হারিয়ে গেল হলুদ ট্যাক্সি, হারিয়ে গেলেন সর্দারজিরাও
অশ্বডিম্ব প্রসব করবে এসআইআর, গোবধের উল্লাস করবে অবোধ বঙ্গ–বিজেপি
যতই এসআইআর হোক, দিনের শেষে তা পর্বতের মূষিক প্রসবই হবে। ঠিক সিবিআই তদন্তের যে হাল হয়েছে, এসআইআরেও তাই হবে। কিছু মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়বে, এতেই বঙ্গ বিজেপি উল্লাস দেখাবে। অবোধের গো বধেই আনন্দ।
সিনেমার আনন্দযজ্ঞে সবার নিমন্ত্রণ
পলাশ দেখতে নয়, শীতের সময় আসুন
দোহাই, পলাশ পলাশ করে নেচে উঠবেন না। মার্চ এপ্রিল মোটেই এই রুক্ষ মাটির দেশে আসার সময় নয়। আসতে হলে শীতে আসুন। তবেই এই দুই রত্নগর্ভা জেলাকে চিনতে পারবেন।
নিবিঢ় অরণ্যের হাতছানি সুতানে
ওইরকম গভীর জঙ্গলের মাঝখানে এইরকম খাবার! আহা! মনে পড়লে এখনও জিভে জল আসে। সকলে ডায়েটিং ভুলে গেল। বাড়িতে যা খায় তার চেয়ে কিছুটা বেশি পরিমানেই খেয়ে ফেলল। শীতের বেলা। খাওয়া শেষ হল, যখন তখন সূর্য পাটে বসেছে।
কখন থামতে হয়, বিরাটরা জানেন
টি২০ বা টেস্টে কাউকে বলার সুযোগ দেননি। নিজেই সঠিক সময়ে অবসর নিয়েছেন। একদিনের ক্রিকেটেও বলতে হবে না। গ্রেটরা জানেন, কখন থামতে হয়। এখনও তিনি বেশ ছন্দে আছেন, সিডনিতে অন্তত এটুকু বুঝিয়ে দিয়েছেন। কখন থামতে হবে, এটা কোহলির ওপরই ছেড়ে দিন।
অন্ধকারের সেই সিডনি যেন দু’হাত উজাড় করে ফিরিয়ে দিল
দু’জনের কাছে সিডনির অনুভূতি ছিল দু’রকম। রোহিত অধিনায়ক হয়েও ছিলেন দলের বাইরে। আর বিরাটের কাছে সিডনি মানে বিষণ্ণ বিদায়ী ম্যাচ। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ একদিনের ম্যাচ ছিল সিডনিতেই। প্রথম দুই ম্যাচে হারা ভারতের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন সেই সিডনিতেই। রোহিতের ব্যাট থেকে এল দুরন্ত শতরান, আর বিরাট পেলেন লড়াকু ৭৪। দুজনেই অপরাজিত। সিডনি যেন কানায় কানায় সব ফিরিয়ে দিল।
গণ আন্দোলন তো পরের কথা, আগে হাসপাতাল, শ্মশানে যেতে শিখুন
কারও জন্য হাসপাতালে গেলে, তাঁর পরিবারের লোকেরা ঠিকই জানবেন। একসময় পাড়াপড়শিও জানবেন। এর জন্য চটজলদি ছবি আপলোড করার কোনও দরকার নেই। বরং তাতে হ্যাংলামিটাই আরও বেশি করে বেআব্রু হয়।
প্রচারে পিছিয়ে, তবে পুজোর সেরা ছবি বানালেন কিন্তু অনীক দত্তই
এখানে তারকার ভিড় নেই, আইটেম সংয়ের বাহুল্য নেই, অকারণ থ্রিলার নেই। যা আছে, তা ধাঁধা। মগজাস্ত্রে শান। রহস্যের ফাঁকেই ইতিহাসের সরণি বেয়ে একটু পায়চারি। প্রতিটি দৃশ্যই যেন যত্ন নিয়ে বানানো। সবমিলিয়ে মনে দাগ কেটে যাওয়ার মতোই।
