মহুয়া নয়, বস্ত্রহরণ হল লোকসভার
স্পিকারের হাতে আসার আগে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট আদানির চ্যানেলের হাতে পৌঁছে যায়। জাতীয় সুরক্ষা সত্যিই বিপন্ন। আকাট মূর্খদের হাতে দেশ চালানোর ভার দিলে যা হয়, ঠিক তাই হয়েছে।
স্পিকারের হাতে আসার আগে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট আদানির চ্যানেলের হাতে পৌঁছে যায়। জাতীয় সুরক্ষা সত্যিই বিপন্ন। আকাট মূর্খদের হাতে দেশ চালানোর ভার দিলে যা হয়, ঠিক তাই হয়েছে।
এসএসকেএমের ডাক্তাররা দিনের পর দিন ইডির তদন্তে অসহযোগিতা করার দুঃসাহস পাচ্ছেন কোথা থেকে? এর জন্য ইডি কর্তারাই দায়ী। তাঁদের দৌড় কতদূর, তাঁদের মুরোদ কত, তা ডাক্তাররা বেশ ভালমতোই জানেন। মাসের পর মাস নৌটঙ্কি চালিয়ে যাচ্ছেন, তারপরও ইডি কর্তারা কার্যত কিছুই করে উঠতে পারছেন না। হ্যাঁ, এই উপেক্ষা এই তাচ্ছিল্যই ইডির প্রাপ্য।
বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–ম্যাগাজিন। অনেকটা অংশজুড়ে রয়েছে বিশ্বকাপ। রয়েছে নানা আঙ্গিক থেকে বেশ কিছু আকর্ষণীয় লেখা। সঙ্গে রাজনীতি, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ। পিডিএফ আপলোড করা আছে। দেওয়া আছে ওয়েবলিঙ্ক।
ভ্রমণ মানেই কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা রুটিনমাফিক লেখা নয়। উঠে আসুক আপনার একান্ত নিজস্ব অনুভূতির কথা। জঙ্গলে ভোরের স্নিগ্ধতা বা পাহাড়ের বুকে মেঘ ভেসে বেড়ানো। সবই থাকুক। শুধু জঙ্গলে পায়ে পায়ে হাঁটার কথাও থাকতে পারে। বা পাহাড়ি অচেনা গ্রামে কোনও এক সন্ধের গল্পও থাকতে পারে। কোনও ছোট্ট মোমোর দোকান বা কোনও দাগ কেটে যাওয়া মানুষের কথাও থাকতে পারে।
তাহলে, মোদ্দা কথাটা কী দাঁড়াল? ১) বিধানসভার অভ্যন্তরের ঘটনা। অথচ, স্পিকারকে পাত্তা না দিয়ে থানায় এফআইআর করা হল। ২) যে দশজনের নামে অভিযোগ, তার চারটি নাম একেবারেই ভুয়ো। অর্থাৎ, মিথ্যে তথ্য দিয়ে এফআইআর করা। ভাবতে অবাক লাগে, একজন বর্ষীয়াণ পরিষদীয় মন্ত্রীকে এমন মিথ্যাচারের আশ্রয় নিতে হল!
আচ্ছা, পুজোয় মানুষের কি আর কোনও কাজ থাকে না? সে হলে–হলে সিনেমা দেখে বেড়াবে! সে রাস্তায় ঘুরবে না! সে পাড়ায় আড্ডা দেবে না! সে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবে না! সে মাল্টিপ্লেক্সে ঢুকে পড়বে? পরিচালকরা বোধ হয় এমনটাই ভাবেন। তাঁরা ধরেই নেন, লোকের আর কোনও কাজকম্মো নেই। তাঁরা দয়া করে সিনেমা বানিয়েছেন। লোকে সেগুলো দেখে জীবন ধন্য করবে।
তখনও ফেসবুক ছিল না। নিজেকে জাহিরের তীব্র তাগিদও ছিল না। একে মফস্বল, তার ওপর বাংলা মাধ্যম। জন্মগত প্রতিভা নয়, ঘসে মেজে নিজেকে তৈরি করা। অশোক দাশগুপ্ত বা ধীমান দত্ত বা রূপায়ণ ভট্টাচার্যের মতো দুর্ধর্ষ লেখনি ছিল না। পার্থ রুদ্রর মতো এমন সাবলীল ইংরাজিও ছিল না। রূপক সাহা বা জয়ন্ত চক্রবর্তীদের মতো অভিজ্ঞতার সমৃদ্ধ ভাণ্ডারও ছিল না। আসলে, অরুণ সেনগুপ্ত জানতেন, তাঁর সীমাবদ্ধতা কোথায়! তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন। তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন না। এই পরিমিতি বোধটা কজনের থাকে!
ভার পড়ল অরুণ সেনগুপ্তর ওপর। সকাল হলেই প্র্যাকটিসে চলে যাওয়া। ভিড়ে মিশে যাওয়া। ফিরে এসে যা যা দেখলেন, সেগুলো বলা। সেগুলো শুনে কেউ একজন লিখে ফেললেন। আস্তে আস্তে নিজেও লিখতে শুরু করলেন। কর্তারাও অবাক। আজকালের লোক মাঠে আসছে না, অথচ, সব খবর পেয়ে যাচ্ছে কীভাবে?