কুণাল দাশগুপ্তর গল্প

ম্যাচের শেষে ঝনঝন শব্দ। পাশে ঘর থেকে দৌড়ে এল ভাই শুভাশিস। মাটিতে প্রলয়। চশমাটা এক হাত দূরে। ভাঙা বোতল থেকে গড়িয়ে পড়ছে স্কচ। সব ছেড়ে দিলেও ওটিকে ছাড়তে পারেনি। অতি উত্তজনার ফল। সিপিআর–‌এরও সুযোগ নেই।‌

বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তর গল্প

শ্রাবণ মাসের শেষের দিকে এক বৃষ্টি ভেজা সকাল। গত কয়েকদিন ক্রমাগত বৃষ্টির পর আজ সকালে বৃষ্টির প্রকোপটা একটু কমলেও সারা আকাশ জুড়ে কালো মেঘের সম্ভার আর একটা থমথমে ভাব। কলকাতার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহিরবিভাগে এই সময়টায় প্রচুর লোকের সমাগম। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অবশেষে ডাক্তার দেখাবার পর রুদ্রশেখর দু’‌হাতে স্ক্রাচে ভর দিয়ে আস্তে আস্তে বেরোবার সিঁড়ির মুখে এসে দাঁড়িয়েছেন ঘরে ফেরার জন্য । হঠাৎ আবার জোরে বৃষ্টি নামল। অগত্যা লোকজনের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হল বৃষ্টির তোড়টা একটু কমার অপেক্ষায়। আর এই লোকজনের দাঁড়িয়ে থাকা ভিড়ের মধ্যে একেবারেই অপ্রত্যাশিতভাবে বহু বছর পর তার সঙ্গে দেখা।

রাজাভাতখাওয়ার সেই ছোট্টা ঝোরা,চাঁদের আলোমাখা সেই ডিমা নদী

আর তো হঠাৎ করে ছুটে যেতে পারব না রাজাভাতখাওয়ায় ওই ঝোরার সামনে, চাঁদের আলোয় ডিমা নদীর ধারের জঙ্গলের অপার্থিব রূপও দেখতে পাব না। অথবা ইচ্ছে করলেই যেতে পারবো না মেচ আর রাভাদের নাচ দেখতে। পাম্পু বস্তির মোমোর দোকান, পানিঝোরার জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট নদী, মেচপাড়া চা বাগানের সবুজ গালিচার ওপারে নীল ভুটান পাহাড়, হাসিমারা এয়ারবেসের কাছে তোর্ষার জঙ্গল, মালবাজার শহরের ছোট্ট অথচ মনোময় পরিবেশ, বীরপাড়া চা বাগানের গা ছমছমে পরিবেশ–‌ আরও কতো কী! সব ইতিহাস হয়ে গেল আজ থেকে।

নয়ের দশকের চুমকিযেন বাংলার আশা পারেখ

মনে মনে চুমকিকে আয়েষার রোল দিয়ে দিই। বঙ্কিমী প্যাশনের এমন নায়িকা, আর কেউ ছিলেন না। এখনও নেই। নয়ের দশকের সেই আটপৌরে নায়িকার উপাখ্যান। লিখলেন প্রাজ্ঞদীপা হালদার।

ই ম্যাগাজিনে লেখা পাঠান

বেঙ্গল টাইমস। গত ছ’‌বছর ধরে বাংলার বিকল্প কণ্ঠস্বর। দৈনন্দিন খবরের ভিড়ে একটু ভিন্ন স্বাদ। অসংখ্যা পোর্টালের ভিড়ে একটু অন্য আঙ্গিক। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলা, বিনোদন, ভ্রমণ। সেইসঙ্গে নানা আকর্ষণীয় স্পেশ্যাল ফিচার...

সেই ‘‌জ্যাকিদা’কে সবাই ভুলেই গেল!‌

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— আশির দশক। আজকের লেখায় আশির দশকে বাংলা রাজনীতির এক বর্ণময় চরিত্র। এই প্রজন্ম যাঁর কথা সেভাবে জানতেও পারল না। লিখেছেন রাজীব সেনগুপ্ত।। বাংলার রাজনীতিতে সে এক...

‌ডিম নিয়ে ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন

অন্তরা চৌধুরি আচ্ছা ডিম খেতে কে না ভালবাসে বলুন তো? এককথায় উত্তরটা হল সাত থেকে সাতানব্বই সকলেই ভালবাসে। কিন্তু বাঙালি সেকথা কিছুতেই স্বীকার করবে না। কারণ, ডিমের মধ্যে নাকি কোনও...

হারিয়ে যাওয়া সেইসব সিরিয়াল

অথচ, সিরিয়াল মানে কিন্তু এমনটা ছিল না। বছর দশেক আগেও বেশ উপভোগ্য কিছু সিরিয়াল হত। এখন যাঁরা সিরিয়ালে সকাল থেকে সন্ধে ডুবে আছেন, তাঁদের প্রতি সত্যিই করুণা হয়। তাঁরা আসল সিরিয়ালের স্বাদ বোধ হয় পাননি।

মারাদোনার সঙ্গে আমরাও যে কেঁদেছিলাম!‌

ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে!‌ সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!‌

ফিরে আসা দক্ষিণ আফ্রিকা আর ভয়ঙ্কর সেই ডোনাল্ড

দেখতে দেখতে তিরিশ বছর হয়ে গেল। ইডেনে নির্বাসন ভেঙে ফিরে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। রাইস, কুকরা তখন ক্রিকেট জীবনের শেষ প্রান্তে। তারই মাঝে ঝলক দিয়ে গেলেন একজন, অ্যালান ডোনাল্ড। সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এল অনির্বাণ বিশ্বাসের লেখায়।