‌ডার্বিতে যেই জিতুক, আসলে জিতবে আই এস এল

এবারের ডার্বি হচ্ছে গোয়ায়। মাঠে দর্শকও নেই। নাই বা থাকল। টিভি তো আছে। মোবাইল তো আছে। নিশ্চিত থাকতে পারেন, এই আবহে এই ম্যাচকে ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হবে, তা আই এস এলের কোনও ম্যাচকে ঘিরে হয়নি। তাই আর দশটা ডার্বির থেকে এই ডার্বি অনেকটাই আলাদা। বলা যায়, ভারতীয় ফুটবল একলাফে দশ বছর এগিয়ে গেল। নীতা আম্বানিও বুঝবেন। চ্যানেলকর্তারাও বুঝবেন। তাই ডার্বিতে যেই জিতুক, আসলে জিতবে আই এস এল।

নিঃসঙ্গতায় প্রাণসঞ্চার করেছিলেন সৌমিত্র

স্মৃতিতে এতটুকুও মরচে পড়েনি। প্রতিটি ছোট ছোট ঘটনা, অনুভূতি যেন এখনও জীবন্ত। এই বয়সে এসেও শুধু অভিনয় করে যাচ্ছেন, তাই নয়। প্রাণ ঢেলে অভিনয় করছেন। প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করছেন। বয়স হলেই মানুষ ফুরিয়ে যায় না, তাঁর আরও অনেক কিছু দেওয়ার থাকে। সৌমিত্রবাবু যেন সেটাই বারবার বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন। লিখেছেন জ্যোতির্ময় রায়।।

৭৫ বছর বয়সেও ফেলুদার প্রস্তাব এসেছিল সৌমিত্রর কাছে!‌

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বয়স তখন ৭৫। তখন কিনা প্রস্তাব এসেছিল ফেলুদা করার জন্য!‌ আর এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন সন্দীপ রায়!‌

অচেনা ঠিকানার খোঁজে

বাঙালি নাকি দিঘা, পুরী আর দার্জিলিংয়ের বাইরে কিছু ভাবতে পারে না। কিন্তু চারপাশে ছড়িয়ে আছে কত অচেনা–‌অজানা ঠিকানা। যেসব জায়গা হয়ত ততটা পরিচিত নয়। কেউ কেউ বারবার ছুটে যান সেই অচেনার সন্ধানে। এমন কিছু ব্যতিক্রমী জায়গাকে তুলে ধরতে আগ্রহী বেঙ্গল টাইমস।

চিঠি লিখতে কি আমরা ভুলেই গেলাম !

লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।

হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির সরণিতে

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ – স্মৃতিটুকু থাক। এটি মূলত পাঠকের মুক্তমঞ্চ। অকপটে নিজের নানা অনুভূতির কথা লিখে জানাতে পারেন। নির্বাচিত লেখাগুলি প্রকাশিত হবে বেঙ্গল টাইমসে। শব্দ সংখ্যা ১৫০ থেকে ২৫০ ।

কালকের জন্য ফেলে রাখবেন না

সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়?‌ আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

‌বেচারামরাও ব্ল্যাকমেল করছেন!‌

১)‌ নেত্রীর ধমক আর শিরোধার্য নয়। প্রয়োজনে ফোঁস করে উঠতে বেচারামও জানেন। ২)‌ যে যতই আদর্শের কথা বলুন, টিকিট দেব না বললেই সঙ্গ ছাড়তে দ্বিধা করেন না বেচারামরা। ৩)‌ অন্য সময় হলে বেচারামের রাগ ভাঙানোর কোনও চেষ্টাই নেত্রী করতেন না। স্রেফ উপেক্ষা করতেন। কিন্তু এখন বেচারামেরও রাগ ভাঙাতে হচ্ছে। ৪)‌ ইস্তফা গ্রহণ বা বর্জন, কোনওটাই স্পিকারের হাতে নেই। তাঁকে তাকিয়ে থাকতে হবে সেই দলের হুকুমের দিকেই।ওপেন ফোরামে এমনই কিছু ব্যাখ্যা তুলে ধরলেন ধীমান সাহা।

বিরোধীদের প্রাসঙ্গিক রাখার দায় যেন তৃণমূলই নিয়ে নিয়েছে

বলা যেতেই পারত, আমরা এই ঘটনা সমর্থন করি না, যারা করেছেন, অন্যায় করেছেন। এটা বললে কি খুব ক্ষতি হয়ে যেত!‌ বরং দলের ভাবমূর্তি কিছুটা ভালই হত। যদি সেইসব লোকেদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা হত, প্রশাসনের ও শাসকদলের ভাবমূর্তি কিছুটা উজ্জ্বলই হত। ভবিষ্যতেও অত্যুৎসাহীরা এরকম করার সাহস পেত না।লিখেছেন হেমন্ত রায়।

ধনতেরাস তো কোনওকালেই বাঙালির উৎসব ছিল না

বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে?‌ তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘‌এগিয়ে বাংলা’‌র ছবিটা আসলে কেমন। লিখেছেন তমাল ভৌমিক।।