লতার গানে কেঁদে ফেলেছিলেন নেহরু!

অ্যায় মেরে ওয়াতন কি লোগো। স্বাধীনতা দিবস আর এই গান যেন সমার্থক। কীভাবে তৈরি হল এই গান ? কোথায় প্রথম গাওয়া হয়েছিল। কাদের সামনে ? কেন কেঁদে ফেলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ? পড়ুন, জেনে নিন।

চাইলে আপনিও হতে পারেন মেয়র পদপ্রার্থী

এমন সুযোগ কিন্তু বারবার আসে না। চাইলে, আপনিও হতেই পারেন এই শহরের মেয়র পদপ্রার্থী। আপনি কাউন্সিলর নন। কখনও পাড়ার ভোটেও জেতেননি। এমনকী দাঁড়ানোর কথা ভাবেনওনি। দাঁড়াবেনই যখন, একেবারে সরাসরি মেয়র পদেই দাঁড়িয়ে যান। জিতুন, হারুন, যাই হোক। নিজেকে মেয়র পদপ্রার্থী তো বলতে পারবেন।

উত্তম নয়, পোস্টারে আগে নাম থাকত সুচিত্রার

সুচিত্রার আবদার, পোস্টারে তাঁর নাম আগে রাখতে হবে। কিন্তু এই দাবি কি মেনে নিয়েছিলেন উত্তম কুমার? বিস্তারিত জানতে পড়ুন।

তার ছিঁড়ে গেছে কবে !

উত্তম বিদায় নিয়েছেন ১৯৮০ তে। উত্তম-সুচিত্রা জুটির শেষ ছবি ১৯৭৫ এ। ১৯৬২ থেকে ১৯৮০, এই ১৮ বছরে জুটির ছবির সংখ্যা মাত্র ৬। অনেক আগেই যেন সেই তার ছিঁড়ে গেছে। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

অনীকের ছোট্ট টোটকায় তাহলে কাজ হচ্ছে

অনীক দত্তর সমালোচনায় তাহলে কিছুটা কাজ হল। অন্তত গত কয়েকদিনের বিজ্ঞাপন তো তাই বলছে। এমনকী আহারে বাংলা ও সবলা মেলার বিভিন্ন পোস্টার বা হোর্ডিংয়েও তাঁর ছবি নেই। গত সাত বছরে এগুলো কিছুটা অবাক করার মতোই ঘটনা। আর কী কী হতে পারে, লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।

রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে ভিক্টর

বাম রাজনীতিতে একটা প্রবাদ আছে, চুল–‌দাড়ি না পাকলে সম্পাদকমণ্ডলীতে আনা হয় না। ধরেই নেওয়া হয়, বয়স ষাট বছর না হলে, সম্পাদকমণ্ডলীতে আসার স্বপ্ন না দেখাই ভাল। সেখানে ৩৭ বছরের ভিক্টরকে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে আনা অবশ্যই বড় এক চ্যালেঞ্জ। কোনও সন্দেহ নেই, এবারের সম্মেলনে এটাই সেরা বার্তা।

মুখ্যমন্ত্রীর নাম যদি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হত.‌.‌.‌!‌

সত্যিই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো ঠিকই বলেন, ৩৪ বছরে তো কিছুই হয়নি। গৃহপালিত মিডিয়া তো ঠিকই বলে ৩৪ বছরে তো কিছুই হয়নি। জাস্ট একবার ভাবুন তো, ৩৪ বছরে তো কত কিছুই হয়নি।

এমন দিনে কেউ বয়কট করে?‌

শাসকদলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। তাই সহজেই এই নতুন বিল পাস হয়ে যাবে, এ নিয়েও কোনও সংশয় ছিল না। কিন্তু এমন একটি দিনে বিরোধীদের ভূমিকা কী ছিল?‌ কং এবং বাম, দুই শিবিরই মেতে রইলেন বয়কটে। কখনও লবিতে স্লোগান, কখনও নকল অধিবেশনের একঘেয়ে নাটক। আর বাকিটা হল প্রেস কর্নারে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেওয়া। যুক্তির লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে তাঁরা ফাঁকা মাঠে চিৎকার করে চললেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

বিজেপির ফাঁদে পা দেবেন না, উন্নয়নে মন দিন

বিজেপি ফাঁদ পাতছে। সেই ফাঁদেই পা দিচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। ধর্মের রাজনীতিকে উপেক্ষা করাই ছিল সেরা উপায়। তার বদলে অতিরিক্তি গুরুত্ব দিয়ে ফেলছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এতেই অক্সিজেন পেয়ে যাচ্ছে বিজেপি। ওপেন ফোরামে এমনই বিষয় তুলে ধরলেন সুগত রায়মজুমদার।।

পারিবারিক কেচ্ছা সামাল দিতে বিধানসভায় আইন বদলাতে হল!

১২২ জন কাউন্সিলর। তাও মেয়র হওয়ার লোক পাওয়া গেল না। নতুন আইন আনতে হল। এই আইন একদিন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে। অধিকাংশ পুরসভাতেই কাউন্সিলরদের বাদ দিয়ে বাইরে থেকে মেয়র বা চেয়ারম্যান বাছার প্রবণতা শুরু হবে। এই মহামারি সামাল দেওয়া যাবে তো? কত বড় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হল, বুঝতে পারছেন? লিখেছেন সরল বিশ্বাস।