ছবিটা ক্যারমের নয়, সুসম্পর্কের
অথচ, কয়েক বছর আগেও পরিবেশটা এমন ছিল না। একদলের লোক দিব্যি অন্য দলের লোকের সঙ্গে আড্ডা দিলেন। গল্প করতেন। একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করতেন। একে অন্যের সম্পর্কে বেশ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। অন্তত এরকম নোঙরা ভাষা ব্যবহার করতেন না।
অথচ, কয়েক বছর আগেও পরিবেশটা এমন ছিল না। একদলের লোক দিব্যি অন্য দলের লোকের সঙ্গে আড্ডা দিলেন। গল্প করতেন। একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করতেন। একে অন্যের সম্পর্কে বেশ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। অন্তত এরকম নোঙরা ভাষা ব্যবহার করতেন না।
মালগুডি ডেজ নামে হিন্দি সিরিয়াল হত রাতে, তার একটা গল্প ছিল ‘স্বামী’। তাতে মাঝে মাঝে ‘স্বামী——’ বলে একটা ডাক ছিল, রেশ টেনে। সিরিয়াল শেষ হলেই ‘সু’ এভাবে আমার নাম ধরে পাড়া কাঁপিয়ে ডাকত, এটাই ছিল ওর ভালোবাসা।
আর বইমেলা যখন হয়, অর্থাৎ জানুয়ারিতে তেমন কোনও আশঙ্কাই ছিল না। তারপরেও বইমেলাকে বাতিল করার কোনও অর্থই হয় না। গিল্ড কর্তারাও নিজেদের দাবিকে সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারেননি।
প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে গুটি গুটি পায়ে ফাঁসিরমঞ্চে উঠলাম.. থুড়ি বসলাম। অনু কপালে ফোঁটা দিয়ে মুখে পেল্লাই সাইজের একটা সন্দেশ গুঁজে দিল। মুখে জোর করে একটু হাসি এনে দাঁত ক্যালানে বাঞ্ছারামের মতো মিন মিন করে বললাম… কিন্তু ভাইফোঁটা কাল না? অনু একগাল হেসে বলল … না গো পল্টুদা … আমাদের তো প্রতিপদে ভাইফোঁটা।
পরপর তিন রবিবার। যেন বিপর্যয়ের তিন বার্তা। প্রথম রবিবার পাকিস্তানের কাছে হার। দ্বিতীয় রবিবার হার নিউজিল্যান্ডের কাছে। আর তৃতীয় রবিবার বিদায়ের চূড়ান্ত সিলমোহর। তিনটি রবিবার যেন বিপর্যয়ের তিন চিত্রনাট্য লিখে দিয়ে গেল।
অগ্নিদেব কথাটা পাড়লেন সুব্রতর কাছে। সুব্রত বললেন, আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তার জন্য রাজীব গান্ধীর পার্মিশন লাগবে। তাঁকে জিজ্ঞেস না করে করতে পারব না। বর্ণময় সুব্রতকে বেশ পছন্দই করতেন প্রধানমন্ত্রী। এর কারণও ছিল। ইন্দিরা গান্ধীর বিপর্যয়ে এই বঙ্গের অনেকে তাঁর সঙ্গত্যাগ করলেও সুব্রত কিন্তু ইন্দিরার সঙ্গেই ছিলেন। এটা জানতেন বলেই রাজীবও বেশ দুর্বল ছিলেন বাংলার এই তরুণ তুর্কি নেতার প্রতি। ফলে, অনুমতি পেতে সমস্যা হল না।
স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এখানে পাঠক নির্দ্বিধায় নিজের ফেলে আসা জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা তুলে ধরতে পারেন। স্কুল ম্যাগাজিনকে ঘিরে অনেকদিনের পুরনো একটি ঘটনা। তুলে ধরলেন সজল চক্রবর্তী।।
সন্ধেবেলায় অনেক ডাকাডাকির পরেও উডবার্ন ওয়ার্ডে কোনও ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সুব্রত মুখার্জি যখন ছটপট করছেন, তখন বারবার ডাক্তারদের খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কাউকেই পাওয়া যায়নি। শেষবেলায় কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার নাকি আসেন। বুকে পাম্প করেন। ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। অর্থাৎ, মন্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
বেচারা প্রিয়। হাতে নাতে ধরা পড়ে গেলেন। কী আর করবেন। এটা–সেটা বলে প্রসঙ্গ ঘোরাতে চাইলেন। আর মানে মানে টাকা দিয়ে সুব্রতকে বিদেয় করলেন।
আফগানিস্তান যদি নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দেয়! বৃথা আশা মরিতে মরিতেও মরে না। হায় রে, এখন কিনা তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে আফগানিস্তানের দিকে!