এটা ঘটনা, শরিকদের বেশ কিছু আসনে জয়ের পেছনে সিপিএমের ভূমিকাই প্রধান। সিপিএম আশি, তো শরিকরা হয়তো কুড়ি। কিন্তু সব জায়গার চিত্রটা এমন নয়। কোচবিহারে ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্তি বা চা–বলয়ে আরএসপির সাংগঠনিক শক্তি কতখানি, তা কলকাতায় বসে বোঝার কথা নয়। সাতের দশক বা আটের দশকের কথা নয়। সাম্প্রতিক অতীতেও বহুবার তার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বিনয়ী রাহুল বা অতি ভদ্র লক্ষ্মণ কীই বা বলতে পারতেন! হয়তো মনে মনে বলছিলেন, ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত।’ শোলে–তে সেলিম–জাভেদের চিত্রনাট্যে যতটা না চমক ছিল, ব্যাট হাতে তার থেকেও জমকালো চিত্রনাট্য সেদিন লিখেছিলেন লক্ষ্মণ–রাহুল। চতুর্থদিন পুরো ব্যাট করেছিলেন। সারা দিন ধরে হাজার চেষ্টা করেও এই জুটি ভাঙতে পারেনি অসি ব্রিগেড। আর শেষদিনে ‘পাঞ্জাব কা পুত্তর’ হরভজনের বাজিমাত তো ছিলই।
আমাদের ছোটবেলার প্রথম অংশটা শুধু সলিল চৌধুরির গান শুনেই কেটে গেছে। আর একটু পরিণত বয়সে এসে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম তাঁর গণসঙ্গীতে । “ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রি/এখানে থেমো না” বা “ঢেউ উঠছে কারা টুটছে” বা ‘‘এই রোকো রোকো পৃথিবীর গাড়িটা থামাও” বা “পথে এবার নামো সাথী” অথবা “হেই সামালো ধান হো/কাস্তে টা দাও শান হো/জান কবুল আর মান কবুল” তো একটু একটু করে একদিন চেতনায় মিশে গেছে।
সেদিন পুলিশ কর্তারা বলতে পেরেছিলেন, উনি আনপার বাড়িতেই লুকিয়ে আছেন, তাই আমরা গ্রেপ্তার করতে পারছি না।
এদিন পুলিশ কর্তারা এই সহজ সত্যিটা বলতে পারলেন না। তফাত শুধু এই টুকুই।
অ্যালবামের গানেও যেমন সফল। তেমনই সফল ছবির গানে। গণসঙ্গীতে যেমন ছাপ ফেলেছেন, তেমনই বলিউডি গানেও। রাগপ্রধান গানে যেমন দখল, তেমনই গ্রামগঞ্জে খুঁজে বেড়িয়েছেন লোক গানের সুর। সুরের এমন বৈচিত্র্য আর কজনের মুকুটে ছিল?
ভাবা যায়, যিনি পথের পাঁচালির দুর্গা, তিনি ভবিষ্যতে আর কোনও সিনেমাই করেননি! প্রস্তাব আসেনি, এমন নয়। দুর্গা আবার পর্দায় ফিরছেন, এমন জানলে যে কোনও পরিচালকই সাদরে বরণ করে নিতেন। হয়তো তাঁকে কেন্দ্র করেই তৈরি হত চিত্রনাট্য। ঠিক যেমন অপুর জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলির অসামান্য ছবি ‘অপুর পাঁচালি’।
দুর্গা আর অপু কোথায় যেন নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল। সিনেমাটা টি ভি তে যখন প্রথম দেখি, তখন আমার ভাইও অপুর বয়সী। কেন জানি না, নিজেকে দুর্গার মতো মনে হত। তখনকার জীবন এখনকার মত এত স্বাচ্ছন্দ্যে ভরা ছিল না। আমি আর ভাই প্রকৃতির কাছে কতবার যে ছুটে চলে গেছি নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কারের নেশায়।
সৃজন শীল শিক্ষিত বাঙালির জীবনে পুজোর এক অনিবার্য অনুষঙ্গ ছিল পুজো সংখ্যা। যে কোনও বাড়িতেই যান, একটা বা দুটো পুজো সংখ্যা চোখে পড়ত। এবং সেই বইগুলি নিছক লোককে দেখানোর জন্য...
ওই দূর থেকে ছুটে আসছে ট্রেন| কাশ বন পেরিয়ে সেই ট্রেন দেখতে ছুটছে দুজন| এই দুটো লাইনই যথেষ্ট| এই দুজন কে, বাঙালিকে আর বলে দিতে হবে না| মনের মধ্যে...
এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা। সেই কলকাতাকে আমরা কতটুকু চিনি? সেটাই এবারের ই ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কাহিনি। তবে এটা বিশেষ সংখ্যা নয়। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, পর্যটন, স্পেশ্যাল ফিচার— সবমিলিয়ে...