দেশে ও বিদেশে এভাবেই উঠে আসছে নানা শক্তি। আমরা যাদের বেড়ে ওঠার খবরও রাখি না। এবারের বিশ্বকাপ প্রদীপের তলায় জমে থাকা সেই অন্ধকারে কিছুটা আলো দেখাল। এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে বিশ্বায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে দিল।
অজয় নন্দী আগের বছর টি ২০ ঘরানায় তিনখানা সেঞ্চুরি করেছেন সঞ্জু স্যামসন। এই কৃতিত্ব আর কোনও ব্যাটসম্যানের নেই। কিন্তু তারপরেও দিনের পর দিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছে। যত না ফর্মের...
খেলার বইয়ের নাকি পাঠক নেই। এমন একটা আক্ষেপ মাঝে মাঝেই শোনা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে ছবিটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এখন বইমেলা এলেই ঝাঁকে ঝাঁকে খেলার বই। কোনওটা হয়তো জীবনীনির্ভর।...
উপন্যাসের অচেনা পিচ। স্বভাবতই, শুরুর দিকে একটু ধরে খেলা। তারপর উইকেটে সেট হয়ে যাওয়ার পর হাত খোলা। এই ছকেই এগিয়েছেন। ফলে, ব্যাটে–বলে টাইমিংটা ঠিকঠাক ছন্দ মেনেই এগিয়েছে। বাংলার ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, কোথায় খামতি, সেগুলোও সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। অন্ধকার সরণিতে তিনি যে বেরিয়েছেন মশাল হাতে। ফলে, ভাই–বোনের গল্প হয়ে উঠেছে বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র। ক্যানভাসটা নিজের পরিসর ছাড়িয়ে গেছে নিজের অজান্তেই।
যাঁর জীবনে যত বেশি বিতর্ক, তিনি নাকি তত ‘বর্ণময়’ চরিত্র। সেদিক থেকে সুধীর একেবারেই ‘বর্ণময়’ নন। তিনি বরাবরই পরিশ্রম করা, শৃঙ্খলা মেনে চলা এক ফুটবলার। যিনি কাউকে ছোট করে নিজেকে বড় করার চেষ্টা করেন না। প্রাণ খুলে অন্যের তারিফ করতে জানেন।
মাঠে বিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাব না, পাক বোর্ডের কর্তা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের মাথায় আছেন বলে তাঁর হাত থেকে এশিয়া কাপ নেব না, এগুলোও খুব সুস্থতার লক্ষণ নয়। এতে তিক্ততা আরও বাড়ে। পাশাপাশি, পাকিস্তান যেভাবে বয়কটের ডাক দিয়েছিল, এটাও কাম্য নয়। মাঠের বাইরের তিক্ততা যেন মাঠের পরিবেশকে বিষিয়ে না তোলে, এটা দেখার দায়িত্ব দু’পক্ষেরই। খেলার মাঠে বিভাজন নয়, সম্প্রীতিই কাম্য।
স্মৃতি তর্পণের ক্ষেত্রেও কক্ষপথটা বড়ই চেনা ছকে বাঁধা। তিনি কতটা মহান ছিলেন, তা বোঝাতে নানা ঘটনার উল্লেখ। নিরপেক্ষ, নির্মোহ বিশ্লেষণের থেকে দেবত্ব আরোপের পাল্লা অনেক বেশি ভারী। এবড়ো খেবড়ো উঠোনেও যেন সুদৃশ্য কার্পেট বিছিয়ে দেওয়া।
স্বরূপ গোস্বামী মনে পড়ে যাচ্ছে মৃদুল দাশগুপ্তর একটি বিখ্যাত ছড়া। ফুটবল আর ক্রিকেটের তুলনা টানতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘পৃথিবীর চারভাগে/তিনভাগ জল/ক্রিকেট তুচ্ছ খেলা,/খেলা ফুটবল।’ বিশ্বকাপ ফুটবলে যখন মাসের পর মাস...
একটা সময় সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক ও নিত্য নৈমিত্তিক এক ঘটনা। কারা কতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এই তালিকা করতে বসলে বাংলার ধারে কাছেও অন্য কোনও দলকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু গত কয়েক দশকে এই ছবিটা অনেকটাই বিবর্ণ।
এরা বিজেপির লেজুড়বৃত্তি করতে করতে নিজেদের কোথান এনে দাঁড় করিয়েছেন, নিজেরাও জানেন না। যে অসভ্যতা বিজেপির অ্যাজেন্ডা, সেটাকে এঁরা বোর্ডের অ্যাজেন্ডা বানিয়ে ফেলেছেন।