অডিওবুকের এই রমরমা, শুরু করেছিলেন সলিলই

তাঁর জন্ম শতবর্ষে তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি কিঞ্চিত আত্ম সমালোচনাও জরুরি। সেদিন না বুঝেছিল সরকার, না বুঝেছিল ক্যাসেট কোম্পানি, না বুঝেছিল প্রকাশনা সংস্থা। শোনা যায়, সলিল চৌধুরি তখন পরম আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন, অডিও মাধ্যমে সাহিত্য কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, এখন কেউ বুঝতে পারছে না। একদিন সবাই বুঝবে। আমি যেটা করতে পারলাম না, একদিন সেই রাস্তায় সবাইকেই হাঁটতে হবে।

‌আসল অপদার্থ কে, অভিজিৎবাবু বুঝিয়েই দিলেন

ঘৃণা যদি করতেই হয়, ভুইফোঁড় ভাইপো বা তাঁর পিসিকে নয়। যে লোক দুটো সিবিআই বা ইডিকে এতখানি অপদার্থতার স্তরে নামিয়ে এনেছেন, তাঁদের করুন। ধন্যবাদ অভিজিৎবাবু, সহজ কথাটা এত সহজভাবে বলার জন্য। আপনি প্রণম্য ছিলেন, আছেন, থেকেও যাবেন।

কবিতা:‌ পিছুটান

‌পিছুটান স্বরূপ গোস্বামী নদীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকি রোজ ভিড় করে আসে অনেক স্মৃতির ঢেউ একাকী এই দীর্ঘশ্বাসের মাঝে উঁকি দিয়ে যায় কেউ কেউ। অনুকূলে বইছে অনেক কিছু আমি তো চলি...

অকারণ আতঙ্ক তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন

মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে হবে। এটা নিয়ে কি কোনও দলের কোনও দ্বিমত আছে?‌ এটা তো সব দলেরই দাবি। কোনও দলই কি দাবি করেছে যে, মৃত ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায়...

জুজু দেখানোই যেন কেন্দ্রের কাজ

বাস, মেট্রো, চায়ের দোকান। সর্বত্রই আলোচনায় উঠে আসছে এসআইআর। সবার মধ্যেই কেমন যেন একটা আতঙ্ক। অথচ, তাঁদের আতঙ্কের কোনও কারণই ছিল না। পাঁচ পুরুষ ধরে এখানকার বাসিন্দা, ২০০২ কেন, ১৯৫২...

সাম্য এসে গেল!‌ মোটেই না

উপরতলার কিছু তথ্য ও পরিসংখ্যান দেখলে মনে হবে ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেটে অনেকটাই সাম্য রয়েছে। কিন্তু যত নীচের দিকে নামবেন, বৈষম্য যেন ততই প্রকট।

‌এই আতঙ্কের আবহ কারা তৈরি করছেন?‌

সব জায়গায় ঘুরেফিরে একটাই আলোচনা, এসআইআর। চায়ের দোকান থেকে লোকাল ট্রেন, অফিসের গুলতানি থেকে ফেসবুকের দেওয়াল। কেউ বলছেন, আমার বাড়িতে বিএলও এসে ফর্ম দিয়ে গেছেন। কেউ বলছেন, ফর্ম পাইনি। কেমন...

এবার হোক জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসব

ঘটা করে হয়ে গেল চলচ্চিত্র উৎসব। এই চলচ্চিত্র উৎসহ হয়তো বইমেলার মতো এত মানুষের মিলনক্ষেত্র নয়, তবু শিক্ষিত, রুচিশীল বাঙালির কাছে এর আলাদা একটা আবেদন রয়েছে। এখন দেশ–‌বিদেশের ছবি মোবাইলেই...

এখানে গেস্টহাউস!‌ কে থাকতে আসবে!‌

স্বরূপ গোস্বামী এখানে গেস্ট হাউস?‌ কে থাকতে আসবে এই জঙ্গলে?‌ কেনই বা আসবে?‌ ছেলের দিকে ঠিক এই প্রশ্নটাই ছুঁড়ে দিয়েছিলেন প্রবীণ মাস্টারমশাই। ছেলেও নাছোড়। এখানে তিনি গেস্ট হাউস বানিয়েই ছাড়বেন।...

ভাগ্যিস হিউ এন সাং দিঘায় আসেননি!‌

বিনীতভাবে বললাম, ভোটার কার্ড রাখুন, প্যান কার্ড রাখুন। কিন্তু যেখানে যাব, সেখানে কি সঙ্গী ভাড়া করে নিয়ে যাব?‌ ধরুন যদি অফিসের কাজে আসি, তার মানে আমি দিঘায় থাকতে পারব না?‌ কে শোনে কার কথা!‌ বলা হল, থানায় যান। যা বলার সেখানে বলুন।