বর্ষায় আসুন মুকুট মণিপুর

শীতে তো অনেকেই বেড়াতে যায়। আপনি বর্ষাতেই বেরিয়ে পড়ুন। কোথায় যাবেন ? কাছেই মুকুট মণিপুর থেকে ঘুরে আসতে পারেন। হদিশ দিলেন তোর্সা চ্যাটার্জি।।

চাঁদে মানুষ! অনেক প্রশ্ন ভাবিয়ে তোলে

প্রায় পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেল। আর কেউ চাঁদে যেতে পারলেন না ? নিল আমস্ট্রংরা কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিলেন? নাকি বানানো এক গল্প? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে অন্য এক ব্যাখ্যা তুলে আনলেন শুভেন্দু মণ্ডল।।

শরৎবাবুর লেখা টিভি সিরিয়ালের উন্নত সংস্করণ

যদি নিজের জীবনের কথাই বলার ছিল, তাহলে শ্রীকান্তকে টেনে টেনে বড় না করে আত্মজীবনীই লিখতে পারতেন। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে কবে কী কেলোর কীর্তি ঘটিয়েছেন, তা সরাসরি বললেই পারতেন। তাতে কিছু লোক হয়তো ছিঃ ছিঃ করত, কিন্তু লেখাটা অনেক ভালো হত। বাঙালি পাঠকের হজম হবে কি হবে না এই ভেবে সাহিত্যের বারোটা বাজালেন। নন্দ ঘোষের কড়চা এবার শরৎচন্দ্রকে নিয়ে।

খরচ কমাতে গেলে ছবি ছাপা কমাতে হবে

সরকারি প্রকল্প গৌণ, তাঁর ছবিটাই মুখ্য। টিভিতে, রেডিওতেও তাঁর ছবি ও প্রচারের বিরাম নেই। আর রাস্তার হোর্ডিং তো মারাত্মক চেহারা নিয়েছে। প্রকল্পের খরচ যত, প্রচারের খরচ তার থেকে ঢের বেশি। আর সরকারি প্রকল্পের প্রচার মানে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁর ছবি।ব্যয়সংকোচ নিয়ে এত কথা হচ্ছে। এই ছবি ছাপার রোগটা কমানো যাবে ? লিখেছেন ধীমান সাহা।

মন্দারমণিতে অহেতুক হয়রানি

জলে নামলেই পুলিশের বাঁশি। এমনকী বিচে হাঁটলেও। অথচ, যেসব দিকে নজর দেওয়া দরকার, সেদিকে কোনও নজরদারি নেই। বদলে যাওয়া মন্দারমণিতে নিশ্চিন্তে একটু হাঁটারও উপায় নেই। লিখেছেন সুনন্দ সেনচৌধুরি।

শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস- সবাই হিন্দুধর্ম বিরোধী

শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস এঁরা যা করেছেন, যা লিখেছেন সেটা ঠিক না সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ঠিক? অবশ্যই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ঠিক। কারণ তিনি বিজেপি নেতা। তিনি ভুল বলতেই পারেন না। শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস এঁরা সবাই হিন্দুধর্ম বিরোধী।লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।

হোয়াটসঅ্যাপের টুকলি!‌ বোঝা কিছুটা সহজ হল

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ টুকলিতে ছেয়ে গেছে হোয়াটসঅ্যাপ। সকাল থেকে আপনার মোবাইলে টুং টাং। ঢুকেই চলেছে মেসেজ। জাতির উদ্দেশে কতই না বার্তা। আপনি হয়ত ভাবছেন, আপনার বন্ধু আপনাকেই মেসেজটি পাঠিয়েছে। অথচ,...