কী মারাত্মক কথা? একজন মুখ্যমন্ত্রী এভাবে বলতে পারেন!
একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলে বসলেন, বিরোধীদের যারা জিতবে, তাদের ধরে রাখতে পারবেন তো?
কী মারাত্মক কথা! রাজ্যে অশান্তি ও হাঙ্গামার উৎসটা কোথায়, এই মন্তব্য থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য হুশিয়ারি ছাড়া আর কী? অর্থাৎ বিরোধীদের হয়ে জেতার পরেও তিনি সেই দলের হয়ে থাকতে পারবেন না? যেভাবেই হোক, তাঁকে তৃণমূলে নাম লেখাতেই হবে।
ভাগাড়
ভাগাড়ের অধিকার কেড়ে নিলে
তোমরা শকুন যারা
ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে পরে তোমাদের
চিল আর শকুনেরা
চারিদিকে এতো খাবারের স্তূপ
তবুও ভরে না পেট ?
মৃত জন্তুর মাংস চিবিয়ে
বাড়াতে চাইছো রেট ?
এবার নতুন ফেলুদা যিশু!
আমার জলপাইগুড়ি
সেই দিন খুব দূরে নেই, নীতীশবাবু
মাত্র কয়েক মাসেই ছবিটা কেমন বদলে যাচ্ছে। নীতীশ কুমার কেমন হারিয়ে যাচ্ছেন। বিহারেই তিনি হয়ত হয়ে উঠবেন তৃতীয় শক্তি। আস্তে আস্তে বুঝবেন, বিজেপি কতটা বন্ধু। বুঝবেন, জেলে থাকা লালুও কেন এখনও এত জনপ্রিয়। লিখেছেন সুরঞ্জন ভদ্র।।
অনুব্রতদা ভালো থেকো
জাত ফিল্মমেকাররা যেমন হিট ফিল্মের ফর্মুলা জানেন, তেমনি জানেন আমাদের অনুব্রতদাও। কখনও ওপেন এয়ারে বোম মারছেন, কখনও চড়াম চড়াম ছাড়ছেন, কখনও বাজারে গুড় বাতাসা ছাড়ছেন। কখনও বা উন্নয়নকে ন্যাংটো করে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন। কখনও বা শঙ্খকে খাস্তা ডায়ালগ ঝাড়ছেন। এলেম আছে লোকটার। সারাক্ষণ দুরন্ত অ্যাকশনের ফুলঝুরি, এক একটা ডায়ালগে সিটি আর হাততালি- বক্সঅফিস জমজমাট।
অনুব্রতর জন্য অভিনব মানপত্র। লিখেছেন সন্দীপ লায়েক।
হঠাৎ শিশু কমিশনের এত সক্রিয়তা কেন?
আদালতের বাইরেও কি ‘উন্নয়ন’ দাঁড়িয়ে আছে!
তিনদিন পর ভোট, সেই সংক্রান্ত মামলার রায় কিনা দু মাস পর! এই ঢিলেমি, এই দীর্ঘসূত্রিতা আসলে কীসের ইঙ্গিত? একটা জট খুলছে, তো আরও নতুন জট তৈরি করছে আদালত। আদালত, তোমারও দূরদৃষ্টিতে টান পড়িয়াছে। কিংবা কী জানি, আদালতের সামনেও হয়ত অন্য চেহারায় ‘উন্নয়ন’ দাঁড়িয়ে আছে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
সিকিমের অচেনা ঠিকানা ছায়াতল
পশ্চিম সিকিমের ছোট্ট একটা গ্রামে…… নাম “ছায়াতাল”। শ্রীজুংগার মুর্তির পাদদেশে একটি লেককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটা আদি জনপদ। লেকের নাম অনুসারেই এই জায়গার নাম। লিখেছেন সৌরভ নায়েক।।
