প্রশ্নগুলো সহজ, আর উত্তরও তো জানা

এখানে না আছে গোয়েন্দাগিরি। না আছে সংবাদ জগৎ। না আছে বিনোদন জগৎ। ককটেল তৈরি করতে গিয়েই কিছুটা জগাখিচুড়ি হয়ে গেছে। শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য দেখে রিভিউ লিখলেন হেমন্ত রায়।

পাঁচিল টপকে ঢোকা খুব জরুরি ছিল!‌

দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর আত্মগোপন করে থাকা মানায়!‌ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগকে নিজেই তো জোরালো করে তুললেন। নিজেদের আরও হাস্যকর করে তুলল সিবিআই। তিনি যখন বাড়িতে ফিরেই এসেছেন, তখন একটু অপেক্ষা করা যেত না!‌ পাঁচিল টপকে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে হল!‌ এমন নিচুস্তরের অসভ্যতা দেখানোর কোনও দরকার ছিল!‌ লিখেছেন সঞ্জয় সেন।

দিঘার হোটেল ভাড়ায় কে লাগাম টানবে!‌

একেক দিন হোটেলের ভাড়া একেক রকম। অনেক হোটেলেই নির্দিষ্ট কোনও রেট কার্ড নেই। কোথাও কোথাও তিন চার রকম চার্ট করা আছে। অনেকদিন ধরেই চলছে। মুখ্যমন্ত্রী হোটেল ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ দেখালেন ঠিকই। কিন্তু সুরাহা হবে বলে মনে হয় না। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।

‌যিনি টাকা দিলেন, আগে বরং তাঁকেই ধরা হোক

চাকরির জন্য লোকে টাকা দেয়, ঠিকাদারি পাওয়ার জন্যও দেয়। কিন্তু রেলবোর্ডের সদস্য হওয়ার জন্য কিনা সত্তর লাখ ঘুস দিলেন!‌ তিনিই আবার প্রতারণার অভিযোগ আনলেন!‌ যাঁর নামে অভিযোগ, তিনি নিয়েছেন কিনা প্রমাণ সাপেক্ষ। কিন্তু যিনি দিলেন, তিনি তো নিজেই স্বীকার করে নিলেন। আগে তো তাঁকেই ধরা উচিত ছিল।

জোয়ারে কাছে, ভাটায় দূরে

জোয়ারে সমুদ্র কাছেই থাকে, কিন্তু ভাটা এলেই অনেকদূরে পালিয়ে যায়। এমনই এক সৈকত ওড়িশার চাঁদিপুর। আমাদের বাংলাতেও এমনই এক সৈকত আছে। চাইলে দু–‌তিনটে অলস দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন। তাই নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন।।

কুণ্ডুরা কেন স্পেশ্যাল?‌

বুক করা হত ট্রেনের পুরো কামরা। দেড়–‌দুমাসের লম্বা সফরে বেরিয়ে পড়া। রাঁধুনি তো থাকতই, সঙ্গে ধোপা–‌নাপিত। বেড়াতে গিয়েই প্রেম, বিয়ে। এমন কত অজানা কাহিনী কুণ্ডু স্পেশ্যালে। তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন অয়ন দাসের।

কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

অনেকে ভাবেন, লেখালেখির অভ্যেস তো নেই। তাই চিঠি লিখতে পারব না। একবার চেষ্টা করেই দেখুন না। আপনি তো আর দেশ পত্রিকায় লেখা পাঠাচ্ছেন না। নিকট কোনও বন্ধুকে চিঠি পাঠাচ্ছেন। তাহলে এত সংকোচ কীসের? প্রথম প্রথম হয়ত জড়তা থাকবে। দেখবেন, আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে। তখন আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন। লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।

চলো না দিঘার সৈকত ছেড়ে

অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।

ধৈর্য কেড়ে নিচ্ছে ফেসবুক

আমাদের দেশেও তো সেই এক সমস্যা। পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, অহেতুক রাত জাগছে, নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে, কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না?‌ লিখেছেন নিবেদিতা পাল।।