হারিয়ে যাওয়া সেইসব সিরিয়াল

অথচ, সিরিয়াল মানে কিন্তু এমনটা ছিল না। বছর দশেক আগেও বেশ উপভোগ্য কিছু সিরিয়াল হত। এখন যাঁরা সিরিয়ালে সকাল থেকে সন্ধে ডুবে আছেন, তাঁদের প্রতি সত্যিই করুণা হয়। তাঁরা আসল সিরিয়ালের স্বাদ বোধ হয় পাননি।

মারাদোনার সঙ্গে আমরাও যে কেঁদেছিলাম!‌

ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে!‌ সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!‌

ফিরে আসা দক্ষিণ আফ্রিকা আর ভয়ঙ্কর সেই ডোনাল্ড

দেখতে দেখতে তিরিশ বছর হয়ে গেল। ইডেনে নির্বাসন ভেঙে ফিরে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। রাইস, কুকরা তখন ক্রিকেট জীবনের শেষ প্রান্তে। তারই মাঝে ঝলক দিয়ে গেলেন একজন, অ্যালান ডোনাল্ড। সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এল অনির্বাণ বিশ্বাসের লেখায়।

‘‌চিমা’‌‌ থেকে ‘‌চিমা,’‌গ্যালারি মাতবে সেই সুরে

১৯৮৭ সালে চিমা মহমেডান থেকে ইস্টবেঙ্গলে আসেন। লাল-হলুদ জার্সি গায়ে ওকোরি তখন চিমা থেকে কালো চিতা হয়েছেন। বিপক্ষের জালে থাবা বসানো রোজনামচা হয়ে গিয়েছে। তখন থেকেই গ্যালারিতে শোনা যেত ‘‌চিমা-চিমা’‌ ধ্বনি। সে ধ্বনি যেন জনপ্রিয়তায় ‘‌রূপ তেরা মস্তানা’‌কেও পিছনে ফেলে দিয়েছিল।

চলো না দিঘার সৈকত ছেড়ে

অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। দীপাবলি সংখ্যা

জীবন থেমে থাকে না। সে এগিয়ে চলে নিজের গতিতেই। পুজো সংখ্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার হাজির দীপাবলি সংখ্যা। ছাপা হরফের পুজো সংখ্যা এবার ছিল বাড়তি আকর্ষণ। রাজনীতি, খেলা, সাহিত্য,...

শিমুলতলা একবারই আসে জীবনে

প্রতিবার শীত এলেই শিমুলতলার সেই প্রান্তর, সেই অন্ধকার দেখতে পাই। ভাবি, যাব। একদিন নিশ্চয়ই যাব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুতেই যেন যাওয়া হয় না। বছরের পর বছর গড়িয়ে যায়!এখন বুঝি, শিমুলতলায় কখনও যাওয়া যায় না। শিমুলতলা একবারই আসে জীবনে। সেই স্মৃতি এবং ফেরার স্বপ্ন নিয়েই জীবন কেটে যায়।’‌

স্মৃতিটুকু থাক

নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন। আপনার সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্মৃতি ভাগ করে নিন অন্যদের সঙ্গেও।

হারিয়ে যাওয়া কোন্নগর, হারানো সেই ছেলেবেলা

বুদ্ধদেব হালদার ছেলেবেলার সেইসব দিনগুলো অন্যরকম ছিল। সেদিনকার সেই মফসসলের সঙ্গে আজকের এই মফস্‌সলের আকাশ-পাতাল তফাৎ। বাবা আমাদেরকে প্রত্যেক শনিবার গঙ্গাস্নানে নিয়ে যেতেন। আমার বরাবরই জলে ভয়। বাবার হাত ধরে...

হারিয়ে যাওয়া দস্যি–‌দামাল স্কুলবেলা

কে জানে সেই হাজিরা খাতাটা এখন আছে কিনা। খুব কেঁদেছিলাম প্রাইমারি স্কুল ছাড়ার সময়। ফোর থেকে যে ফাইভে উঠতে হবে। শৈশবের সোনামাখানো দিন যা আজও অমলিন। এ স্মৃতি আমার একার নয়, এ স্মৃতি তোমার–‌আমার সবার। যা গেছে চলে তা কি সত‍্যিই গেছে চলে?‌ নাকি হাতছানি দিয়ে ডাকে?‌