আচ্ছা, পনেরোই আগস্ট এলেই কোন বাংলা গানটা সবার আগে মনে পড়ে? বেশি ভাবার দরকার নেই। চটপট বলে ফেলুন, ভারত আমার ভারতবর্ষ। আচ্ছা, এটা কার গান? পাড়ার মোড়ে বা রকের আড্ডায় একটু সমীক্ষা করে দেখুন তো। বিচিত্র সব উত্তর পাবেন। কেউ বলবেন দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। কেউ বলবেন অতুলপ্রসাদ বা রজনীকান্ত। তাও যদি না মেলে, তাহলে বাঙালির চিরন্তন রবি ঠাকুর তো আছেনই। এরপরেও যদি বলেন, উত্তর ঠিক হল না, তাহলে যাঁকে জিজ্ঞেস করছেন, তিনি আপনার সঙ্গে তর্কও জুড়ে দিতে পারেন।
বারবার এই দুটো নাম কেন যে উঠে আসে, বুঝি না। এই বাংলায় সরকারে দাক্ষিণ্যভোগী, নির্লজ্জ তোষামোদকারী বুদ্ধিজীবীর অভাব নেই। চাইলে, এমন পঁচিশ–তিরিশটা নাম করাই যায়। কিন্তু কেন বারবার অপর্ণা সেন আর কৌশিক সেনের নামটা ভেসে ওঠে? যাঁরা এই দু’জনের নাম টেনে আনেন, তাঁরা সচেতনভাবেই আনেন? নাকি এই দুটো নামই প্রথমে মনে পড়ে যায়!
এখন আর সিবিআই তদন্ত হচ্ছে শুনলে কেউ ভয় পায় না। বরং নিশ্চিন্তে থাকে। জানে, কিছুই হবে না। সিবিআই এর দৌড় কতদূর, পুলিশ যেমন জানে, অপরাধীরাও জানে। আমরা সত্যিই নির্বোধ। তাই এখনও সিবিআই তদন্ত হচ্ছে শুনে উল্লসিত হয়ে পড়ি।
বাঙালি জাতিটা সত্যিই বড় আত্মবিস্মৃত জাতি। সে অতীত মনে রাখে না। সে বড়ই হুজুগপ্রিয়। কে তাদের ভাল চায়, সে বুঝেও বোঝে না। কারখানা ভেঙে আবার চাষের জমি বিলিতে সে উৎসব করে। সব কাগজ, মিডিয়া ধন্য ধন্য করে। নির্লজ্জ স্তাবকতায় ছেয়ে যাচ্ছে রাজ্য। আর এই স্তাবকতা কেউ কেউ কী দারুণ উপভোগ করছেন।
সিঙ্গুর এখন আবির খেলুক। মিস্টিমুখ করুক। বিজয়োৎসব করুক। একদিন তাঁরা ঠিক বুঝতে পারবেন, কে তাঁদের আসল বন্ধু ছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে খোলা চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বিতাড়িত ন্যানোর আত্মকথা স্বরূপ গোস্বামী এটাই হয়। কাজের সময় কাজি। কাজ ফুরোলেই পাজি। একসময় আমাকে নিয়ে কত হইচই। আমাকে নিয়ে চ্যানেলে সারাক্ষণ আলোচনা। আমাকে নিয়ে কাগজের প্রথম পাতা। যেই সময়ের...
মুখ্যমন্ত্রীর নাম যদি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হত... সুশোভন পাত্র জাস্ট একবার ভাবুন। বুদ্ধবাবু মুখ্যমন্ত্রী। বুদ্ধবাবু ফি-বছরে ২লক্ষ চাকরি দেবেন বলে স্বপ্ন দেখান। সরকারী পয়সায় ‘বেঙ্গল মিন্স বিজনেস’র আসর বসান।...
আজ যেটা মমতা বুঝলেন, বুদ্ধবাবু অনেক আগেই সেটা বুঝেছিলেন ByBengal Times July 15, 2019 0 বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী আসল কথাটা বলেই ফেলেছেন, কেউ যদি চাষ না করতে...
মানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থান। কিন্তু রাষ্ট্রের কাছে তিনি এখনও ব্রাত্যজন। জীবিত অবস্থাতেও স্বীকৃতি পাননি। মৃত্যুর তিন দশক পরেও ছবিটা একইরকম। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।