প্রেমের জায়গা নেই! আগে প্রেমিকা খুঁজতে বলেছিলেন সুব্রত

উদ্যোক্তারা বেশ অস্বস্তিতে। মেয়রকে এমন বেআক্কেলে প্রশ্ন কেউ করতে পারেন, তাঁরা ভাবতেও পারেননি। তাঁরা তখন কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছেন না। পাছে মেয়র রেগে যান।

বেঙ্গল টাইমস। দীপাবলি সংখ্যা ২০২১

পুজো সংখ্যার পর এবার দীপাবলি সংখ্যা।৫০ পাতার পূর্ণাঙ্গ ই–‌ম্যাগাজিন। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ, স্পেশাল ফিচার। সঙ্গে নানা আকর্ষণীয় বিভাগ।পিডিএফে যেমন আপলোড করা আছে। তেমনই দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক। সেখানে ক্লিক করলেও পড়তে পারবেন।

ছেলেবেলার চকোলেট বোম আর সেই রূপকথার ‘‌বুড়িমা’‌

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

ব্যবধান ১ লাখ ৬৪ হাজার!‌ স্বয়ং নেতাজি দাঁড়ালেও এত ভোট পেতেন না‌

স্বয়ং নেতাজি যদি দাঁড়াতেন, তিনিও কি এই ভোট পেতেন?‌ মমতা ব্যানার্জি দাঁড়ালেও মার্জিন এর অর্ধেক হত না। সেখানে উদয়ন গুহর মার্জিন দেড় লাখ ছাপিয়ে গেলে চোখে লাগে বইকি।

কোন অভিমানে হারিয়ে গেলেন পান্নালাল?

কিছুটা অকালেই হারিয়ে গিয়েছেন। কোন অভিমানে চলে গেলেন, কে জানে!‌ অথচ, তাঁর গান পেয়েছে অমরত্ব। মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরেও দীপাবলি আর পান্নালাল মিলেমিশে একাকার। ব্যতিক্রমী এই শিল্পীকে নিয়ে লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

আগে দলবদলকে ধিক্কার দিন, তারপর না হয় রাজীবকে দেবেন

আপনি একজনকে চানক্য বলবেন। আরেকজনকে উন্নয়নের কাণ্ডারি বলবেন। আর বেচারা রাজীব গালাগাল খাবেন!‌ এটা কেমন বিচার!‌ রাজীবকে যদি গালাগাল দিতে চান, তাহলে যারা সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকেও এই নির্লজ্জ দলবদল করিয়ে যাচ্ছেন, যাঁরা সেই দলবদল করিয়ে বাহবা নিচ্ছেন, আগে তাঁদের ধিক্কার দিতে শিখুন। তাঁদের অপরাধটা অনেক বেশি। রাজীবদের অপরাধ সেই তুলনায় নেহাতই সামান্য।‌‌‌

ধনতেরাস নিয়ে বাঙালিরএত আদিখ্যেতা কেন?‌

এই লৌকিকতা প্রায় উৎসবের অঙিনায় পৌঁছে দিয়েছে মিডিয়া। তাই আজ শ্যামা পূজা বা দীপাবলীর সঙ্গে বড় করে উদযাপিত হয় ধনতেরাস। বাঙালি অবাঙালি তাই এখন পঞ্জিকা মেনে পৌঁছে যায় সোনার দোকানে। সেখানে লম্বা লাইন বুঝিয়ে দেয় আমাদের জনজোয়ারে গা ভাসানোর ধুম। খবরের কাগজে, বেতার, দূরদর্শন, পাড়ার মোড়ে, পথের দু–‌ধারে তাই এখন শুধুই সোনার বিজ্ঞাপন।

‌ধনতেরাসের ধামাকাই বলে দেয় বাঙালি কতটা পিছিয়ে

বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে?‌ তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘‌এগিয়ে বাংলা’‌র ছবিটা আসলে কেমন।

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি মোর

ধুলো উড়িয়ে বাস ছুটবে লালমাটির রাস্তা ধরে। ভোর ভোর গিয়ে সে পৌঁছবে কুয়াশামাখা ফুলকপি খেতের সামনে। কিন্তু জমিতে পা দিতে গেলেই কে যেন পিছু ডাকবে, “কই যাও বাপ?”

সাহিত্য নির্ভর সেইসব সিরিয়াল ফিরিয়ে আনা যায় না!‌

সাহিত্য নির্ভর আরও কত অসাধারণ সিরিয়াল, যেগুলি আমাদের সাহিত্য পড়ার খিদেকে উস্কে দিয়েছিল। এখনকার মতো রোজ হত না। সপ্তাহে নির্দিষ্ট একদিন। সেই অপেক্ষায় বসে থাকতাম। সেই অপেক্ষার আনন্দই ছিল আলাদা।
নতুন সিরিয়াল নির্মাণ করতে যা খরচ, পুরানো সিরিয়াল দেখাতে সেই তুলনায় কোনও খরচই নেই। যেটুকু খরচ, আশা করি বিজ্ঞাপন থেকে নিশ্চয় উঠে যাবে। যাঁরা সারাদিন সিরিয়াল দেখিয়ে বাণিজ্য করছেন, তাঁরা একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।