আনন্দ ছবিতে সৌমিত্রকেই চেয়েছিলেন ঋষীকেশ। তিনি রাজি হননি। তখন সেই রোল যায় অমিতাভের কাছে। পিঙ্ক ছবিতেও বিচারকের চরিত্রে প্রথম পছন্দ ছিলেন সৌমিত্র। কিন্তু তাঁর মনে হল, এই চরিত্রে অভিনয়ের তেমন সুযোগ নেই। এভাবেই বলিউডের হাতছানিকে বারবার উপেক্ষা করেছেন।
এবারের ডার্বি হচ্ছে গোয়ায়। মাঠে দর্শকও নেই। নাই বা থাকল। টিভি তো আছে। মোবাইল তো আছে। নিশ্চিত থাকতে পারেন, এই আবহে এই ম্যাচকে ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হবে, তা আই এস এলের কোনও ম্যাচকে ঘিরে হয়নি। তাই আর দশটা ডার্বির থেকে এই ডার্বি অনেকটাই আলাদা। বলা যায়, ভারতীয় ফুটবল একলাফে দশ বছর এগিয়ে গেল। নীতা আম্বানিও বুঝবেন। চ্যানেলকর্তারাও বুঝবেন। তাই ডার্বিতে যেই জিতুক, আসলে জিতবে আই এস এল।