ডিসেম্বরেই ভ্রমণ সংখ্যা

ভ্রমণ মানেই কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা রুটিনমাফিক লেখা নয়। উঠে আসুক আপনার একান্ত নিজস্ব অনুভূতির কথা। জঙ্গলে ভোরের স্নিগ্ধতা বা পাহাড়ের বুকে মেঘ ভেসে বেড়ানো। সবই থাকুক। শুধু জঙ্গলে পায়ে পায়ে হাঁটার কথাও থাকতে পারে। বা পাহাড়ি অচেনা গ্রামে কোনও এক সন্ধের গল্পও থাকতে পারে। কোনও ছোট্ট মোমোর দোকান বা কোনও দাগ কেটে যাওয়া মানুষের কথাও থাকতে পারে।

বিধানসভা কোন অর্বাচীনদের হাতে, ফের বেআব্রু হয়ে গেল

তাহলে, মোদ্দা কথাটা কী দাঁড়াল?‌ ১) বিধানসভার অভ্যন্তরের ঘটনা। অথচ,‌ স্পিকারকে পাত্তা না দিয়ে থানায় এফআইআর করা হল। ২)‌ যে দশজনের নামে অভিযোগ, তার চারটি নাম একেবারেই ভুয়ো। অর্থাৎ, মিথ্যে তথ্য দিয়ে এফআইআর করা। ভাবতে অবাক লাগে, একজন বর্ষীয়াণ পরিষদীয় মন্ত্রীকে এমন মিথ্যাচারের আশ্রয় নিতে হল!‌

ভাঁড়ামো ছাড়া মোহন সচিব কি আর কিছুই বোঝেন না!‌

অজয় নন্দী নিত্য নতুন বায়নায় মোহনবাগান সচিবের কোনও জুড়ি নেই। সেই বায়না কতটা হাস্যকর, সেদিকে কোনও ভ্রুক্ষেপই থাকে না। যেভাবেই হোক, খবরে থাকতে হবে। টিভিতে মুখ দেখাতে হবে। কাগজে নাম...

বাংলার পরিচালকরা কবে আর সাবালক হবেন!‌

আচ্ছা, পুজোয় মানুষের কি আর কোনও কাজ থাকে না?‌ সে হলে–‌হলে সিনেমা দেখে বেড়াবে!‌ সে রাস্তায় ঘুরবে না!‌ সে পাড়ায় আড্ডা দেবে না!‌ সে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবে না!‌ সে মাল্টিপ্লেক্সে ঢুকে পড়বে?‌ পরিচালকরা বোধ হয় এমনটাই ভাবেন। তাঁরা ধরেই নেন, লোকের আর কোনও কাজকম্মো নেই। তাঁরা দয়া করে সিনেমা বানিয়েছেন। লোকে সেগুলো দেখে জীবন ধন্য করবে।