যারা অভিযুক্ত, তাদের তবু ক্ষমা করা যায়। কিন্তু সিবিআই নামক যে অপদার্থ প্রতিষ্ঠানটি আমার–আপনার করের টাকায় পোষা হচ্ছে, তার কি সত্যিই কোনও যুক্তি আছে। যোজনা কমিশন থেকে শুরু করে কতকিছুই তো উঠে গেল। এবার সময় এসেছে, সিবিআই নামক প্রতিষ্ঠানটাকেই তুলে দেওয়া হোক।লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
সজল মুখার্জি আমাদের বেড়ে ওঠা আটের দশকে। তখন টিভিতে জুলাই মাস মানেই উত্তম কুমার। সপ্তাহে একদিন বাংলা ছবি। নিজেদের বাড়িতে টিভিও ছিলাম না। পাড়ায় এর-ওর বাড়িতে ভিড় করতাম। তখন কোনও...
তৃণমূল নেতৃত্বে সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক। নিঃসন্দেহে এই পরিস্থিতিতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কিন্তু তার মানে শুভেন্দু তৃণমূলেই থেকে গেলেন, এমনটা বলার মতো সময় আসেনি। তৃণমূলে থেকে গেলে কী কী হতে পারে, শুভেন্দু বেশ ভালই জানেন। লিখেছেন অজয় কুমার।
ইনস্ট্যান্ট সাফল্য চাইলে, ইনস্ট্যান্ট ম্যাগি নুডলস খেয়ে ফেলুন!
এই বছর যদি ইস্টবেঙ্গল আই এস এলে কোনও ম্যাচও না জেতে, তাও আমি ইস্টবেঙ্গলকে সাপোর্ট করব কোনও গালাগালি না করে, মন প্রাণ দিয়ে। কষ্ট পাব। কিন্তু ভরসা রাখব আগামী বছর ইস্টবেঙ্গল দ্বিগুনভাবে ফিরে আসবে।
মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।
তুমি চলমান ঘরনার উল্টো পথেই হেঁটেছো। বিতর্ক তোমাকে সঙ্গীও করেছে। তবুও তোমার জনপ্রিয়তা আন্দিজ, আল্পস, হিমালয়কে ছাপিয়ে গেছে। বাম পায়ে ফিদেল কাস্ত্রো, ডান হাতে চে গুয়েভারা আর হুগো সাভেজকে বুকের মধ্যে রেখে বাঁ পায়ের জাদুকর তুমি বরাবর পুঁজিবাদের জালে বাম দিক দিয়েই সমাজবাদের গোলটাই জড়িয়েছো। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।
সেই শুভেন্দু বেসুরো গাইছেন। হয়ত আগামীদিনে আরও সুর চড়াবেন। শাসকদলে কাঁপুনি ধরিয়ে দিচ্ছেন। তিনি নিজে দল গড়বেন নাকি সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন, জানি না। তবে যাই করুন, শাসককে বিপাকে ফেলছেন, এটা দেখতে বেশ লাগছে। একসময় তিনি তৃণমূলের হয়ে দল ভাঙিয়েছেন। আজ তৃণমূলকেই ভাঙতে উদ্যোগী। কুণাল বা মুকুলের মতো তাঁর উপরেও রাগ ক্রমশ কমে আসছে। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।
মধুজা মুখোপাধ্যায় এক মাথা ভর্তি লম্বা অবিন্যস্ত পাকা চুল পালক গোঁজা টুপিতে ঢাকা, গাল থেকে লম্বা ধবধবে পাকা দাড়ি বুক পর্যন্ত নেমে এসেছে, পরনে জীর্ণ একখানা কোট, ছোট হয়ে যাওয়া...
সৌমিত্রর মেয়ে পৌলমী তখন একেবারেই ছোট। আউটডোর লোকেশন থেকে দুটি চিঠি লিখেছিলেন মেয়েকে। সেই চিঠি দুটি পাঠ করলেন মেয়ে পৌলমী। বেঙ্গল টাইমসে সেই দুটি চিঠি। ########### ১১ বছর বয়সে মেয়েকে...
আনন্দ ছবিতে সৌমিত্রকেই চেয়েছিলেন ঋষীকেশ। তিনি রাজি হননি। তখন সেই রোল যায় অমিতাভের কাছে। পিঙ্ক ছবিতেও বিচারকের চরিত্রে প্রথম পছন্দ ছিলেন সৌমিত্র। কিন্তু তাঁর মনে হল, এই চরিত্রে অভিনয়ের তেমন সুযোগ নেই। এভাবেই বলিউডের হাতছানিকে বারবার উপেক্ষা করেছেন।