ঝুলন যখন দেশের হয়ে প্রথম খেলতে নামেন, তখনও জন্মই হয়নি শেফালি ভার্মা, রিচা ঘোষদের। আজ এঁরাই ঝুলনের সতীর্থ। এঁরাই মাঠের মাঝে ঝুলনকে জড়িয়ে ধরছেন। হাও হাও করে কাঁদছেন। জীবন বড়ই বিচিত্র। কোন বাঁকে কোন চিত্রনাট্য লেখা থাকে, কেউ জানে না।
এবারের পুজো সংখ্যাতেও সাহিত্য থেকে বিনোদন, খেলা থেকে রাজনীতি, ফিচার থেকে ভ্রমণ— সব উপাদানই রয়েছে। চেষ্টা হয়েছে নতুন লেখকদের আরও বেশি করে সুযোগ দেওয়ার। সীমিত প্রিন্ট ভার্সান হয়ত অনেক পাঠকের কাছেই পৌঁছবে না। তাই রইল পিডিএফ ফাইলও। ইচ্ছে করলেই ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
সরল বিশ্বাস প্রথমেই দ্বিধাহীনভাবে জানিয়ে রাখি, আমি একজন বাম অনুরাগী। বামেদের সব কিছুর সঙ্গে যে সহমত পোষণ করি, এমন নয়। অনেক পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র আপত্তিও থাকে। যেহেতু আমি দলীয় সদস্য...
বেসরকারি নিয়োগপত্র সরকারি মঞ্চ থেকে এভাবে দেওয়া যায় না, এই মিনিমাম বোধটুকুও মুখ্যমন্ত্রীর নেই! আমলাদের নেই! কাদের নিয়ে চলছে প্রশাসন! নিচুতলাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। এই গ্যালারি শো আর জালিয়াতির অনুপ্রেরণা আসছে একেবারে উপর থেকে।
বড্ড মনে পড়েছে অনসূয়ার কথা। অতঃপর কড়া নাড়ে প্রাক্তন হয়ে যাওয়া শ্বশুরবাড়ির দড়জায়।
শীর্ণকায় সবুজ অনসূয়াকে বলে, শেখাবে একটু বাম রাজনীতির অ-আ-ক-খ?
রুমা ব্যানার্জি শহুরে একঘেয়েমিতে ক্লান্তজীবন যখন প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে চায়, তখন মন ছুটে যায় নীল সবুজ হিমালয়ের কোলে কোনও অজানা গ্রামে। সেখানকার সোঁদা মাটির গন্ধ, ঝোপে ঝাড়ে ঝিঁঝি পোকার...
একেবারে অন্য এক আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিনলাম। ছেলেবেলায় হোস্টেল জীবনের স্মৃতি কী চমৎকারভাবে উঠে এল। ছোটবেলায় কেমন দস্যি দামাল ছিলেন। কেন তাঁর বাবা তাঁকে মফস্বল থেকে হোস্টেলে দিয়ে গেলেন। কী কী দুষ্টুমি করেছেন। কী অকপটে সেইসব স্মৃতি তুলে আনলেন।
হাতে গরম ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে যেন হারিয়ে যাচ্ছিলাম স্বপ্নের রূপকথার রাজ্যে। সব যেন ঘুমিয়ে আছে রুপোর কাঠির ছোঁয়ায়। যদিও ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমি নেই, তবে শুনলাম ওখানে হিমালয়ের স্যালামান্ডার দেখা যায়। যার আঞ্চলিক নাম গোড়া এবং বেশ কিছু বছর আগে ভাল্লুক দেখা গেলেও এখন আর তেমন বন্যপ্রাণী দেখা যায় না। নিশ্চিন্তে ঘরে ঢুকে পড়লাম।
সজল মুখার্জি কুণাল ঘোষের ওপর আমার খুব রাগ হত। সত্যিই খুব রাগ হত। একটা মানুষ কয়েকবছর আগেও চিৎকার করে বলতেন, মমত ব্যানার্জিকে আমার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হোক, তাঁকে গ্রেপ্তার...
নির্মল দত্ত কল্যাণ চৌবের কাছে কখন বাইচুং ভুটিয়াকে হারতে হয়? উত্তর একটাই, যখন শাসকদল ভোটের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে। ঠিক সেটাই হল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে। এটা ঘটনা, বছরের পর বছর রাজনীতিকদের...