ছুটির দিনে একজোড়া কাকাবাবু
ছুটির দিনে ঘরে বসেই আপনার কাকাবাবু দর্শন হয়ে যাবে। রবিবার একসঙ্গে দুটি কাকাবাবু–র ছবি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সুযোগ এনে দিচ্ছে জলসা মুভিজ। সকাল আটটায় দেখতে পাবেন মিশর রহস্য। সাড়ে দশটায় ইয়েতি অভিযান।
ছুটির দিনে ঘরে বসেই আপনার কাকাবাবু দর্শন হয়ে যাবে। রবিবার একসঙ্গে দুটি কাকাবাবু–র ছবি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সুযোগ এনে দিচ্ছে জলসা মুভিজ। সকাল আটটায় দেখতে পাবেন মিশর রহস্য। সাড়ে দশটায় ইয়েতি অভিযান।
কাউকে শ্রদ্ধা যদি করতে হয়, তবে তা যেন আন্তরিক হয়। একবার শ্রদ্ধা জানালাম, পরক্ষণেই চোখ টিপে কটাক্ষ করলাম, তাহলে শ্রদ্ধাটা মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এমন চমৎকার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, নিজেই যেন তাতে জল ঢেলে দিলেন। লিখেছেন সঞ্জয় পাত্র।।
শুধু নতুন ছবির আলোচনা নয়। পুরনো ছবিকেও ফিরে দেখা। সেই নস্টালজিয়াকেই উস্কে দিচ্ছে বেঙ্গল টাইমস। বিষয়: আমার প্রিয় ছবি। মন ছুঁ্য়ে যাওয়া এক ছবি ‘ছোটি সি বাত’। স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন সন্দীপ লায়েক।।
(কাল একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। আড়াই বছর আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল? তাই নিয়ে আড়াই বছর আগে বেঙ্গল টাইমসে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম: শুনুন ধর্মাবতার। পুরনো সেই লেখা ফের পড়ে দেখতে পারেন। )
২০ জুলাই নাকি চাঁদে পৌঁছেছিলেন নিল আমস্ট্রং। ছোট থেকে ইতিহাসে আমরা সবাই এমনটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু নন্দ ঘোষ বললেন, কভি নেহি। আমস্ট্রং মোটেই চাঁদে যাননি। এবার নন্দ ঘোষের কড়চায় একহাত নিলেন আমস্ট্রংবাবুকে।
কমেডির নামে ভাঁড়ামি। কাহিনীর কোনও মাথামুণ্ড নেই, চিত্রনাট্য একেবারেই পাতে দেওয়ার মতো নয়। ভাল ভাল অভিনেতা, কিন্তু দুর্বল চিত্রনাট্যে তাঁরাই বা কী করবেন! সবকিছুতেই সস্তা চমক দিতে চাইলে ভাল ছবি বানানো যায় না। এই সহজ সত্যিটা যদি দুই পরিচালক বুঝতেন! ‘আবার বসন্ত বিলাপ’ দেখে রিভিউ লিখেছেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।।
ভিনদেশি এক নদী। চারপাশে পাহাড়ের সারি, আর সবুজ বনানী। চারিদিক থেকে ভেসে আসছে মেঘ, ঠিক যেন তুলোর মতো। নদীর সেই মুগ্ধতার মাঝে ঘুরে ফিরে আসছেন রবি ঠাকুর। এসে যায় ছোটবেলায় পড়া সেই কবিতা। মার্কিন মুলুক থেকে সেই মুগ্ধতার কথাই বেঙ্গল টাইমসের জন্য তুলে ধরলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।।
প্রচেত বা স্মরণজিৎ, কেউই সোশাল মিডিয়ায় নেই। তাঁরা নিজেদের লেখা নিজেরা প্রচারও করেন না। নিজেদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তিও দিতে হয় না। তবু মানুষ তাঁদের বই কেনেন। সোশাল মিডিয়ার আনুকূল্য ছাড়াও সাহিত্যিক হিসেবে একটা জায়গা তৈরি করেছেন। আত্মপ্রচারসর্বস্ব সময়ে এটা সত্যিই একটা ব্যতিক্রমী ব্যাপার। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
নিঃশব্দে শেষ হতে চলল আইএফএ শিল্ড। গত কয়েক বছর ধরেই জৌলুস কমতে কমতে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কারা খেলছে, কী রেজাল্ট, কোথাও কোনও তাপ উত্তাপ নেই। আর তাপ উত্তাপ নেই বলেই মিডিয়া কভারেজও নেই। লিখেছেন সোহম সেন।।