কোচের সামনে দুটো বিকল্প ছিল। এক, যেমনভাবে, যে গরু দুধ দেয়, তার লাথি হজম করতে হয়। অর্থাৎ, রোনাল্ডোকে এগিয়ে দেওয়া। দুই, রোনাল্ডোকে একটা কড়া বার্তা দেওয়া। বুঝিয়ে দেওয়া যে, তুমি অপরিহার্য নও। আমার কাছে তোমার বিকল্প আছে।
তিনজনের তুলনা টানলে কী দাঁড়াল? প্রথম দু’জন এখনও দলের সম্পদ। কিন্তু রোনাল্ডো এখন আর ততখানি সম্পদ নন। ক্লাবে যেমন পড়তি ফর্মে চলে গিয়েছিলেন, দেশের হয়েও হয়ত তাই।
যে কোনও ডাক্তারের উচিত, ডাক্তারি পেশায় আসার আগে অগ্নীশ্বর দেখা। মেডিকেল কলেজগুলির উচিত, ছাত্রদের আগে অগ্নীশ্বর দেখানো। মহানায়কের নামে মেট্রো স্টেশন করার থেকে সেটা বেশি জরুরি। এই নিয়ে ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় ফিচার নব্বইয়ের দশক। সেই সময়ের রাজনীতি, খেলা, সিনেমা, গান, সাহিত্য, প্রেম— সবকিছুকে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। কীভাবে আলোড়ন তুলেছিল সেই সময়ের গান। স্মৃতির সরণি বেয়ে সেই কথাই তুলে আনলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।
সেই নব্বইয়ে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছিল ক্যামেরুন। এই বিশ্বকাপেও কতবার সেই উদাহরণ টেনে আনা হল, তার কোনও হিসেব নেই। অর্থাৎ, ৩২ বছর আগের সেই হার যেন আজও লজ্জার অতীত হয়ে তাড়া করছে আর্জেন্টিনাকে। এই প্রথম আফ্রিকার কোনও দেশ হারিয়ে দিল ব্রাজিলকে। এই উদাহরণ আগামী ২০ বছর পরেও ঘুরে ফিরে আসবে। সেটা ব্রাজিলের পক্ষে খুব সম্মানজনক হবে? কেন সেই পরিস্থিতি ডেকে আনতে গেলেন টিটে?
আসলে, তিনি জানেন, সিবিআই সত্যিই তাঁর কিছুই করতে পারবে না। পারলে অনেক আগেই পারত। সত্যিই যদি সিবিআই সক্রিয় হত, তাহলে দিনের পর দিন এই জাতীয় কর্মকাণ্ড চলতে পারত না। সেই বছর তিন আগে এয়ারপোর্টে কী যেন একটা ঘটেছিল। তারপর কাস্টমস সেই যে শীতঘুম দিয়েছে, এখনও সেই শীতঘুম কাটেনি।
আমরাও নিজেদের সাফল্যকে ঠিকমতো হজম করতে পারি না। আমরাও ওদের সুরে সুর মিলিয়ে ফ্লক, অঘটন এসবই বলে থাকি। একবারও ভেবে দেখি না জাপান বা কোরিয়ার ফুটবলারদের দুরন্ত লড়াইয়ের কথা। এবার বোধ হয় আমাদের সেই হীমন্যতা ঝেড়ে ফেলার সময় এসেছে। আসুন, এশিয়ার এই সাফল্যে আমরাও গর্ব করতে শিখি।
ছোট দলগুলো গ্রুপ লিগে একে–তাকে হারিয়ে দিয়ে বা আটকে দিয়ে চমক দেয়। কিন্তু লম্বা রেসে পিছিয়ে পড়ে। পরের দিকের চাপটা আর সামলাতে পারে না। বড় দলের ক্ষেত্রে আবার ছবিটা অন্যরকম। তারা প্রথম দিকে হোঁচট খায়। ধুলো ঝেড়ে ঠিক উঠে দাঁড়ায়। আবার নতুন উদ্যম নিয়ে ছুটতে থাকে। আর্জেন্টিনার সেই নতুন দৌড় হয়ত শুরু হয়ে গেল।
হ্যাঁ, শুভেন্দুর বিরুদ্ধেও নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ আছে। কিন্তু তার সবগুলোই তো তৃণমূল আমলের। তখন তৃণমূল তো কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টে বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ধরে রাখার কী মরিয়া চেষ্টা! তিনি থেকে গেলে এসব কোনও অভিযোগই তোলা হত না।
অনেক হয়েছে। আরও নির্দিষ্ট করে সময় বেঁধে দেওয়া হোক। দরকার হলে এই তদন্তকারী অফিসারদের জেলে ভরা হোক। মানিক ভট্টাচার্য বা পার্থ চ্যাটার্জিরা মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে যতখানি প্রতারণা করেছেন, এই সিবিআই কর্তারাই বা কম কী? বিচারপতির ধৈর্যের বাঁধ ভাঙাই স্বাভাবিক। কার নির্দেশে সিবিআই শীতঘুমে চলে যাচ্ছে, সেই পান্ডাদের নামও সামনে আসা খুব জরুরি।