ইতিহাসের গন্ধমাখা সরবত
হয়ত কলেজ স্ট্রিটে গিয়েছেন। কিন্তু কখনও প্যারামাউন্টে ঢোকেননি। অনেককিছু থেকেই আপনি তাহলে বঞ্চিত। ইতিহাসের গন্ধমাখা ওই সরবতের দোকানে একবার ঘুরে আসুন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন।
হয়ত কলেজ স্ট্রিটে গিয়েছেন। কিন্তু কখনও প্যারামাউন্টে ঢোকেননি। অনেককিছু থেকেই আপনি তাহলে বঞ্চিত। ইতিহাসের গন্ধমাখা ওই সরবতের দোকানে একবার ঘুরে আসুন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন।
শচীন তেন্ডুলকারের ক্রিকেটজীবনে প্রাপ্তির কোনও অভাব ছিল না। ছিল না শুধু সেই বিশ্বকাপ। ২ এপ্রিলের রাত যেন সেই স্বপ্নপূরণ করে দিল। আরব সাগরের তীরের সেই ভিকট্রি ল্যাপটা একবার মনে করুন। কার কার মুখগুলো মনে পড়ছে? সেই তালিকায় যেমন হরভজন সিং, ইউসুফ পাঠান, বিরাট কোহলিরা ছিলেন, তেমনই ছিলেন শান্তাকুমারণ শ্রীশান্তও।
প্রায় কুড়ি বছর আগের কথা। বইমেলার শেষদিন। একটি ছবি ও তার অভিনব একটি ক্যাপশন। সেই মজার ঘটনার স্মৃতিচারণ করলেন সরল বিশ্বাস।।
এই গরমে পাহাড়ে ছুটে যাবেন, তার উপায় নেই। ট্রেন নাই বা চুলক। মনে মনে যেতে তো বাধা নেই। তাহলে টাইম মেশিনে চেপে ঘুরে আসুন কেভেন্টার্স থেকে। কী জানি, আপনার পাশের চেয়ারেই হয়ত কোনও এক সময় বসেছিলেন সত্যজিৎ রায় বা ঋত্বিক ঘটক।
এক কাপ সস্তার আদা–চায়ের এত ক্ষমতা? এভাবে ক্ষত–বিক্ষত করে দিতে পারে? টলোমলো পায়ে প্রবোধবাবু এগোলেন তাঁর ঘরের দিকে। অণু গল্প। জীবনের টুকরো টুকরো কিছু অনুভূতি। লিখেছেন বাসু মুখোপাধ্যায়।
সমীরবাবু না হয় নেই। আর কেউ কি কবিতায় সুর দিতে পারবেন না? ঘরেই তো আছেন এক কৃতী সুরকার। একটু না হয় তাঁকেই ধমকে চমকে সুর করান। মন থেকে বিশ্বাস করি, জয় সরকার চেষ্টা করলে পারেন। সেই গান যদি তিনি অন্য কাউকে দিয়ে গাওয়ানোর চেষ্টা করেন! কোমর বেঁধে ঝগড়া করুন। ওই গান আপনার, শুধু আপনার।
মেয়েদের বিশ্বকাপের ছবিটা যেন অন্য বার্তা রেখে গেল। ছবিটা নিমেষে ছড়িয়ে গেল। এমনকি আইসিসির টুইটার হ্যান্ডলেও পোস্ট করা হল ছবিটা। লেখা হল, ছোট্ট ফতিমার প্রথম শিক্ষা। এটাই ভারত—পাকিস্তান ক্রিকেটের স্পিরিট। ছোট্ট মেয়ে বোঝে না ভারত কী, পাকিস্তানই বা কী। সে বোঝে না সীমান্ত সমস্যা বা জঙ্গিহানা কাকে বলে। সে এটুকু বুঝল, মা আর মাসিদের মধ্যে কোনও লড়াই নেই। নীল জামা পরা এই মাসিরাও তাকে সত্যিই ভালবাসে।
বইমেলা প্রায় ফুরিয়ে এল। স্বভাবতই বইপত্র নিয়ে আলোচনা চলবে। অনেকেই নতুন নতুন বই কিনলেন। এবার পড়াও শুরু হয়ে যাবে। কোন বইটা কেমন লাগল? কী বিষয়বস্তু, চাইলে পাঠকদের সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারেন। আপনি লিখে পাঠান আপনার অভিজ্ঞতা।