জামশিদকে যেন শাপমুক্ত করে গেলেন মজিদ

তিন দশক ধরে একঝাঁক প্রশ্ন তাড়া করেছে জামশিদ নাসিরিকে। মজিদ কোথায়?‌ কেমন আছেন?‌ যোগাযোগ আছে?‌ বেঁচে আছেন তো?‌ প্রশ্নগুলো সহজ। উত্তরটা কিন্তু অজানা। হাঁপিয়ে উঠেছিলেন জামশিদ। মজিদের আগমনে তাঁর অন্তত শাপমুক্তি ঘটল। আর কেউ জিজ্ঞাসা করবে না মজিদ বেঁচে আছেন কিনা। মর্মস্পর্শী এক লেখা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

কথা বলার লোকের বড্ড অভাব

যার সঙ্গে কথা হবে, সে কেমন অবস্থায় থাকবে, কে জানে!‌ সে হয়ত ফোন ধরবেই না। কথা বলা ফ্রি জানলে কথার মূল্যও কমে যায়। যেতে বাধ্য। তাই যারা মোবাইল খুটখুট করে চলেছে, তাদের মেসেজ করার জন্য হয়ত অনেক লোক আছে। কিন্তু হায়!‌ তাঁদের সঙ্গে কথা বলার লোকের বড্ড অভাব।

তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠের কাছে গান স্যালুট বড়ই ফিকে‌

ঠিক একবছর আগে, এই দিনেই প্রয়াত হয়েছিলেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। সেদিন গান স্যালুট দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিন বেঙ্গল টাইমসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। তার মধ্যে এই লেখাটি ফিরিয়ে আনা হল। পাঠকের স্মৃতিকে কিছুটা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা। পাশাপাশি, একবছর আগের সেই দিনটাকে একটু ফিরে দেখা।

এই অসম্মান কি প্রসেনজিতের প্রাপ্য ছিল!

চিরদিন প্রসেনজিৎকেই রাখতে হবে, এটা কোনও যুক্তি হতে পারে না। নতুন মুখ আনা হতেই পারে। তাই বলে, তাঁকে একবার জানানোও হবে না! তাহলে কি প্রসেনজিৎকে এভাবে অপদস্থ করাটা একেবারেই ইচ্ছাকৃত! এতবড় একটা সিদ্ধান্ত কোনও আমলার পক্ষে বা ইন্দ্রনীল সেনের পক্ষে নেওয়া সম্ভব? মুখ্যমন্ত্রী জানেন না, এটা বিশ্বাসযোগ্য! তাঁর অনুপ্রেরণা ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত হতে পারে!

মজিদকে নিয়ে কত প্রশ্নই না সামলাতে হয়েছে!

মজিদ বাসকার কোথায়? তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে খুঁজেছে কলকাতার ফুটবল মহল। বারবার সবাই ছুটে গেছেন মজিদের সঙ্গে আসা জামশিদ নাসিরির কাছে। তাঁর সঙ্গে দেখা হলেই সবাই জিজ্ঞেস করতেন মজিদের কথা। বেচারা জামশিদ। তিনি নিজেই জানতেন না, মজিদ কোথায় আছেন। উঠে আসত অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি। কীভাবে এসেছিলেন মজিদ? কেমন ছিল কলকাতায় কাটানো সেই দিনগুলো?

সংবিধান বদলে দিলেই শান্তি ফিরবে তো!

নোটবন্দির সময় বলা হয়েছিল, এর ফলে সব কালো টাকা বাজেয়াপ্ত হবে। সীমান্তে সন্ত্রাস নির্মূল হবে। অথচ, ভোটে নোটবন্দিকে নিজেরাই প্রচারে আনল না। এবার নতুন তাস। আসলে, উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করার মতো পারফরম্যান্স নেই। তাই কাশ্মীর, হিন্দু, পাকিস্তান— এসব জিগির তোলা ছাড়া উপায়ও নেই। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

প্রসেনজিৎকে সরিয়ে চেয়ারম্যান রাজ!‌

চেয়ারম্যান ছিলেন প্রসেনজিৎ। তাঁকে সরিয়ে চলচ্চিত্র উৎসবের দায়িত্বে কিনা আনা হল রাজ চক্রবর্তীকে!‌ মিছিলে হাঁটলেই যাকে যেখানে খুশি বসিয়ে দেওয়া যায়!‌ চেয়ারম্যান রাজ, অথচ কমিটির সদস্য অপর্ণা সেন, গৌতম ঘোষ, প্রসেনজিৎ!‌ কারা বানালেন এই আজব কমিটি?‌ তাঁদের সঙ্গে সংস্কৃতির কোনও সম্পর্ক আছে!‌

‌শতবর্ষের তোরণ ভাঙার লজ্জা এঁরা কবে বুঝবেন!‌

ক্লাবের গরিমার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তাঁদের সমর্থকরা কেবলই পেছনের দিকেই হাঁটেন। অতীতটাই তাঁদের ক্রেডিট কার্ড। যত পারো, ভাঙাও। ভাঙাতে ভাঙাতে যে কবে গাছে ফিরে গিয়েছেন, তা ডারউইনবাদী কোনও বিজ্ঞানীও অনুধাবন করতে পারবেন না। দিনের বদল হল, যুগের বদল হল, আদলের বদল হল, তবু এঁরা গাছ থেকে মাটি খুঁজে পেলেন না।লাল হলুদের শতবর্ষের তোরণ ভাঙার পর প্রতিবাদী লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।

বাঙালির যত আগ্রহ, রবি ঠাকুরের বউদি ঘিরে

কারা কারা রবীন্দ্রনাথকে দুশ্চরিত্র মনে করেন, হাত তুলুন। রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। বাইশে শ্রাবণেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

ভূস্বর্গ আবার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে না তো!

আবার শিরোনামে কাশ্মীর। চ্যানেলের প্রাইম টাইম জুড়ে, কাগজের প্রথম পাতা জুড়ে আবার সেই কাশ্মীর। কিন্তু কাশ্মীরের যে শালবিক্রেতা প্রতিবছর শীতের অতিথি হয়ে কলকাতায় আসেন, বছরের অর্ধেক সময় এই শহরেই কাটিয়ে যান, তাঁর চোখে কলকাতা ঠিক কেমন? কাশ্মীরই বা কেমন? নিজের স্ত্রীকে লেখা খোলা চিঠিতে সেই ছবিটাই ধরা দিল।