ডাউহিলে ঠাঁই হল না, অগত্যা চিমনি

দুই বন্ধু একমত হলাম, কার্শিয়াংয়ের কাছে ডাউহিলে গেলে কেমন হয়!‌ জায়গাটা দারুণ, কিন্তু থাকার জায়গার অভাব। একটা ফরেস্টের বাংলো আছে। কিন্তু বুকিংয়ের হাজার ঝামেলা। ডিএফও–‌কে ফ্যাক্স করতে হবে। তারপর কবে তার রিপ্লাই আসবে, কে জানে!‌ উত্তর ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। পাহাড়ি জনপদে ঘুরে আসার অনুভূতি। মেলে ধরলেন অভীক মজুমদার।

চেয়ারম্যানও ‘দলীয় সিদ্ধান্ত’ আউড়ে গেলেন!

তিনি পুরসভার চেয়ারম্যান। অথচ, সেই চেয়ারে বসেই বেমালুম ‘দলীয় সিদ্ধান্ত’ আউড়ে গেলেন। মালা রায় এত বছরের কাউন্সিলর, একসময়ের মেয়র পারিষদ, এখন চেয়ারম্যান। তিনিও জানেন না, ওই চেয়ারে বসে ওই ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না! কেন যে এঁদের এইসব গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়!

মুলায়ম, আর নিজেকে নেতাজি বলবেন না

আশি বছরে পা দিলেন মুলায়ম সিং যাদব। এখন সেই দাপট আর নেই। তবু এখনও অনেকে তাঁকে ‘‌নেতাজি’‌ বলেই ডাকেন। মুলায়ম, এবার অন্তত অনুগামীদের বারণ করুন। বলুন, এই দেশে নেতাজি একজনই, আমাকে নেতাজি বলে ডাকবেন না। জন্মদিনে শুভেচ্ছার পাশাপাশি এই ছোট্ট দাবিটুকুও থাকল।

১২২ জনের মধ্যে কাউকে যোগ্য মনে হল না!‌

তড়িঘড়ি এমন আইন আনতে হচ্ছে কেন?‌ ১৪১ জনের পুরসভায় এই মূহূর্তে তৃণমূলের সদস্য ১২২। এরপরেও বাইরে থেকে লোক খুঁজতে হচ্ছে কেন?‌ এই ১২২ জনের মধ্যে এমন একজনও নেই যাঁকে মেয়র করা যায়!‌ তাহলেই ভেবে দেখুন, কলকাতার মানুষ কাদের নির্বাচন করেছিলেন। ভেবে দেখুন, নিজেদের ১২২ কাউন্সিলরের প্রতি তৃণমূল নেত্রীর কতখানি অনাস্থা। লিখেছেন ধীমান সাহা।

বঙ্গীয় সাংবাদিকদের মুখেও যেন ঝামা ঘসলেন শোভন

এই সব সাংবাদিকদের দৌড় কতদূর, তা বুঝিয়ে দিলেন মেয়র মশাই। বুঝিয়ে দিলেন, তোরা যে যতই বাতেলা ঝাড়, কেউ কিস্যু জানিস না। কই, কেউ তো আগাম খবর করতে পারলেন না, আজ পদত্যাগ করছেন শোভন। কোনও কাগজেই তো এমন কোনও খবর ছিল না। এমন কোনও ইঙ্গিতও ছিল না। পদত্যাগ করার পর সবাই বাহাদুরি দেখাতে পারে। পদত্যাগ করলেন, এটা বলার মধ্যে এমন কী বাহাদুরি আছে?‌ এখন আর ওই সব অন্তর্তদন্তের কী মূল্য আছে?‌ এগুলো হল নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার অক্ষম এক চেষ্টা।

ছুটির ঠিকানা হতেই পারে বিমানবন্দর

হাতে কয়েক ঘণ্টা সময়। উঠে পড়ুন একটা এসি বাসে। চলে আসুন বিমান বন্দরে। কোনও কাজ ছাড়াই। কত দৃশ্য অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা লিখলেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।

উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে শান্তিনিকেতন বেঁচে থাকবে তো!‌

রাজ্য জুড়ে মুখশ্রীর মুখ। তাঁর অনুপ্রেরণা ছাড়া এই রাজ্যে কোনও কিছুই হয় না। নন্দন–‌ রবীন্দ্রসদন সর্বত্র এক ছবি। যেন সত্যজিৎ রায় নন, মুখ্যমন্ত্রী ই “নন্দন” এর রূপকার। রবি ঠাকুরের প্রাণকেন্দ্র “শান্তিনিকেতন” টাই এখনও ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ থেকে বেঁচে আছে। ভয় হয়, সেটাও কোনওদিন “উন্নয়ন” নামের বিষের ধোঁয়ায় ঢেকে যাবে না তো ? লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

অগ্নিশ্বর শেষ করেই বাঘবন্দী খেলা!‌

শুটিং ফ্লোরে কেমন ছিলেন মহানায়ক?‌ দূর গ্রহের তারা, নাকি খোলামেলা?‌ কৈশোরের স্মৃতি হাঁতড়ে তুলে আনলেন বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত।।

সেলফিতে লাইক মারা বন্ধ করুন

বোকা বোকা সেলফি দেখলে লাইক মারা বন্ধ করুন। ওই লাইকগুলোই তাদের আরও বোকা বানিয়ে দিচ্ছে। যদি আপনি লাইক মেরে থাকেন, তাহলে জানবেন, সেই বোকামির ভাগীদার আপনিও। লিখেছেন তৃষাণ সেনগুপ্ত।।

হারিয়ে যাচ্ছে ব্যান্ড পার্টি

কত স্মৃতি, কত আবেগ জড়িয়ে। কত বিয়েবাড়ি, কত অনুষ্ঠানে বেজে উঠত ব্যান্ড পার্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্য। ব্যান্ড পার্টির সেকাল একাল নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।