এই উপেক্ষা কি আশাজির প্রাপ্য ছিল!‌

আশাজি পাশে বসে ছিলেন। এই কীর্তিমানদের কোনও ভ্রুক্ষেপই ছিল না। এঁরা আপন আপন খেয়ালে মোবাইল–‌চর্চা করেই চলেছেন। স্বয়ং আশাজির মনের অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করুন। হয়ত মনে মনে ভাবছিলেন, এ কোন অর্বাচীনদের সঙ্গে এলাম। আমি পাশে বসে আছি, অথচ এরা মোবাইল ঘেঁটেই চলেছে!‌

আশাজি যেন মহাভারতের কর্ণ

আশাজিকে সবসময় মহাভারতের কর্ণের মতো মনে হয়। ভাল ভাল গানগুলো কিন্তু আশাজিকে দেওয়া হয়নি। ওই গানগুলো গাওয়া যে কত কঠিন, নিজে গান গাই বলেই কিছুটা বুঝতে পারি। ওইসব গানে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা একমাত্র আশাজির পক্ষেই সম্ভব ছিল। অন্য কেউ গাইলে গানগুলো কোথায় হারিয়ে যেত! কেউ জানতেও পারত না।

‘‌প্রাক্তন’‌ হওয়াইভবিতব্য ছিলনীতীশ কুমারের

এতবড় আকারে জয় আসবে, ভাজপা নেতারাও ভাবেননি। সেই অবস্থায় নীতীশ কুমারকে সরিয়ে দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হত। তাই সময় নিয়ে তাঁকে সম্মানজনক পুনর্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। আপাতত তাঁর ঠিকানা রাজ্যসভা। হয়তো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও আনা হতে পারে। যদিও নীতীশবাবু কতখানি কর্মক্ষম, তা নিয়ে সংশয় আছেন। জীবনের এই পর্যায়ে এসে এই পুনর্বাসন মেনে নেওয়া ছাড়া নীতীশবাবুর সামনেও আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না।

যেমন মোদি, তেমন তাঁর গ্যারান্টি‌

কথায় কথায় তিনি বলেন, ‘‌ইয়ে মোদি সরকার কী গ্যারান্টি হ্যায়।’‌ এই বাক্যটা শুনলেই কেমন যেন লাগে। নিজের মুখে নিজেই বলছেন ‘‌মোদি সরকার’‌। এনডিএ সরকার নয়, বিজেপি সরকার নয়, একেবারে ‘‌মোদি সরকার’‌। এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রীকে এমন নির্লজ্জভাবে নিজের নামে প্রচার করতে শোনা যায়নি।

দেওয়াল লেখা ও একটি মজার কাহিনি

তখন সত্যিই এত কিছু বুঝতাম না। কত দেওয়ালে এমন প্রতীক এঁকেছি। সেই হেড স্যার আজ আর বেঁচে নেই। সত্যিই, তখন পরিবেশটাই অন্যরকম ছিল। ছাত্র তাঁর রঙ করা দেওয়ালে অন্য দলের প্রতীক আঁকছে দেখেও তিনি বাধা দেননি। বরং, মুগ্ধ হয়ে এই ছেলেমানুষি দেখেছেন। এমনকী পরেও সেই প্রতীক মুছে ফেলেননি। সেই মানুষগুলোই আর হারিয়ে গেছেন। তাই সেই সহিষ্ণুতাও আর খুঁজে পাই না। সেদিনের রাজনীতি আর এদিনের রাজনীতি— ফারাক অনেকটাই।

ডিম রবে নিষ্ফলের, হতাশের দলে

অথচ সেও তো আরও পাঁচজনের মত নতুন জীবন পেতে পারত। এই পৃথিবীর রূপ রস গন্ধ অনুভব করতে পারত। বাঁচার অধিকার তো তারও আছে। আমরা যেন ধরেই নিয়েছি আমাদের রসনা তৃপ্ত করাতেই যেন ডিমের জীবনের একমাত্র সার্থকতা। অথচ আমরা যখন অম্লান বদনে ডিম খাই, তখন কি একবারও ভাবি কত মুরগির কোল খালি হয়ে গেল। প্লেটের ওপর সাজানো ডিমটাই হয়তো একটা ছোট্ট ফুটফুটে বাচ্চা হতে পারত। মায়ের সঙ্গে ঘুরঘুর করতে পারত। ভোরবেলায় ‘কোঁকর কোঁক’ করে অন্যদের ঘুম ভাঙাতে পারত। ডিমের এই নিঃসার্থ আত্মত্যাগের ইতিহাস কি মানব জাতি মনে রাখবে? নাকি ‘ডিম রবে চিরকাল হতাশের নিস্ফলের দলে?’

রাহুল জোট করতে যাবেন কেন?‌

বাংলায় দুজন বিধায়ক পাওয়ার থেকে লোকসভায় দুজন সাংসদ পাওয়া, সর্বোপরি তৃণমূলের সমর্থন পাওয়া যে অনেক বেশি জরুরি, এটা রাহুল বোঝেন। তাই খামোখা তিনি জোট করতে যাবেনই বা কেন?‌

কেউ কারও ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তোলে না

বিধানসভা বা লোকসভাকে বলা হয় আইনসভা। অর্থাৎ, সেখানে আইন তৈরি হয়। যাঁরা আইন তৈরি করছেন, যাঁরা সংবিধান সংশোধন করছেন, তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাটুকু থাকবে না?‌ কোন আইন তৈরি হচ্ছে, কোন আইনের পরিবর্তন হচ্ছে, এটুকু বোঝার মতো বিদ্যেটুকুও যদি না থাকে, এমন মানুষদের আইনসভায় পাঠানো কি খুব জরুরি?‌

আইপিএল যতটা তরুণদের, ততটাই তারকাদেরও

দর্শকরা মেতে আছেন এখনও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বা এম এস ধোনিদের নিয়েই। এখনও তাঁদের নাম লেখা জার্সির যা কদর, কোনও তরুণকে ঘিরে তো সেই উন্মাদনা দেখা যায় না। এখনও মহাতারকা বলতে সেই বিরাট, ধোনিদেরই বোঝায়। জনপ্রিয়তার নিরিখে ধোনি বা বিরাটের একশো মাইলের মধ্যেও কি কেউ আছেন?‌

কেকেআই কখনই আমার দল নয়

বাংলাকে এত ভালবাসি, কলকাতাকে এত ভালবাসি। তাহলে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলে সেই আনন্দ হয় না কেন?‌ কলকাতা হারলেই বা দুঃখ হয় না কেন?‌ আসলে, কলকাতার এই দলটাকে ঘিরে কখনই সেই একাত্মতা তৈরি হয়নি। আমার মতো অনেকেই দেখেছি কেকেআর সম্পর্কে নিষ্পৃহ, উদাসীন। কেন আমাদের মধ্যে এই উদাসীনতা তৈরি হল, নাইট ম্যানেজমেন্ট ভেবে দেখুন।