বিহারী বাজপেয়ী তাঁকে বলেছিলেন, রাজধর্ম পালন করতে। সেই শিক্ষা আজও নিতে পারেননি। রাজধর্ম থেকে তিনি আলোকবর্ষ দূরে। তিনি শুধু বাজার গরম করতেই জানেন। কিন্তু প্রশাসন চালানো তাঁর কম্ম নয়।