অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল উত্তম কুমারের শুটিং দেখার। অবশেষে সুযোগ এসে গেল। তখন শুটিং চলছে অগ্নীশ্বর ছবির। সেই শুটিং শেষ করেই বাঘবন্দী খেলা। একইদিনে এমন বিপরীতধর্মী দুটো চরিত্র! শুটিং দেখার সেই অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন বিশ্বরঞ্জন দত্ত গুপ্ত।
বিশ্বকাপের পর তাঁর অবসর নিশ্চিত। তারপরই নাকি নতুন ইনিংস শুরু করবেন ধোনি। যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে। তাঁকে সামনে রেখেই ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় লড়াই করতে চায় বিজেপি। সেক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে যেতে পারেন।
এতদিন তৃণমূলের মুখপত্র ছাপা হত সংবাদ প্রতিদিনের প্রেস থেকে। কিন্তু নানা কারণে এই কাগজটির ওপর মোহভঙ্গ হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তাই জাগো বাংলার ছাপার ঠিকানা বদলে যাচ্ছে। চলে যাচ্ছে, অন্য একটি বাংলা কাগজের ছাপাখানায়।
সংসদটা হল্লাবাজদের জায়গা নয়, সংসদটা মহুয়া মৈত্রদেরই জায়গা, এটা বুঝিয়ে দিন। বাকিরা কি মহুয়া মৈত্রকে দেখে কিছু শিখবেন! সে আশা না করাই ভাল। কারণ, চাইলেই মহুয়া মৈত্র হওয়া যায় না। দিদির টিকিটে বা মোদির হাওয়ায় ভোটে জেতা যায়। ভাতা পাওয়া যায়, ফ্ল্যাট পাওয়া যায়, এমপির প্যাড ব্যবহার করা যায়, বিমানে চড়া যায়, সেলফি তোলা যায়, এলাকায় তোলা তোলা যায়। কিন্তু সাংসদ হয়ে ওঠা! মহুয়াকে দেখে ওঁরা অন্তত বুঝুন, দিল্লি বহু দূর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
আর বিলম্ব কাম্য নয়। অন্যান্য রাজ্যের নামও পরিবর্তন হয়েছে। তখন তো সংবিধান সংশোধন করতে হয়নি। তাহলে, হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সংবিধান বদলের প্রসঙ্গ আসছে কেন? যদি করতেও হয়, তাহলে সংসদের এই অধিবেশনেই করা হোক। অহেতুক এই চিঠি চাচাচালি না করে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যা মেটান।লিখেছেন উত্তম জানা।