‌তাঁর প্রশ্রয় না পেলে আমি হয়ত শিল্পী হতাম না

প্রদীপ সিংহবাবু মানুষের বেড়ে ওঠার পেছনে তার পরিবারের বড় একটা অবদান থাকে। ছোট থেকে যে পরিবেশে সে বড় হয়, সেই পরিবেশের একটা স্থায়ী ছাপ থেকেই যায়। ডাক্তারের ছেলে হয়ত সবসময়...

‌আমার আকাশের ধ্রুবতারা

তোমার জীবনের লক্ষ্য কী?‌ মামা অনেকের কাছেই জানতে চাইতেন। অনেক সময় ক্লাসেও জানতে চাইতেন। কখনও আবার একান্তেও জানতে চাইতেন। অর্থাৎ, সেই ছাত্রর কোন বিষয়ে আগ্রহ, সেটা বুঝতে চাইতেন। ছাত্রের সেই ইচ্ছেকে সম্মান জানাতেন। উৎসাহিত করতেন।

জন্মের আগে থেকেই স্কুলের সঙ্গে সম্পর্ক!‌

তখন এসডিও সাহেব স্যারকে প্রণাম করে বললেন, ‘‌আমাদের অনেক জায়গায় যেতে হয়। অনেক স্কুলেই স্ট্রং রুম নিতে হয়। আজ আপনি আমার চোখ খুলে দিলেন। আমরা এতদিন স্কুলকে স্ট্রং রুম হিসেবেই দেখে এসেছি। এটা যে স্কুল, এই জিনিসটা মাথাতেও আনি না। আজ আপনি আমাকে একটা শিক্ষা দিলেন। নিজের স্কুলকে কীভাবে ভালবাসতে হয়, আপনার কাছ থেকে শিখলাম। সব স্কুলে যদি আপনার মতো একজন শিক্ষক থাকেন, শিক্ষার চেহারা বদলে যাবে। আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, আপনার স্কুলের কোনও ক্ষতি আমি হতে দেব না। গণনার পর আমি নিজে আবার আসব। দেখে যাব। যদি কোথাও কোনও ক্ষতি হয়, সব দায়িত্ব আমি নিলাম।’‌

চির কিশোর।। কুণাল দাশগুপ্ত

তাঁর মূলত তিনটি প্যাশন। কিশোর কুমার, ইস্টবেঙ্গল ও সিপিএম। এই তিন বিষয় নিয়ে কোনও নিন্দে শুনতে তিনি রাজি নন। এই তিনের পাশে দাঁড়াতে তাঁর ‘‌নিরপেক্ষ’‌ হওয়ার কোনও দরকারও পড়ে না।...

ইডি থেকে বেরিয়েই বারবার এমন ভাষণের আত্মবিশ্বাস পান কোত্থেকে?‌

প্রতিবার ইডি থেকে বেরিয়েই তিনি এত লম্বা ভাষণ দেওয়ার সাহস পান কীভাবে?‌ তিনি জানেন, আর যার যাই হোক না কেন, তাকে নিয়ে কোনও গোপন তথ্য বেরিয়ে পড়বে না। একেবারে সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এমন আশ্বাস না পেলে এমন আত্মবিশ্বাস আসে না।

অমিত শাহ যথার্থই পাপ্পু

তাঁর যেটা কাজ, সেটাই ভুলে গেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কাজ ছিল গরু পাচার, কয়লা পাচার আটকানো। আর তিনিই বলে চলেছেন, গরু পাচার হচ্ছে। অভিযোগের তীর ছুড়ছেন বিরোধীদের দিকে। নিজের ব্যর্থতাকে যে কেউ এভাবে ফলাও করে প্রচার করতে পারেন, এটা আগে জানা ছিল না। গত সাত–‌আট বছরে সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার যদি বেড়ে থাকে, তাহলে সেই লজ্জা কার?‌ এই বোধটুকুও নেই।

বিভূতিভূষণএখানে কখনওখেতে আসেননি

আমি কোনওকালেই রাঁধুনি নই। চা, চাউমিন, কাজ চালানো খিচুড়ি, ডিম ভাজা— এই আমার রান্নার দৌড়। বেশি সময়ও নেই, সেই নিষ্ঠাও নেই। কিন্তু নিজের কাজটা বরাবরই যত্ন নিয়ে করি। তাই হাজারি ঠাকুরের সঙ্গে নিজের কোথায় একটা মিল পেতাম। সেই কারণেই হয়ত এই উপন্যাসটা আমার এত প্রিয়। সেই কারণেই রানাঘাটের এই হোটেলে একদিন ভাত খাওয়ার এমন তীব্র ইচ্ছে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।

লম্বা লাইন দেখে গর্বিত নয়, লজ্জিত হোন কর্তারা

ধীমান সাহা ডার্বি মানেই এঁকে বেঁকে যাওয়া একটা লম্বা লাইন। কখনও সেই লাইন লাল হলুদ তাঁবুর সামনে। কখনও আবার সবুজ মেরুন তাঁবুর সামনে। সাতের দশক, আটের দশকে এটাই ছিল চেনা...