কুণালবাবুর সহিষ্ণুতা দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়। তিনি জানেন, কোন পোস্টের পর কী গালাগাল অপেক্ষা করছে। তারপরেও তিনি সেগুলো বেশ উপভোগ করেন। যাবতীয় প্রচারের সার্চলাইট চলে যায় তাঁর দিকে। তিনি অন্তত নিজের ভূমিকায় সফল। আন্দোলন থেকে মানুষের কথাবার্তা, আলোচনা অন্য অভিমুখে নিয়ে যেতে তিনি ষোল আনা সফল।
সেই আবহেই এসে গেলেন শচীন তেন্ডুলকার। ষোল বছরের একটা ছোট্ট ছেলে। তখনও গোঁফ গজায়নি। প্রথম টেস্ট ছিল করাচিতে। সেই টেস্ট টিভিতে দেখানো হয়নি। যতদূর মনে পড়ে, পরের টেস্টও টিভিতে দেখানো হয়নি। দেখেছিলাম শেষ দুটো টেস্ট। অর্থাৎ, লাহোর আর শিয়ালকোট। ছেলেটার ব্যাটিং দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এই বাচ্চা ছেলেটা ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রামদের কী অনায়াসে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
ছোট থেকেই শুনে আসছি, টেস্ট ক্রিকেটের আসল কথা হল ধৈর্য। কিন্তু এখনকার ভারতীয় দলকে দেখে মনে হয়, সবই আছে, শুধু ধৈর্যটাই নেই। আইপিএলের আবহে এমন একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তিন–চারটে বল ঠেকানোর পরেই মনে হচ্ছে, এবার একটা ছয় মারা যাক। আইপিএলের ছোট মাঠে ছয় মারা আর টেস্টে ছয় মারার মধ্যে তফাত অনেকটাই। এই সহজ সত্যিটাই অনেকে বোঝেন না।
স্বরূপ গোস্বামী কমলালেবুর গ্রাম বলতেই সবার আগে ভেসে ওঠে সিটংয়ের নাম। ঘরে ঘরে থরে থরে কমলালেবুর গাছ। ইচ্ছেমতো পেড়ে নিলেই হল। কমলালেবুর খোঁজে সিটং গিয়ে হতাশও হতে হয়েছে। কমলার সিজন...
সরল বিশ্বাস আপনাকে ২ কেজি আলু কিনতে পাঠানো হল। বলা হল, দ্রুত সেই আলু নিয়ে আসতে হবে। আপনি ফিরে এলে তবে রান্না হবে। আপনি বাজার গেলেন। গিয়েই দেখলেন, কোন কোন...
সরল বিশ্বাস আপনাকে ২ কেজি আলু কিনতে পাঠানো হল। বলা হল, দ্রুত সেই আলু নিয়ে আসতে হবে। আপনি ফিরে এলে তবে রান্না হবে। আপনি বাজার গেলেন। গিয়েই দেখলেন, কোন কোন...
আমরা সবজান্তা। আমরা আগে চায়ের দোকানে বসতাম। গুলতানি করতাম। কিন্তু এখন আর চায়ের দোকানে বসলে সেই স্টেটাস থাকে না। তাছাড়া, গরমে এতক্ষণ বসা মুশকিল। আমি এত সবজান্তা। আমার একটা প্রেস্টিজ আছে তো। আমার হাতে আছে স্মার্টফোন। আমার নামে–বেনামে খানকয়েক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। আমি সেখান থেকেই আমার বাণী প্রচার করব।
খেলার খবরের পরিসর কমে আসছে কেন? আটের দশক বা নয়ের দশকের কথাই ধরা যাক। তখন খবরের কাগজ হত মূলত আট পাতার। কিন্তু তার মধ্যে খেলার খবর থাকত দু’পাতার মতো। এবার...
নতুন একটা শব্দের আমদানি হয়েছে— ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট। এসব শব্দ আগে কখনও শুনিনি, এই গত কয়েক বছরে বেশি করে শুনছি। মোদ্দা কথা, আইপিএলে খেলো। দেশের হয়ে খেলার সময় যত রকমের বায়না। আর ঘরোয়া ক্রিকেট হলে তো কথাই নেই। সেখানে খেলার কোনও দরকারই নেই। আচ্ছা, টি২০ বিশ্বকাপের পর বিরাট–রোহিতরা দেশের হয়ে কদিন খেলেছেন? জুলাই, আগস্ট এই দুমাসে মেরেকেটে সাতদিন। তারপরেও এঁরা দলীপ ট্রফি বা ইরানি কাপে খেললেন না!
শেষ ইনিংসে জেতার জন্য ভারতের দরকার ছিল মাত্র ১৪৭ রান। হাতে ছিল তখনও আড়াই দিনেরও বেশি সময়। ভারতের যা ব্যাটিং লাইন আপ, তাতে এই রান তোলার কোনও কঠিন ব্যাপার! কিন্তু এই রান তুলতে গিয়েও কেউ ছয় মারতে গেলেন, কেউ রিভার্স সুইপ করতে গেলেন। কেউ অহেতুক খোঁচা দিলেন।