১২২ জন কাউন্সিলর। তাও মেয়র হওয়ার লোক পাওয়া গেল না। নতুন আইন আনতে হল। এই আইন একদিন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে। অধিকাংশ পুরসভাতেই কাউন্সিলরদের বাদ দিয়ে বাইরে থেকে মেয়র বা চেয়ারম্যান বাছার প্রবণতা শুরু হবে। এই মহামারি সামাল দেওয়া যাবে তো? কত বড় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হল, বুঝতে পারছেন? লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
দুই বন্ধু একমত হলাম, কার্শিয়াংয়ের কাছে ডাউহিলে গেলে কেমন হয়! জায়গাটা দারুণ, কিন্তু থাকার জায়গার অভাব। একটা ফরেস্টের বাংলো আছে। কিন্তু বুকিংয়ের হাজার ঝামেলা। ডিএফও–কে ফ্যাক্স করতে হবে। তারপর কবে তার রিপ্লাই আসবে, কে জানে! উত্তর ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও কম। পাহাড়ি জনপদে ঘুরে আসার অনুভূতি। মেলে ধরলেন অভীক মজুমদার।
তিনি পুরসভার চেয়ারম্যান। অথচ, সেই চেয়ারে বসেই বেমালুম ‘দলীয় সিদ্ধান্ত’ আউড়ে গেলেন। মালা রায় এত বছরের কাউন্সিলর, একসময়ের মেয়র পারিষদ, এখন চেয়ারম্যান। তিনিও জানেন না, ওই চেয়ারে বসে ওই ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না! কেন যে এঁদের এইসব গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়!
আশি বছরে পা দিলেন মুলায়ম সিং যাদব। এখন সেই দাপট আর নেই। তবু এখনও অনেকে তাঁকে ‘নেতাজি’ বলেই ডাকেন। মুলায়ম, এবার অন্তত অনুগামীদের বারণ করুন। বলুন, এই দেশে নেতাজি একজনই, আমাকে নেতাজি বলে ডাকবেন না। জন্মদিনে শুভেচ্ছার পাশাপাশি এই ছোট্ট দাবিটুকুও থাকল।
তড়িঘড়ি এমন আইন আনতে হচ্ছে কেন? ১৪১ জনের পুরসভায় এই মূহূর্তে তৃণমূলের সদস্য ১২২। এরপরেও বাইরে থেকে লোক খুঁজতে হচ্ছে কেন? এই ১২২ জনের মধ্যে এমন একজনও নেই যাঁকে মেয়র করা যায়! তাহলেই ভেবে দেখুন, কলকাতার মানুষ কাদের নির্বাচন করেছিলেন। ভেবে দেখুন, নিজেদের ১২২ কাউন্সিলরের প্রতি তৃণমূল নেত্রীর কতখানি অনাস্থা। লিখেছেন ধীমান সাহা।