ইতালি নেই, এবার কার জন্য রাত জাগব?‌

টাইব্রেকার কী জিনিস, তখনও জানি না। শেষ শট নিতে এলেন বাজ্জিও। সেই শট উড়ে গেল বারের ওপর দিয়ে। সব শেষ। সারা রাত বালিশে মুখ রেখে কাঁদলাম। বাবার দল চ্যাম্পিয়ন। তবু আনন্দ করতে পারছে না। বাবার অনুভূতি বোঝার মতো বয়স তখন ছিল না। আমি শুধু বুঝেছি আমার স্বপ্নভঙ্গের কথা। বিশ্বকাপকে ঘিরে নস্টালজিয়া। ফিরে দেখলেন দেবায়ণ কুণ্ডু।।

কেন বারবার বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন সৌমিত্র?‌

আনন্দ ছবিতে সৌমিত্রকেই চেয়েছিলেন ঋষীকেশ। তিনি রাজি হননি। তখন সেই রোল যায় অমিতাভের কাছে। পিঙ্ক ছবিতেও বিচারকের চরিত্রে প্রথম পছন্দ ছিলেন সৌমিত্র। কিন্তু তাঁর মনে হল, এই চরিত্রে অভিনয়ের তেমন সুযোগ নেই। এভাবেই বলিউডের হাতছানিকে বারবার উপেক্ষা করেছেন।