মীরাবাই দাঁড়িয়ে রইলেন মঞ্চে। সামনে তেরঙ্গা। চারপাশে আলো। আর দু’চোখ বেয়ে নেমে এল জল। সেই কান্না আনন্দের, কিন্তু শুধু আনন্দের নয়। নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকালে হয়তো সেখানে দেখা যায় কত দীর্ঘ একটা পথ। কতবার শরীরকে হার মানাতে হয়েছে, কতবার মনকে বোঝাতে হয়েছে—আরও একবার, আরেকটু। মীরাবাই নিজেই বলেছেন, জাতীয় সঙ্গীত বাজতেই গত কয়েক বছরের সব লড়াই, সব যন্ত্রণা, সব ত্যাগ একসঙ্গে মনে পড়ে গিয়েছিল।
প্রশ্নগুলো সহজ হলেও অনুচ্চারিতই থেকে যায়। কারণ, প্রশ্ন করলেই জুটে যেত দেশদ্রোহীর তকমা। বুঝিয়ে দেওয়া হত, শাসকের উত্তর দেওয়ার কোনও দায় নেই। বরং সে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। পাল্টা তকমা লাগিয়ে দেয়।
কথায় আছে, স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়, পরোধর্ম ভয়াবহ। লিওনেল স্কালোনি যদি এই সার কথাটা বুঝতেন! আর্জেন্টিনার কাছ থেকে শিল্পই দেখতে চাই, গুন্ডামি নয়। তাই এই আর্জেন্টিনা ট্রফি না পাওয়ায় সত্যিই কোনও দুঃখ নেই।
উনিশ বছর পর তিনি বাংলায়। আবেগ ছিল। চাপা কান্না ছিল। নির্বাসিত থাকার যন্ত্রণা ছিল। উদ্বেগ ছিল। কলকাতা তাঁর সেই পবিত্র অনুভূতির শরিক হয়েছে। মুক্তচিন্তার মানুষেরা মুক্তকণ্ঠে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু যেটা বলে গেলেন, ঠিকঠাক মানে বুঝলে সরকারপক্ষের খুব একটা উল্লসিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তাঁরা যে মর্মার্থ বুঝবেন, তাঁদের চেতনার ওপর এতখানি আস্থা রাখা কঠিন।
কেউ তো আপনার কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই অযাচিত ‘ক্ষমা করে’ মহান হওয়ার দরকার নেই। বরং, নিজের ভাষণ মন দিয়ে শুনুন। কথায় কথায় পণ্ডিত হেররু ও অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের কী ভাষায় আক্রমণ করেছেন, নিজেই শুনুন। তারপর মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিন।
বেঙ্গল টাইমসের ই–ম্যাগাজিন। সামনেই কিশোর কুমারের জন্মদিন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েই এবারের ই–ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে এই ‘অমর শিল্পী’কে একটু খুঁজে দেখার চেষ্টা।
কয়েক মাস আগে মেসিকে আনতে গিয়ে যে বিপত্তি হয়েছিল, এবার যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়। সেবার মেসিকে ঘিরে অতিরিক্ত আদিখ্যেতায় মাঝপথেই অনুষ্ঠান পণ্ড হয়েছিল। কলকাতার মুখ পুড়েছিল। এবার যেন উদ্যোক্তারা বাড়তি সতর্ক থাকেন। আর টিকিটের মূল্য যেন আকাশছোঁয়া না হয়। হাজারের মধ্যেই যেন বাঙালি ব্রাজিলের খেলা দেখার সুযোগ পায়, সেটুকুও দেখা উচিত। আবেগের এই মুহূর্ত যেন ব্যবসায়িক ইভেন্টে না বদলে যায়।
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।। কোন ছবির...
সজল পাত্র বেড়ানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আগে কোথাও যেতে হলে আগাম তথ্য পাওয়া বেশ কঠিনই ছিল। কীভাবে যেতে হয়, কোথায় থাকবেন, এসব জানতে ভ্রমণের বইয়ের সন্ধান করতে হত।...
শুশুনিয়ায় জল ভরে এক্তেশ্বরের মন্দিরে ঢালতে যাওয়ার কথা। শুশুনিয়া থেকে ফেরার পথে একসঙ্গে জনা দশেক বন্ধু। তখন ভোলেবাবা মানে, অনেক নিষিদ্ধ কৌতূহলের হাতছানি। অনেকের সিগারেট খাওয়ার হাতেখড়ি হয় এই ভোলেবাবাতেই। সেবার কয়েকজনের ইচ্ছে হল, একটু গঞ্জিকা (গাঁজা) সেবনের। গন্ধেশ্বরীর পাড়ে এসে কয়েকজন বসে পড়লাম। এক বন্ধুর অভ্যেস ছিল। সে দিব্যি টান মেরে গেল।