সাম্য এসে গেল!‌ মোটেই না

উপরতলার কিছু তথ্য ও পরিসংখ্যান দেখলে মনে হবে ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেটে অনেকটাই সাম্য রয়েছে। কিন্তু যত নীচের দিকে নামবেন, বৈষম্য যেন ততই প্রকট।

কখন থামতে হয়, বিরাটরা জানেন

টি২০ বা টেস্টে কাউকে বলার সুযোগ দেননি। নিজেই সঠিক সময়ে অবসর নিয়েছেন। একদিনের ক্রিকেটেও বলতে হবে না। গ্রেটরা জানেন, কখন থামতে হয়। এখনও তিনি বেশ ছন্দে আছেন, সিডনিতে অন্তত এটুকু বুঝিয়ে দিয়েছেন। কখন থামতে হবে, এটা কোহলির ওপরই ছেড়ে দিন।

অন্ধকারের সেই সিডনি যেন দু’‌হাত উজাড় করে ফিরিয়ে দিল

দু’‌জনের কাছে সিডনির অনুভূতি ছিল দু’‌রকম। রোহিত অধিনায়ক হয়েও ছিলেন দলের বাইরে। আর বিরাটের কাছে সিডনি মানে বিষণ্ণ বিদায়ী ম্যাচ। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ একদিনের ম্যাচ ছিল সিডনিতেই। প্রথম দুই ম্যাচে হারা ভারতের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন সেই সিডনিতেই। রোহিতের ব্যাট থেকে এল দুরন্ত শতরান, আর বিরাট পেলেন লড়াকু ৭৪। দুজনেই অপরাজিত। সিডনি যেন কানায় কানায় সব ফিরিয়ে দিল।

মাথা উঁচু রেখেই বিদায় নিন দুই মহাতারকা

দেবায়ন কুণ্ডু কয়েকদিন আগেই পেরিয়ে এসেছেন টেস্টে দশ হাজার রানের মাইলস্টোন। দশ হাজার বলতে এখন যেমন আটপৌরে ব্যাপার বোঝায়, আটের দশকে মোটেই তেমন ছিল না। তখনও সেটা ছিল সম্পূর্ণ অচেনা...

অপমান করে সরাতেই বাড়তি আনন্দ পায় এই বোর্ড

টাকার দম্ভে এই বোর্ডের মাটিতে পা পড়ে না। তাঁদের হুকুমেই ক্রিকেট বিশ্ব চলবে, এমনটাই তাঁরা ভেবে নিয়েছেন। ক্রিকেটাররা সাফল্যে এনে দিচ্ছেন বলেই এই দম্ভ। অথচ, সেই ক্রিকেটারদেরই এঁরা অপমান করছেন। এই কর্তাদের নাম মুছে যাবে, কিন্তু বিরাট–‌রোহিতদের নাম ইতিহাসে থেকে যাবে।

বন্যেরা বনে সুন্দর, ফ্যানেরা ফেসবুকে

স্বরূপ গোস্বামী ধরা যাক, বিরাট কোহলি এবং চেতেশ্বর পুজারা দুজনেই সেঞ্চুরি করলেন। দু’‌জনের অভিব্যক্তি ঠিক কেমন হবে?‌ আকাশ–‌পাতাল তফাত। একজন লাফিয়ে, ব্যাট ঝাঁকিয়ে, মাথা ঝাঁকিয়ে বুঝিয়ে দেবেন তিনি বিরাট কিছু...

দেশপ্রেম নয়, স্রেফ অসভ্যতা

প্রসূন গুপ্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের ক্রমশ হাসির খোরাক করে তুলছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এখন টাকার দাপট আছে, বিশ্ব ক্রিকেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ আছে। তাই নানা রকম বায়না ধরেও দিব্যি পার পেয়ে...

হিটলারকে ‘‌না’‌ বলতে হিম্মৎ লাগে

আন্তর্জাতিক আসরে ভারতের সবথেকে বেশি সাফল্য কোন খেলায়?‌ মানে, অলিম্পিকে সবথেকে বেশি সফল কোন খেলায়?‌ অবশ্যই হকি। আর সেই হকির কিংবদন্তি ধ্যানচাঁদের জন্মদিনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে ক্রীড়া দিবস হিসেবে। এর চেয়ে ভাল দিন আর কীইই বা হতে পারত!‌

আরেকটা পুজারা চাইলেই পাওয়া যাবে!‌

মুকুল নন্দী ‌একশোর বেশি টেস্ট খেললেও তিনি সে অর্থে তারকা নন। তাঁকে বাদ দিলে কোনও হইচই হয় না। তিনি কথা বললে শিরোনাম হয় না। তাঁকে বিজ্ঞাপনেও দেখা যায় না। তিনি...

সবাইকে ইনস্টাগ্রামে অবসর নিতে হচ্ছে কেন?‌

তিন মাসে বিদায় নিলেন তিন স্তম্ভ। শুরু হয়েছিল রোহিত শর্মাকে দিয়ে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই বিরাট কোহলি। এবার সাম্প্রতিকতম সংযোজন চেতেশ্বর পুজারা। তিনজনেরই বয়স হয়েছিল। অবসর নেওয়ার সময়ও হয়ে...