সুগত রায়মজুমদার
ব্যারাকপুর কালিয়ানিবাস যুবভারতীর দুর্গাপুজো এ বছর ব্যারাকপুর মহকুমার অন্যতম সেরার শিরোপা পেয়েছে। পুজোর দিনগুলি ছিল আনন্দ–মধুর। পুজোর দিনগুলিতে ছিল ঠাসা কর্মসূচি। সপ্তমী থেকে একাদশী মণ্ডপে ছিল এলাকাবাসীর ব্যস্ততা। অষ্টমীত এলাকার লোকজনের অঞ্জলি দেওয়ার ভিড়। ফুচকা খাওয়ার প্রতিযোগিতা। কুইজ প্রতিযোগিতা। এ ছাড়া সারাদিন চলে খাওয়াদাওয়া।
প্রতিদিন প্রতিমা দর্শনে ছিল হাজার হাজার মানুষের ভিড়। রাতে চলত চওড়া রাস্তার ধারে রুচিসম্মত নাচগান। এ ছাড়া একাদশীতে ছিল সঙ্গীতসন্ধ্যা। উপস্থিত ছিলেন আশা–লতা কণ্ঠী মিস মৌ এবং কিশোরকণ্ঠী কুমার প্রদীপ। মিস মৌ–র শ্রুতিমধুর গান প্রবলভাবে শ্রোতাদের আকৃষ্ট করে। চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। যুবভারতী দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি সুশান্ত কবিরাজ ও সম্পাদক অঞ্জন বসু এই পুজোয় বিপদে–আপদে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁরা ভবিষ্যতের কিছু কর্মসূচিরও কথাও ঘোষণা করেন। যুবভারতীর পুজো ও সঙ্গীতসন্ধ্যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল চরম উন্মাদনা।

