ধৈর্য কেড়ে নিচ্ছে ফেসবুক
আমাদের দেশেও তো সেই এক সমস্যা। পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, অহেতুক রাত জাগছে, নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে, কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না? লিখেছেন নিবেদিতা পাল।।
আমাদের দেশেও তো সেই এক সমস্যা। পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, অহেতুক রাত জাগছে, নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে, কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না? লিখেছেন নিবেদিতা পাল।।
তিন দশক ধরে একঝাঁক প্রশ্ন তাড়া করেছে জামশিদ নাসিরিকে। মজিদ কোথায়? কেমন আছেন? যোগাযোগ আছে? বেঁচে আছেন তো? প্রশ্নগুলো সহজ। উত্তরটা কিন্তু অজানা। হাঁপিয়ে উঠেছিলেন জামশিদ। মজিদের আগমনে তাঁর অন্তত শাপমুক্তি ঘটল। আর কেউ জিজ্ঞাসা করবে না মজিদ বেঁচে আছেন কিনা। মর্মস্পর্শী এক লেখা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
যার সঙ্গে কথা হবে, সে কেমন অবস্থায় থাকবে, কে জানে! সে হয়ত ফোন ধরবেই না। কথা বলা ফ্রি জানলে কথার মূল্যও কমে যায়। যেতে বাধ্য। তাই যারা মোবাইল খুটখুট করে চলেছে, তাদের মেসেজ করার জন্য হয়ত অনেক লোক আছে। কিন্তু হায়! তাঁদের সঙ্গে কথা বলার লোকের বড্ড অভাব।
ঠিক একবছর আগে, এই দিনেই প্রয়াত হয়েছিলেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। সেদিন গান স্যালুট দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিন বেঙ্গল টাইমসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। তার মধ্যে এই লেখাটি ফিরিয়ে আনা হল। পাঠকের স্মৃতিকে কিছুটা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা। পাশাপাশি, একবছর আগের সেই দিনটাকে একটু ফিরে দেখা।