জয় শাহর বাবা অমিত শাহ, তাতে আপনার বাবার কী?‌

মনে রাখবেন, জয় শাহ সম্পূর্ণ নিজের কৃতিত্বে এতদূর উঠে এসেছেন। কোনও বাবা–‌জ্যাঠার হাত ধরে উঠে আসেননি। তিনি স্বনামধন্য। আপনি নিশ্চয় মনে মনে বিড়বিড় করে বলছেন, জয় শাহর বাবার নাম অমিত শাহ।শুনুন তাহলে। কান খুলে ভাল করে শুনুন। জয় শাহর বাবার নাম যদি অমিত শাহ হয়, তাতে আপনার বাবা কী?‌

৫০ বছরের পথচলায় কি ক্লান্ত ওডিআই!‌

প্রশান্ত বসু ‌একদিনের ক্রিকেট বলতে ঠিক কত ওভারের ক্রিকেটকে বোঝায়?‌ এক মুহূর্তেই সবাই বলে বসবেন, পঞ্চাশ–‌পঞ্চাশ মিলিয়ে দিনে একশো ওভার। অথচ, ভারত কিন্তু প্রথম যে একদিনের ম্যাচ খেলেছিল, সেআ ছিল...

‌ট্রেনের সেই আজব ভদ্রলোক

গৌতম রায় দূরপাল্লার ট্রেনে ওঠার পর কিছু মানুষ ট্রেনের কামরাকে নিজের বাড়ি বানিয়ে ফেলেন। ঘটনাটা একটু খুলে বলি। একবার দার্জিলিং মেলে বাড়ি ফিরছি। ওদিকের লোয়ার বার্থে এক ভদ্রলোক উঠেছেন। ট্রেনে...

কাউকে নয়, তিনি শুধু নিজেকেই বাঁচাতে চান

ধরেই নিলাম, পুলিশ এমন গোপন রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সেই গোপন রিপোর্ট বেমালুম জনসভায় বলে দিলেন। পদ ও গোপনীয়তার কী শপথ নিয়েছিলেন, মনে আছে?‌ শুধু এই অপরাধেই তাঁর কারাবাস হতে পারে। আসলে, আইন সম্পর্কে সামান্য ধারণা না থাকা লোক যদি প্রশাসনিক প্রধান হয়ে যান, এমনটাই হয়।

ফুটবলের সংসারে নিখাদ সন্ন্যাসী

স্বরূপ গোস্বামী মহম্মদ হাবিবের কি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছিল?‌ নিশ্চিতভাবেই ছিল না। টুইটার বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট?‌ এক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে বলা যায়, এগুলোর হয়ত নামই শোনেননি। ইদানীং, একটা ট্রেন্ড হয়েছে, মোটামুটি একটু...

এত বিদ্রোহ কখনও দেখেনি কেউ

এমনিতে ডার্বিতে মহিলাদের ভিড় বিরাট উল্লেখযোগ্য নয়। কিন্তু এবার সেই ছবিটাও বদলে যেতে পারে। শুধু প্রতিবাদ জানাতেই মহিলারা আসতে পারেন কাতারে কাতারে। বিভিন্ন ফ্যান ক্লাব এর মধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে মহিলাদের আরও বেশি করে মাঠে আনার। দরকার হলে নিজের টিকিট কোনও মহিলার হাতে তুলে দিতেও দ্বিধা নেই। রাত দখলের পর এবার কি মাঠ দখলের পথে প্রতিবাদী নারীশক্তি?‌ যদি সত্যিই তেমনটা হয়, শুধু বাংলার ফুটবল নয়, বিশ্ব ফুটবলে অন্য এক বার্তা রেখে যাবে এবারের ডার্বি।

যে কথা তিনি কখনই বলেননি

সজল পাত্র বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সম্পর্কে একটা কথা প্রায়ই বলা হয়, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার সময় তিনি নাকি বলেছিলেন, আমি চোরেদের মন্ত্রিসভায় থাকব না। তিনি কবে এমনটা বলেছিলেন, কাকে বলেছিলেন, কে...

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ১৬ আগস্ট সংখ্যা

❏‌ অসল বন্ধু কে, সিঙ্গুর একদিন ঠিক বুঝবে ❏‌ কমরেড, ফিরে চলুন সেই বিকেলে ❏‌ বিতাড়িত ন্যান্যোর আত্মকথা ❏‌ যে কথা বুদ্ধবাবু কখনই বলেননি ❏‌ সিবিআই দেখে উল্লসিত!‌ আমরা সত্যিই...

তিনদিনে ফাঁসি চাই! এমন অর্বাচীনরাও পুলিশমন্ত্রী হয়ে যান

সিবিআই–‌এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। গত কয়েক বছরে তাঁদের অপদার্থতা সীমাহীন। সে অন্য কারণ। অন্য এক রাজনৈতিক বোঝাপড়া। সিবিআই নিষ্ক্রিয় থাকে বলেই শিক্ষা দুর্নীতির আসল নাটের গুরু এখনও জেলের বাইরে। সেই কারণেই বালি, কয়লা থেকে শুরু করে একের পর এক সংগঠিত অপরাধের মূল পান্ডা এখনও গলা বাজিয়ে হুঙ্কার দিতে পারে।

আমাকে বুঝাই দে স্বাধীনতা কী

কৃষ্ণদুলাল চট্টোপাধ্যায় আমাকে বুঝাই দে স্বাধীনতা কী? বছর বছর আমি দিন গুনেছি লিজের গতর ছ্যাঁচে কালি করেছি তবুও প্যাটের খ্যুলা জুবাতে লারেছি আমাকে বুঝাই দে স্বাধীনতা কী? ফতাকাটা কেন তুরা...