কুণাল দাশগুপ্তর গল্প
ম্যাচের শেষে ঝনঝন শব্দ। পাশে ঘর থেকে দৌড়ে এল ভাই শুভাশিস। মাটিতে প্রলয়। চশমাটা এক হাত দূরে। ভাঙা বোতল থেকে গড়িয়ে পড়ছে স্কচ। সব ছেড়ে দিলেও ওটিকে ছাড়তে পারেনি। অতি উত্তজনার ফল। সিপিআর–এরও সুযোগ নেই।
ম্যাচের শেষে ঝনঝন শব্দ। পাশে ঘর থেকে দৌড়ে এল ভাই শুভাশিস। মাটিতে প্রলয়। চশমাটা এক হাত দূরে। ভাঙা বোতল থেকে গড়িয়ে পড়ছে স্কচ। সব ছেড়ে দিলেও ওটিকে ছাড়তে পারেনি। অতি উত্তজনার ফল। সিপিআর–এরও সুযোগ নেই।
শ্রাবণ মাসের শেষের দিকে এক বৃষ্টি ভেজা সকাল। গত কয়েকদিন ক্রমাগত বৃষ্টির পর আজ সকালে বৃষ্টির প্রকোপটা একটু কমলেও সারা আকাশ জুড়ে কালো মেঘের সম্ভার আর একটা থমথমে ভাব। কলকাতার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহিরবিভাগে এই সময়টায় প্রচুর লোকের সমাগম। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অবশেষে ডাক্তার দেখাবার পর রুদ্রশেখর দু’হাতে স্ক্রাচে ভর দিয়ে আস্তে আস্তে বেরোবার সিঁড়ির মুখে এসে দাঁড়িয়েছেন ঘরে ফেরার জন্য । হঠাৎ আবার জোরে বৃষ্টি নামল। অগত্যা লোকজনের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হল বৃষ্টির তোড়টা একটু কমার অপেক্ষায়। আর এই লোকজনের দাঁড়িয়ে থাকা ভিড়ের মধ্যে একেবারেই অপ্রত্যাশিতভাবে বহু বছর পর তার সঙ্গে দেখা।