উত্তরের জঙ্গলে হতাশ করল বাঘশুমারি

উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে কি সত্যিই বাঘ আছে?‌ আগেই সংশয় ছিল। সেই সংশয় আরও বাড়িয়ে দিল বাঘ গণনা। সূত্রের খবর, বক্সা, জলদাপাড়া, গরুমারা–‌কোথাও বাঘের হদিশ পাওয়া যায়নি। আপাতত ভরসা শুধু ট্র‌্যাপ ক্যামেরা।

শালবনি দিয়ে শুরু, বাকিগুলোও যাবে পেটোয়া ব্যবসায়ীদের হাতে

জেলায় জেলায় নীল সাদা রঙ করা বিশাল সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল। সরকারের উন্নয়নের অন্যতম বিজ্ঞাপন। শালবনির হাসপাতাল এর মধ্যেই চলে গেছে জিন্দালদের হাতে। বাকিগুলি কখন, কাদের হাতে যায়, তারই অপেক্ষা। লিখেছেন অজয় কুমার।

ববিদা, আপনি বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করলেন

বাকিরা হাত পেতে টাকা নিলেন। যা পেলেন, তাই নিলেন। একমাত্র হাকিমবাবু নিলেন না। বললেন, এই টাকা আমরা নিলে ছোট ছেলেরা কী নেবে? বুঝিয়ে দিলেন, মাত্র পাঁচ লাখে তাঁকে কেনা যায় না। তাঁর এই মহানুভবতা ও স্বার্থত্যাগকে বাঙালি বুঝল না। এই আকালে বাঙালির মর্যাদা তিনিই রক্ষা করলেন। তাঁকে খোলা চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

লাল সেলাম লেপচা খা

তাহলে, ছোট্ট ছোট্ট পায়ে উঠে পড়ি। কিন্তু কতদূর ? মাস্টারমশাইকে তো বলা যাবে না। একটা পবিত্র মিথ্যার আশ্রয় নিতেই হল। এই তো একটু। যেতে যেতে বক্সা পড়বে। ওখানে একটু ঘুরে দেখব, একটু জিরিয়ে নেব। কিছু খেয়ে নেব। তারপর আরেকটু উঠলেই লেপচা খা। যত এগোই, বদলে যেতে থাকে দৃশ্যপট। কোথাও ঘন জঙ্গল, কোথাও নিচে তাকালেই খাদ। কোথাও ছোট ছোট বনবস্তি। আবার একটু দূরে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় কুলকুল করে বয়ে যাওয়া নদী।

বাঙালি আর পশ্চিমে যায় না

এখন ট্যুর অপারেটরদের পাল্লায় পড়ে বাঙালি অনেক দূরে দূরে যেতে শিখেছে। কথায় কথায় কাশ্মীর, রাজস্থান, আন্দামান ছুটছে। কেউ কেউ তো ইউরোপ, আমেরিকা ট্যুর করে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু ঘরের কাছে এই প্রিয় জায়গাগুলো যেন মানচিত্রের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।
অথচ, কয়েক দশক আগেও ছবিটা এমন ছিল না। বাঙালি একটু অবসর পেলেই ছুটত শিমুলতলা, মধুপুর, গিরিডি, তোপচাঁচি, হাজারিবাগ। হাওয়া বদল বা পশ্চিমে যাওয়া বলতে এগুলোকেই বুঝত।

বিকাশবাবু যদি ভেবে দেখতেন!‌

মেয়র নির্বাচন সংক্রান্ত আইন বৈধ না অবৈধ, সেই মামলা চলুক। দ্রুত রায়ের আশাও নেই। কিন্তু মেয়র নির্বাচন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরে মামলা করলে সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল হয়ে যেত। রাজ্যপালের সইয়ের পাঁচদিন আগে পুরসভা বিজ্ঞপ্তি জারি করল কীভাবে?‌ তাহলে তো রাজ্যপালের সইয়ের কোনও মূল্যই রইল না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

হেরিটেজ করতে গিয়ে যানজট বাড়বে না তো?‌

হেরিটেজের নামে নিউটাউনে ট্রাম চালানোর ভাবনা। ব্যস্ত রাস্তায় অহেতুক ট্রাম লাইন পেতে শহরের গতি কমিয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত?‌ ট্রাম লাইন যদি পাততেই হয়, ইকো পার্কে পাতা যেতে পারে। ব্যস্ত রাস্তাকে ট্রাম মানচিত্রের বাইরেই রাখা হোক। ওপেন ফোরামে লিখলেন উত্তম জানা।

‌বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবেলা

আরও একটি কাগজ বন্ধের মুখে। এবার সেই সারিতে আনন্দবাজার গোষ্ঠীর এবেলা। নতুন বছরে আর দেখে যাবে না এই ট্যাবলয়েডটিকে। কর্মহীন হতে চলেছেন আরও একঝাঁক সংবাদকর্মী। গত দু’‌বছর ধরেই যেন দেওয়াল লিখনটা স্পষ্ট হচ্ছিল। মিডিয়া সমাচার বিভাগে বিশেষ প্রতিবেদন।

এমন সিদ্ধান্ত মেরুকরণকেই উস্কে দেয়

এতজন জয়ী কাউন্সিলর। তাঁদের কাউকে মেয়র করা গেল না। এমনকী সুব্রত মুখার্জি বা অরূপ বিশ্বাসকেও নয়। আনতে হল সেই ফিরহাদ হাকিমকে। তিনি পুরসভার কাজে দারুণ যোগ্য, এটা কারণ হিসেবে দেখানো হলেও বিশ্বাসযোগ্য নয়। আবার সেই মেরুকরণকে উস্কে দেওয়া হচ্ছে না তো?‌ পাল্টা অক্সিজেন তো সেই বিজেপিই পেল। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

একটি মিছিল ও নাগরিক উদাসীনতা

বামেদের মিছিলের ছবি দেখাতে বা ছাপতে বড়ই অনীহা। এমন একটি সাড়া জাগানো মিছিল। অথচ, মিডিয়ার কী নিদারুণ উপেক্ষা। বিরোধী হিসেবে রথকে দেখাও, কিন্তু সিঙ্গুর থেকে লং মার্চ ভুলেও দেখিও না। তিনি রেগে যেতে পারেন। আর তিনি রাগলে কী হয়, বঙ্গীয় মিডিয়াকূলের অজানা নয়। লিখেছেন বাপ্পাদিত্য সান্যাল।।