সংসদটা হল্লাবাজদের জায়গা নয়, সংসদটা মহুয়া মৈত্রদেরই জায়গা, এটা বুঝিয়ে দিন। বাকিরা কি মহুয়া মৈত্রকে দেখে কিছু শিখবেন! সে আশা না করাই ভাল। কারণ, চাইলেই মহুয়া মৈত্র হওয়া যায় না। দিদির টিকিটে বা মোদির হাওয়ায় ভোটে জেতা যায়। ভাতা পাওয়া যায়, ফ্ল্যাট পাওয়া যায়, এমপির প্যাড ব্যবহার করা যায়, বিমানে চড়া যায়, সেলফি তোলা যায়, এলাকায় তোলা তোলা যায়। কিন্তু সাংসদ হয়ে ওঠা! মহুয়াকে দেখে ওঁরা অন্তত বুঝুন, দিল্লি বহু দূর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
আর বিলম্ব কাম্য নয়। অন্যান্য রাজ্যের নামও পরিবর্তন হয়েছে। তখন তো সংবিধান সংশোধন করতে হয়নি। তাহলে, হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সংবিধান বদলের প্রসঙ্গ আসছে কেন? যদি করতেও হয়, তাহলে সংসদের এই অধিবেশনেই করা হোক। অহেতুক এই চিঠি চাচাচালি না করে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যা মেটান।লিখেছেন উত্তম জানা।
দলীয় নেতামন্ত্রী থেকে সিনেমার তারকা, শিল্পী থেকে শিল্পপতি, কারও কাছেই তিনি ‘দাদা’ ছিলেন না। হয়ে ওঠার চেষ্টাও করেননি। তাঁকে উন্নাসিক বা দাম্ভিক মনে করতেই পারেন। লোকদেখানো নৈকট্য নয়, তিনি যেমন, তিনি তেমনই। গ্রামে না গিয়েও বুঝতেন গ্রামের মানুষের নাড়ির স্পন্দন। জানতেন, একজন প্রশাসকের কাজ কী। ‘জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, বিরাট ব্যক্তিত্ব।’ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
এতদিন সংবাদ প্রতিদিনকে প্রায় তৃণমূলের মুখপত্রই মনে হত। কিন্তু এবারের লোকসভা নির্বাচনে অনেকটাই নিরপেক্ষতা নিয়ে চলেছিল এই কাগজটি। মুখ্যমন্ত্রীর ধারণা, এই কাগজটি ক্রমশ বিজেপির দখলে চলে যাচ্ছে। কাগজটির প্রতি ক্রমশ মোহভঙ্গ ঘটছে মুখ্যমন্ত্রীর। তাই কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন।
ফ্রন্টফুটে গিয়েও পরে ব্যাকফুটে এসে কীভাবে কভার ড্রাইভ করতে হয়, কোন বলটা স্টেপ আউট করে ছক্কা হাঁকাতে হয়, তিনি জানেন। কখন কাকে বল দিতে হয়, কীভাবে ফিল্ডিং সাজাতে হয়, তাও জানেন। সবমিলিয়ে রাজ্যের নেতৃত্বেও বেমানান হবেন না। সৌরভ গাঙ্গুলির জন্মদিনে ভিন্নস্বাদের লেখা। লিখলেন দেবায়ণ কুণ্ডু।
সৌরভ গাঙ্গলিকে নিয়ে লেখা কবিতা বেহালার ছেলেটা। কবি সুবোধ সরকার। এখানে কবিতাটির অংশবিশেষ। পুরো কবিতাটি চাইলে ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে শুনতে পারেন। সেই ভিডিও লিঙ্ক দেওয়া হল। নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। তাহলেই শুনে পাবেন।
রনজি ট্রফিতে কীভাবে অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির? কার বদলে দলে এসেছিলেন? এক জমজমাট ছবির চিত্রনাট্য হতেই পারে। সৌরভের জন্মদিনে সেই রনজি ফাইনালের কথা তুলে আনলেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
সৌরভকে নিয়ে ছবি বানাতে চেয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। সরাসরি সৌরভকে প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাল্টা সৌরভ কী বলেছিলেন? তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
বোঝা গেল, সিটি পুলিশের সঙ্গে ট্যাক্সি ইউনিয়নের কোনও সমন্বয়ই নেই। রাতে কোন কোন ট্রেন ঢোকে, মোটামুটি কোনদিন কত প্যাসেঞ্জার হয়, এই জাতীয় পরিসংখ্যানও আছে বলে মনে হল না। রাত দশটা থেকে এগারোটা, কীরকম প্যাসেঞ্জার, এগারোটা থেকে বারোটা কী রকম প্যাসেঞ্জার, একটা মোটামুটি হিসেব থাকবে তো। যদি চারজন যাত্রী পিছু একটি ট্যাক্সিও ধরি, তাহলে কতগুলো ট্যাক্সি দরকার হতে পারে, তার ধারনা থাকবে না?
এই দলে ধোনি এখনও অপরিহার্য। কখন খেলা ছাড়তে হবে, তিনি জানেন। কাউকে বলতে হবে না। তিনি নিজেই টুপি খুলে রাখবেন। কিন্তু বিশ্বকাপের এই সময়টায় তাঁকে অযাচিত জ্ঞান না দিলেও চলবে। লিখেছেন অজয় কুমার।