নতুন বিভাগ:‌ মাধ্যমিকের পরে

মাধ্যমিক শেষ মানেই যেন প্রাণে খুশির তুফান। কেউ লম্বা ছুটিতে বেড়াতে যেত। কেউ এই সুযোগে নানা রকমের বই পড়ে ফেলত। কতভাবেই না কেটেছে ছুটির মুহূর্তগুলো। তাই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— মাধ্যমিকের পরে। স্মৃতির পাতা থেকে সেই মুহূর্তগুলো তুলে আনার চেষ্টা।

নীল পাঞ্জাবি কালো ধুতি

সোমা দে মেজোমামার বিয়েতে তার সঙ্গে প্রথম দেখা। না ঠিক দেখা নয়। আড়চোখে পলক ফেলে ফেলে নীল পাঞ্জাবি কালো ধুতি কে একটু বুঝে নেওয়া। কালো ধুতির চল সে সময় ছিল...

‌ম্যাকলাস্কিগঞ্জের সেইবাংলোর ‘বাঘ’ ও অটো

বুদ্ধদেব গুহ জীবনটাকে দেখতে চাইতেন বড় করে। বিভিন্ন লেখায় তাঁর চরিত্রদের তিনি বলিয়েছেন, ‘জীবন হবে বড় বাঘের মতো!’ আসলে, নিজেই তো বাঁচতেন সে ভাবে।সেই রাতে চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছিল চরাচর। মহুয়ার নেশায় আমরাও তখন ভাসছি। হঠাৎ মনে হল, চল এই রাতে দেখে আসি বাড়িটাকে। কী ভাবে পৌঁছে গিয়েছিলাম ওই জঙ্গল পাহাড় ভেঙে আজও জানি না! ম্যাকলাস্কিগঞ্জ অভিযানের স্মৃতি অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখায়।

খোলা মাঠেও দিব্যি ফুল ফুটিয়েছেন

স্বরূপ গোস্বামী ভরদুপুরে হাপপ্যান্ট আর জার্সি পরে মুম্বইয়ের রাস্তায় শচীন তেন্ডুলকার হেঁটে যাচ্ছেন। বা ধরা যাক, একই পোশাকে কলকাতার রাস্তায় সৌরভ গাঙ্গুলি হেঁটে যাচ্ছেন। শুনে অবাক লাগছে?‌ আটের দশকে কিন্তু...

ও গানওলা, আরেকটা গান গাও

সুমন মানে নিছক গায়ক বা গীতিকার বা সুরকার নন। সুমন মানে বাংলা গানের এক এনসাইক্লোপিডিয়া। তিনি না থাকলে এই সব গান শোনানোর বা এইসব গান নিয়ে কথা বলার লোকও হয়ত আর থাকবে না। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।

মহানায়ক যেতেন, আপনিও চলুন তোপচাঁচি

এত ভাল লেগেছিল, জমিই কিনে ফেলেছিলেন মহানায়ক। দিগন্তজুড়ে নীল জলাশয়। ওপারেই সবুজ পাহাড়। বেশি দূরে নয়, কাছেই আছে তোপচাঁচি। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।

ছিয়াশি:‌ একটি মিথ ও একটি নিষ্পাপ মিথ্যে

বাঙালি দেখুক বা না দেখুক, ছিয়াশি সেই মিথ হয়েই আছে। অনেকেই প্রমাণ করতে চান, তখন থেকে তিনি আর্জেন্টিনা। অথচ, অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যাবে, তখন হয়ত আর্জেন্টিনার নামটাই শোনেননি। বা শুনলেও তাঁর মনে সেই আবেগটাই তৈরি হয়নি। এবারও যদি মেসিরা শুরুতেই বিদায় নিতেন, হয়ত এতখানি ছিয়াশির ঢেঁকুর উঠত না। যেই মেসিরা একের পর এক বাধা টপকে গেলেন, যেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে গেলেন, অমনি ছিয়াশির সঙ্গে তুলনা বাড়তে লাগল। শুধু মেসিতে মুগ্ধ হলে প্রেস্টিজ থাকে না। জনসমাজে কল্কে পাওয়া যাবে না। তাঁর সঙ্গে মারাদোনাকে জুড়তে হবে। তবে একটু জাতে ওঠা যাবে।

জঙ্গলের মাঝে আস্তএক বিমানবন্দর!‌

এই জয়পুরের ঘন জঙ্গলে এয়ারপোর্ট!‌ ইয়ার্কি হচ্ছে!‌ পরে আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম। কী আশ্চর্য, তারাও একই কথা বলল। ঠিক শুনছি তো!‌ মনে হল, এতটা যখন এসেছি, তখন আরেকটু যাওয়াই যায়। জঙ্গলের বুক চিরে এগিয়ে চললাম সেই এয়ারপোর্টের খোঁজে। এক বিস্ময় যেন অপেক্ষা করেছিল। জঙ্গলের মাঝে দীর্ঘ পথজুড়ে সিমেন্টের চাতাল। এটাই নাকি রানওয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জরুরিকালীন প্রয়োজনে বানানো হয়েছিল। জঙ্গলের ভেতরে থাকা সেই বিমানবন্দর খুঁজে বের করলেন অভিজিৎ দে।

পাগলি তোমার সঙ্গে

এখানে আসার আগেও একটা ‘কিন্তু কিন্তু’ ব্যাপার ছিল। কিন্তু যেই সুখিয়া পোখরি পেরোলাম, যেই গাড়ির জানালা দিয়ে মেঘ ঢুকে আসছে, তখনই মনে হল, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।পাহাড় থেকে মুগ্ধতা মাখানো চিঠি।

‌চট করে চটকপুর

যদি মিনিট দশেক হেঁটে সানরাইজ ভিউ পয়েন্টে উঠতে পারেন, তাহলে আর কথাই নেই। উত্তরের দিগন্ত জুড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা। দক্ষিণে পাইনের ঘন জঙ্গল। নিচের দিকে তাকালে খরস্রোতা নদী। সেই মুগ্ধতার মাত্রা বাড়িয়ে দেবে পাখির ডাক। প্রকৃতির এই নির্জনতায়, পাহাড়ের ওই চূড়ায় আপনি একা। এই একাকিত্ব উপভোগ করুন।