ওই যে, বু্দ্ধিজীবীরা চুপ করে আছেন

যেখানে যেখানে বিজেপি–‌র বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে পারত, যেখানে যেখানে কেন্দ্রের অপদার্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারত, সুকৌশলে সেগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বুদ্ধিজীবীদের দিকে। আর বামেরাও দিব্যি তালে তাল দিয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন, ফেসবুকে বুদ্ধিজীবীদের গাল পেড়ে, বা গালাগাল দেওয়া পোস্টে লাইক দিয়ে বিপ্লব আনবেন।
কোন ফাঁদে পা দিচ্ছেন, বোঝার বুদ্ধিটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন। ধন্যি জুকেরবার্গ। কী অদ্ভুত একটা জিনিস বানিয়েছেন। শুধু একটা ফেসবুক, মানুষের চিন্তা–‌চেতনাকে কতখানি নির্বোধ বানিয়ে দিতে পারে।

কিছু হলেই কৌশিক সেন নামটা উঠে আসে কেন?‌

যে কৌশিক সেন গত বারো–‌তেরো বছরে তাঁর মতো করে লড়ে চলেছেন। যে কৌশিক সেন শাসকের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেননি। যে কৌশিক সেন শাসকের দাক্ষিণ্যের পরোয়া করেননি। যে কৌশিক সেন পেশাগত এত ক্ষতিস্বীকার করেও তাঁর মতো করে প্রতিবাদ করে চলেছেন। সেই প্রতিবাদ সম্মান জানানো তো দূরে থাক, প্রতিনিয়ত ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। কিছু লোক আছেন, গালাগাল দেওয়াটাই যাঁদের কাজ। কিন্তু বাকিরা না বুঝেই তাতে সামিল হয়ে যাচ্ছেন। তখন সেই গালাগালটাই মূলস্রোত হয়ে পড়ছে।