‌প্রতিভার এই অপমৃত্যুর দায় তাহলে কার?‌

গত দুটি বিশ্বকাপে যাঁরা খেলেছেন, এমন তিরিশের বেশি ক্রিকেটারকে জাতীয় দলের আঙিনায় দেখা গেল না কেন?‌ আইপিএলের অর্থ ও নানা হাতছানিতে তাঁরা কি হারিয়ে গেলেন?‌ ক্রিকেট থেকে তাঁদের ফোকাসটাই কি সরে গেল?‌ বিষয়টা সত্যিই ভাবার মতো। শুধু ক্রিকেটারদের দায়ী করে লাভ হবে না। সিস্টেমেও কোথাও একটা গলদ আছে। এত এত প্রতিভাকে আগলে রাখার ক্ষেত্রে বোর্ড বা নির্বাচকদের কি কোনও দায় ছিল না?‌

গম্ভীরবাবুর ‘‌মন কী বাত’‌

আচ্ছা বলুন তো, সবসময় ক্যামেরার নজরদারিতে থাকা যায়!‌ বিরাট কোহলি চার মারছে, অমনি আমার দিকে ক্যামেরা ঘুরে যাচ্ছে। আমি হাসছি না গম্ভীর আছি, সেসব টিভি স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। হাসলে সেই হাসি আন্তরিক না মেকি, তা নিয়ে যে যা পারছে মত দিয়ে যাচ্ছে। যদি হাততালি দিই, তাহলে কবার দিলাম, আওয়াজ উঠল কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। লোকে বলে, ক্রিকেটারদের ওপর নাকি চাপ থাকে। আচ্ছা বলুন তো, সাজঘরে বসে থাকাও কি কম চাপের!‌

‌প্রমোশন না ডিমোশন— বোঝার বুদ্ধিটুকুও অরূপের নেই

অজয় নন্দী আচ্ছা, অরূপ বিশ্বাস ঠিক কোন দপ্তরের মন্ত্রী। মাঝে মাঝেই এই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে। নানা সময়ে অন্তত একশোজনকে এই প্রশ্নটা করেওছি। তৃণমূলের সমর্থকদের যেমন করেছি, তেমনই বাম বা...

সৌরভের বার্তা গম্ভীর আদৌ বুঝবেন তো!‌

অজয় নন্দী এ যেন সেই শিয়াল আর সারসের গল্প। একদিন শিয়াল তার বাড়িতে নেমন্তন্ন করল প্রতিবেশী সারসকে। একে তরল খাদ্য, তার ওপর খেতে দিল থালায়। শিয়াল খেয়ে নিলেও বেচারা সারসকে...

সাম্য এসে গেল!‌ মোটেই না

উপরতলার কিছু তথ্য ও পরিসংখ্যান দেখলে মনে হবে ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেটে অনেকটাই সাম্য রয়েছে। কিন্তু যত নীচের দিকে নামবেন, বৈষম্য যেন ততই প্রকট।

কখন থামতে হয়, বিরাটরা জানেন

টি২০ বা টেস্টে কাউকে বলার সুযোগ দেননি। নিজেই সঠিক সময়ে অবসর নিয়েছেন। একদিনের ক্রিকেটেও বলতে হবে না। গ্রেটরা জানেন, কখন থামতে হয়। এখনও তিনি বেশ ছন্দে আছেন, সিডনিতে অন্তত এটুকু বুঝিয়ে দিয়েছেন। কখন থামতে হবে, এটা কোহলির ওপরই ছেড়ে দিন।

অন্ধকারের সেই সিডনি যেন দু’‌হাত উজাড় করে ফিরিয়ে দিল

দু’‌জনের কাছে সিডনির অনুভূতি ছিল দু’‌রকম। রোহিত অধিনায়ক হয়েও ছিলেন দলের বাইরে। আর বিরাটের কাছে সিডনি মানে বিষণ্ণ বিদায়ী ম্যাচ। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ একদিনের ম্যাচ ছিল সিডনিতেই। প্রথম দুই ম্যাচে হারা ভারতের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন সেই সিডনিতেই। রোহিতের ব্যাট থেকে এল দুরন্ত শতরান, আর বিরাট পেলেন লড়াকু ৭৪। দুজনেই অপরাজিত। সিডনি যেন কানায় কানায় সব ফিরিয়ে দিল।

মাথা উঁচু রেখেই বিদায় নিন দুই মহাতারকা

দেবায়ন কুণ্ডু কয়েকদিন আগেই পেরিয়ে এসেছেন টেস্টে দশ হাজার রানের মাইলস্টোন। দশ হাজার বলতে এখন যেমন আটপৌরে ব্যাপার বোঝায়, আটের দশকে মোটেই তেমন ছিল না। তখনও সেটা ছিল সম্পূর্ণ অচেনা...

অপমান করে সরাতেই বাড়তি আনন্দ পায় এই বোর্ড

টাকার দম্ভে এই বোর্ডের মাটিতে পা পড়ে না। তাঁদের হুকুমেই ক্রিকেট বিশ্ব চলবে, এমনটাই তাঁরা ভেবে নিয়েছেন। ক্রিকেটাররা সাফল্যে এনে দিচ্ছেন বলেই এই দম্ভ। অথচ, সেই ক্রিকেটারদেরই এঁরা অপমান করছেন। এই কর্তাদের নাম মুছে যাবে, কিন্তু বিরাট–‌রোহিতদের নাম ইতিহাসে থেকে যাবে।

বন্যেরা বনে সুন্দর, ফ্যানেরা ফেসবুকে

স্বরূপ গোস্বামী ধরা যাক, বিরাট কোহলি এবং চেতেশ্বর পুজারা দুজনেই সেঞ্চুরি করলেন। দু’‌জনের অভিব্যক্তি ঠিক কেমন হবে?‌ আকাশ–‌পাতাল তফাত। একজন লাফিয়ে, ব্যাট ঝাঁকিয়ে, মাথা ঝাঁকিয়ে বুঝিয়ে দেবেন তিনি বিরাট কিছু...