বেঙ্গল টাইমস।। ই–ম্যাগাজিন।। ১৬ সেপ্টেম্বর সংখ্যা
ভ্রমণ: সাগর ডাকে আয়
‘প্রচলিত’ গানের আড়ালে
আচ্ছা, একজন শিল্পী একটা গান কেন রিমেক করেন? ধরে নেওয়াই যায়, সেই গানটা তিনি ছোট থেকে শুনে আসছেন। তাঁর মনের মধ্যে সেই গান স্থায়ী ছাপ ফেলেছে। সেই কারণেই এত গান থাকতে সেই গানকে বেছে নিয়েছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সেই গান রেকর্ডের সময় তার কথা ও সুর কার, সেই ব্যাপারটি গায়ক জানেন না। এটা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?
বোর্ড থেকে সৌরভের সম্মানজনক বিদায় অনিবার্য
এই পুনর্বাসন প্যাকেজ মেনে নেওয়া ছাড়া এই মুহূর্তে সৌরভের সামনে আর কোনও বিকল্প রাস্তাও নেই। কারণ, বিজেপির সমর্থন ছাড়া বোর্ডে তাঁর পক্ষেও টিকে থাকা মুশকিল, এই সহজ সত্যিটুকু তাঁর থেকে ভাল আর কে বোঝেন!
বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হয়ে গেল, কেউ জানতেও পারলেন না!
আস্ত একটা বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হয়ে গেল। কারও কাছে খবরই ছিল না! নিশ্চয় ঘুম থেকে তুলে হঠাৎ করে নির্বাচকদের বৈঠকে বসিয়ে দেওয়া হয়নি। তাঁরা আগেই জানতেন। আরও অনেকেই জানতেন। তবু সাংবাদিকরা টের পেলেন না। ক্রিকেট সাংবাদিকতার মান কোথায় নেমেছে, এটা তার ছোট্ট একটা উদাহরণ। লিখেছেন মতি বসু।
এই ছ্যাঁচড়ামো মোহন–সচিবকে মানায়!
প্রচারের মোহ কম–বেশি অনেকেরই থাকে। কিন্তু তিনি যেটা করে চলেছেন, তাকে স্রেফ ছ্যাঁচড়ামো ছাড়া আর কী বলা যায়, জানি না। যেটা সহজেই দু’পক্ষের কথাবার্তায় মিটে যাওয়ার কথা, সেটাকে অহেতুক জটিল করছেন। দুজনের হাতে দুটো মোবাইল। দুজনের কাছেই দুজনের নম্বর আছে। কথা বলবেন, মিটিয়ে নেবেন। এটাই তো হওয়া উচিত। তার বদলে দেড় মাস ধরে এই সস্তা নাটক করে চলেছেন।
অফস্টাম্পের বাইরে, যাঁদের পড়া উচিত তাঁরাই সময় পেলেন না
এমন একটা দুরন্ত ধারাবাহিক নিঃশব্দে শেষ হয়ে গেল। হয়ত পরে বই হয়ে বেরোবে। থেকে যাবে মহাকালের কাছে দলিল হয়ে। গুণগ্রাহী পাঠক নিশ্চয় আছেন। কিন্তু যাঁদের সবার আগে পড়ার কথা, সেই সাংবাদিকরা বা সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীরা হয়ত সেই পাঠকবৃত্তের বাইরেই থেকে যাবেন। এটাই সবথেকে বড় ট্র্যাজেডি।
ঝোলা থেকে বেড়ালটা তাহলে বেরিয়েই পড়ল
মনের ভাবটা সেই বেরিয়েই এল। বোঝাই গেল, কে কী বলছে, এই ভাবনাটাই তাঁকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছিল। একটু বেশিই এসব নিয়ে ভাবছিলেন। নইলে, ম্যাচের পর এই মঞ্চটাকে বেছে নিতেন না। ঝোলা থেকে বেড়ালটা তাহলে বেরিয়েই পড়ল।
এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই
একদিন ক্লাস নাইনের এই ছেলেটিই বলেছিল, ‘স্যার, এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই।’ বিদায়বেলায় সেই ছেলেটির হাতেই কঠিন অঙ্কের উত্তর মেলানোর দায়িত্ব সঁপে দিয়েছিলাম। ইংরাজির শিক্ষক হয়েও সব অঙ্কের উত্তর ঠিকঠাক মিলিয়ে দিয়েছিল। একটা বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হয়েছিল।
