কোনদিন হয়ত বলে বসবেন, বাংলা মানুষকে হজ করতে কেন মক্কায় যেতে হবে? ফুরফুরা শরিফেই হজ হতে পারে। সারা দেশের লোক তাহলে এখানে আসবেন। এখানে পর্যটনের উন্নতি হবে। কোনদিন হয়ত বলবেন, আমি ভ্যাটিকান সিটি দেখে এসেছি। ওরা কৃষ্ণনগরে বা চন্দননগরে তৈরি করা যায়। করেও ফেলবেন।
যেভাবে দিনদিন তৃণমূলে ভাঙন বাড়ছে, তা প্রতিহত করতে পারবে না। এ ছাড়া বিজেপি কেন্দ্রের শাসকদল। তাদের ক্ষমতা অনেক। আর্থিক ও রাজনীতিতে বিজেপি সারা দেশে সুসংগঠিত। তারাও নানা কৌশল প্রয়োগ করবে। এ ছাড়াও গত পঞ্চায়েতে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফল পেয়েছে হাতেনাতে। এই ফল আরও ত্বরান্বিত হতে পারে আগামী পুরসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে। সুতরাং মমতাকে টেনে তোলা পিকের পক্ষে সম্ভব হবে না । লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।
বিকেল গড়িয়ে সন্ধে নেমে আসছে। নির্জন সেই সমুদ্র সৈকতে যেন মায়াবি এক পরিবেশ। একদিকে এগিয়ে আসছে ঢেউ। অন্যদিকে, ম্যানগ্রোভ অরণ্য। চেনা সমুদ্র যেন ধরা দিচ্ছে অচেনা এক চেহারায়। বিচিত্রপুর থেকে ফিরে এসে লিখলেন তানিয়া বর্ধন ঘোষ।
এবার আরও কাছাকাছি আসছে দিল্লি। ভৌগলিক দূরত্ব একই থাকছে। তবে হাওড়া থেকে দিল্লি যাওয়ার সময় একধাক্কায় কমে যাচ্ছে পাঁচ ঘণ্টা। এখন রাজধানী এক্সপ্রেসে দিল্লি যেতে সময় লাগে ১৭ ঘণ্টা। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে এই যাত্রাপথ ১২ ঘণ্টায় নেমে আসবে।
ফেলুদা, ব্যোমকেশ কিরীটীর কথা হয়ত জানি। কিন্তু বাংলায় প্রথম কোন মহিলা সাহিত্যিক কি গোয়েন্দ কাহিনি লিখেছেন ? ঠিক ধরেছেন, আশাপূর্ণা দেবী। একদিকে আটপৌরে সংসারের কাহিনি, অন্যদিকে গোয়েন্দাকাহিনি। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শোভন চন্দ।।
সুনীল–শক্তিদের নিয়ে কত গল্প। মধ্যরাতে কলকাতা শাসন করত চার যুবক। লাইনটা মনে গেঁথে গিয়েছিল। বাড়িতে মিথ্যে বলে আমরাও বেরিয়ে পড়লাম। সারা রাতের সে কী রোমাঞ্চ! এরপরেও আরও কয়েকবার আমরা রাতের কলকাতার স্বাদ নিয়েছি। ভাল–মন্দ মিলিয়ে সে এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা।
শেষের কবিতার শহর শিলঙ থেকে কবিতার শহর কলকাতা। অ্যালবামে জমে থাকা ছবি। ধূসর স্মৃতি। সবমিলিয়ে মন কেমন করা আলতো ছোঁয়া। উঠে এল অনবদ্য একটি গল্পে।
বর্ষায় অনেকে পাহাড়কে এড়িয়ে যান। কিন্তু পাহাড়ে অলসভাবে বৃষ্টি দেখার আনন্দই আলাদা। এমনই এক ঠিকানা হতে পারে বড়া মাঙ্গোয়া। বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো এক ফার্মহাউস। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড়ের সারি। বৃষ্টিভেজা পাহাড় ধরা দেবে আরও মোহময়ী চেহারায়। লিখেছেন অভিরূপ দাস।
জি বাংলা, স্টার জলসা, কালার্স বাংলা- এসব চ্যানেল যে কতটা ক্ষতি করছে, তা অনেকে বুঝতেও পারছেন না। যখন বুঝবেন, তখন পারিবারিক কাঠামোটাই হয়ত ভেঙে যাবে।
ভোরে উঠতে হবে বলে বেশি চাপ নেবেন না। রাতে যদি বারবার এটাই ভাবতে থাকেন, তাহলে ঠিকঠাক ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, না উঠলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। নিজেকে হালকা রাখুন। ভোরে ওঠার সহজ কয়েকটি উপায়।