‌কাগজ পড়তে সময় নয়, যোগ্যতা লাগে

এই অসহিষ্ণুতা আসে লাগাতার মোবাইল ঘাঁটা থেকেই। এই অসহিষ্ণুতা আসে পড়া থেকে বহুদূরে সরে গেলেই। তাই যাঁরা বলেন, কাগজ পড়ার সময় নেই, তাঁদের প্রতি কিছুটা করুণাই হয়। তাঁরা যে কোথায় তলিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা নিজেরাও জানেন না। খুব ইচ্ছে করে তাঁদের বলি, ও হে মশাই, কাগজ পড়তে সময় লাগে না, যোগ্যতা লাগে, যা আপনার নেই। ‌

বাতিল লেখা থেকেই ছবি বানালেন তরুণ মজুমদার

তাঁর কাহিনী নিয়ে একের পর এক ছবি তৈরি হয়েছে। মুম্বইয়ে নিজেও লিখেছেন একের পর এক চিত্রনাট্য। সেগুলো থেকে সেই সময়ের হিট হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছে। কিন্তু নিজের ১৬ বছর বয়সে লেখা গল্প নিয়ে ছবি হতে পারে, কখনই ভাবেননি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।

মশাই, কদিন হাসপাতালে বা শ্মশানে গিয়েছেন?‌

রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।

এবার আর কারও দম বন্ধ হচ্ছে না তো!‌

বিজেপির বড় চমক অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন, তা তো জানাই ছিল। কিন্তু পাশাপাশি ভবানীপুরেও তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বড়সড় ঝুঁকিই নিয়েছে বিজেপি। কোনও সন্দেহ নেই, শুভেন্দু নিজেও যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আগেরবার মমতা ব্যানার্জির নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে যতটা সাহসিকতার পরিচায় দিয়েছিলেন, শুভেন্দুর এই ভূমিকা আরও বেশি দুঃসাহসী।

গম্ভীর নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন

জনতা যদি ধোনির কৃতিত্বকে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই চায়, এত গোঁসা করার তো কিছু নেই। মুখে বলছেন, তারকা প্রথায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু তারকাদের ছেঁটে ফেলে নিজেই তো তারকা হতে চাইছেন।

কপিল–‌ধোনিদের কথা তাহলে মনে পড়ল!‌

২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে আমেদাবাগে এই দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে দেখা যায়নি। শোনা যায়, বোর্ডকর্তারা নাকি তাঁদের আমন্ত্রণই জানাননি। অন্তত কপিলদেবকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তা তো তিনি নিজেই প্রকাশ্যে বলেছেন। এবার বোর্ডের বোধোদয় হয়েছে দেখে ভাল লাগল।

চমক নেই, এটাই বড় চমক

এবারের প্রার্থী তালিকায় সেই অর্বাচীনদের ভিড় অনেকটাই কম। এটা অবশ্যই ভাল দিক। তাৎক্ষণিক দলবদলুদের ভিড় কম। এটাও একটা ভাল দিক। সত্যি কথা বলতে গেলে, তৃণমূলের পক্ষে এর থেকে ভাল প্রার্থী তালিকা আর কীই বা হতে পারত!‌

শুধু সাহিত্য নয়, এগিয়ে দিয়েছেন বাংলা সিনেমাকেও

শঙ্কর বললেই সবার আগে মনে পড়ে ‘‌চৌরঙ্গী’‌র কথা। বইটির বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। কতগুলি সংস্করণ হয়েছে, তা চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতোই। এখানেও সেই প্রশ্ন অনিবার্য, এটি যদি সিনেমা না হত, স্যাটা বোসের চরিত্র উত্তম কুমার যদি এমন প্রাণবন্ত অভিনয় না করতেন, তাহলে কি উপন্যাসটি এত জনপ্রিয় হত?‌

বাবা–‌মা বই না পড়লে ছেলেও পড়বে না ‌

বাবা–‌মায়েরা অনেক সময় অভিযোগ করেন, ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত। পড়তে চায় না। খেতে খেতেও মোবাইল দেখে। একটু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, এই প্রজন্ম এই শিক্ষাটা কিন্তু বাড়ি থেকেই পেয়েছে। ছেলে যদি দেখে তার বাবা–‌মা সারাক্ষণ মোবাইল হাতে ব্যস্ত, তার মধ্যেও সেই প্রবণতাই তৈরি হবে।

টি২০ বিশ্বকাপ:‌ ক্রিকেট বিশ্বায়নের পথে একধাপ

দেশে ও বিদেশে এভাবেই উঠে আসছে নানা শক্তি। আমরা যাদের বেড়ে ওঠার খবরও রাখি না। এবারের বিশ্বকাপ প্রদীপের তলায় জমে থাকা সেই অন্ধকারে কিছুটা আলো দেখাল। এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে বিশ্বায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে দিল।