পাঁচিল টপকে ঢোকা খুব জরুরি ছিল!‌

দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর আত্মগোপন করে থাকা মানায়!‌ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগকে নিজেই তো জোরালো করে তুললেন। নিজেদের আরও হাস্যকর করে তুলল সিবিআই। তিনি যখন বাড়িতে ফিরেই এসেছেন, তখন একটু অপেক্ষা করা যেত না!‌ পাঁচিল টপকে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে হল!‌ এমন নিচুস্তরের অসভ্যতা দেখানোর কোনও দরকার ছিল!‌ লিখেছেন সঞ্জয় সেন।

দিঘার হোটেল ভাড়ায় কে লাগাম টানবে!‌

একেক দিন হোটেলের ভাড়া একেক রকম। অনেক হোটেলেই নির্দিষ্ট কোনও রেট কার্ড নেই। কোথাও কোথাও তিন চার রকম চার্ট করা আছে। অনেকদিন ধরেই চলছে। মুখ্যমন্ত্রী হোটেল ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ দেখালেন ঠিকই। কিন্তু সুরাহা হবে বলে মনে হয় না। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।

‌যিনি টাকা দিলেন, আগে বরং তাঁকেই ধরা হোক

চাকরির জন্য লোকে টাকা দেয়, ঠিকাদারি পাওয়ার জন্যও দেয়। কিন্তু রেলবোর্ডের সদস্য হওয়ার জন্য কিনা সত্তর লাখ ঘুস দিলেন!‌ তিনিই আবার প্রতারণার অভিযোগ আনলেন!‌ যাঁর নামে অভিযোগ, তিনি নিয়েছেন কিনা প্রমাণ সাপেক্ষ। কিন্তু যিনি দিলেন, তিনি তো নিজেই স্বীকার করে নিলেন। আগে তো তাঁকেই ধরা উচিত ছিল।